ডিজি আফজালের প্রতি জামাতী চরের অভিযোগ কী একেবারেই অমূলক?

সংখ্যা: ২০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

বর্তমান মহাজোট সরকারের ভাবমর্যাদা নষ্ট করার জন্য
খোদ ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কাঙালী সুফিয়ার নাচের পর
ব্যালে ড্যান্সের আয়োজন-ডিজি আফজালের প্রতি জামাতী চরের
অভিযোগ কী একেবারেই অমূলক?

সস্তা জাতে উঠার জন্য অতি উৎসাহী প্রবণতার এটাই নিকৃষ্ট উদাহরণ। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) বর্তমান ডিজিকে অনেকে মরজিয়া ফিরক্বার সাথে তুলনা করেন। মরজিয়া ফিরক্বার লোকেরা যেমন মনে করে, একবার ঈমান আনলে এরপর যতই সে কুফরী করুক আর বেঈমান হবে না।
তেমনি ইফার ডিজি সামীম আফজাল হোসেন মনে করছে, সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হামলাকারীদের ব্যাপারে যে রায় দিয়েছে তাতেই সে সারাজীবন প্রধানমন্ত্রীর নেক নজরে থেকে যাবে। ফাউন্ডেশনকে যেভাবে খুশি চালিয়ে যাবে।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক ডিজি আফজালের চেয়ে গোটা দেশের জনগণ তথা ৯৭ ভাগ মুসলমান অনেক বড়; সে হিসাব করতে সে করুণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন করেছে ইসলামী ভাবধারা সমুন্নত রাখা ও বিস্তার করার উদ্দেশ্যে।
শিল্পকলা একাডেমীতে যেমন কথিত নাচ-গানেরই চর্চা হয়, ইসলামী ভাবধারার অনুশীলন হয় না; তদ্রূপ ইসলামিক ফাউন্ডেশনে শুধুমাত্র ইসলামী চেতনার অনুষঙ্গই অনুশীলিত হবে এটাই সর্বজন স্বীকৃত কথা।
কিন্তু এই চেতনার বিপরীতে কার এজেন্ট হয়ে কাজ করছে ডিজি সামীম আফজাল, সেটা এখন জ্বলন্ত প্রশ্ন?
এর আগে ডিজি সামীম আফজাল কাঙ্গালিনী সুফিয়ার গানের আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমেজ ক্ষণ্ন করেছে। নষ্ট করেছে সংস্থার ভাবধারা।
ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী ইসলাম সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে আসে। তাদের সম্মানে ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা হামদ-না’ত পরিবেশন শেষে তা ইংরেজিতে
ব্যাখ্যা করে তাদের শোনানো হয়।
এক পর্যায়ে দর্শকরা যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের প্রার্থনা সঙ্গীত শোনার আবদার করে। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম আফজাল প্রার্থনা
সঙ্গীতের পরিবর্তে তাদেরকে ডিস্কো ড্যান্স করার কথা বলে। যুক্তরাষ্ট্রের ছেলেমেয়েরা তৎক্ষণাৎ শর্ট পোশাকে তাদের দেশীয় স্টাইলে নাচ ও গান শুরু করে।
ঘটনার আকস্মিকতায় উপসি’ত ইমামরা বিব্রতবোধ করেন। আলেমদের দু’একজন প্রতিবাদও করেন। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় অনেকেই দ্রুত অনুষ্ঠানস’ল ত্যাগ করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সবাই বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে এ ধরনের উলঙ্গ নৃত্যের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমর্যাদাকে বিনষ্ট করা হয়েছে। তারা বলেন, মুসলমান হিসেবে আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে এ বিষয়ে নালিশ করবেন বলে জানান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডের আরেক গভর্নর গোলাম মাওলা নকশবন্দি বলেন, ঘটনাটি সত্যি অপ্রত্যাশিত। আমরা যারা এ ধরনের নৃত্য দেখতে অভ্যস্ত নয় তাদের কাছে এটা বেশ লজ্জারও বিষয়। তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো একটি জায়গায় এবং একটি ইসলামিক অনুষ্ঠানে কার ইঙ্গিতে কার অনুমতিতে এই নৃত্য প্রদর্শন হয়েছে তার তদন্ত হওয়া দরকার। উপসি’ত আলেম সমাজ এই নাচ দেখে বিব্রত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফাউন্ডেশনের আরেক গভর্নর আজিজুর রহমান বলেন, ঘটনাক্রমে তখন আমি বাইরে চলে আসি। তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো জায়গায় এ রকম কিছু হতে পারে তা আমার বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছে।
বলাবাহুল্য, সামীম আফজাল শুধু এ দুটি মহা ন্যক্কারজনক ঘটনার কারণেই নয়; বরং ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রমে জোট সরকারের আমলের জামাতীদেরই সম্পৃক্ত রাখার
অভিযোগেও অভিযুক্ত।
উপরে দিয়ে যাই করে, আসলে সে বর্তমান সরকারের ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করার পাঁয়তারায় গভীর ষড়যন্ত্রকারী কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন?
-মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক