প্রসঙ্গ: সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ রাখলেও ‘ইনশাআল্লাহ’ উঠিয়ে দেয়া

সংখ্যা: ২০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রসঙ্গ: সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ রাখলেও ‘ইনশাআল্লাহ’ উঠিয়ে দেয়া।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বললেও এদেশের জনগণ আদৌ গণতন্ত্র বুঝে কী?
গণতন্ত্র চর্চা করে কী? গণতন্ত্রের চর্চা আদৌ হয় কী?
গণতন্ত্রের চর্চা কিছুমাত্র হলেও এদেশের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ এমপি ‘ইনশাআল্লাহ’
রাখার পক্ষে জোরদারভাবে বলতেন।
কারণ, দেশের শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের ভাষ্য তাই।

এদেশের সাংবিধানিক নাম ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’। ভূখণ্ড হিসেবে বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। আর রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এখানে প্রচলিত গণতন্ত্র। সে অর্থে এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য যে, এদেশের আশিভাগ লোক গণতন্ত্র কী জিনিস তা বুঝে না। গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা তারা উপলব্ধি করে না।
সংসদীয় গণতন্ত্র কী জিনিস তারা জানে না।
সংসদ সদস্য বলতে তারা বুঝে এমপি সাহেব।
এমপি সাহেব হিসেবে তারা মেম্বার অব পার্লামেন্ট হিসেবে যতটুকু বুঝে-
কিন্তু সেই মেম্বার অব পার্লামেন্ট যে আসলে ‘একজন ল মেকার’ সেটা তারা কিছুই জানে না।
কার্যত এটা বর্তমান সংসদ সদস্যরাও সম্যক অবগত নয়। তারা মনে করে যে, সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের কর্তব্য- ‘দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য সংসদে ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় কথা বলা’।
কিন্তু প্রচলিত আইনের অসামঞ্জস্যতা অথবা ডিমেরিট দিক কিংবা উদ্ভূত সমস্যা নিয়ে কথা বলা যে তার প্রধান নৈতিক কর্তব্য তা তারা আদৌও হৃদয়াঙ্গম করে না। বহুদিন যাবৎ সংসদীয় কালচারে যা দেখা যায় তা হলো, সংসদ সদস্যরা এসব আইনগত প্রশ্নে সব এক ক্ষুরে মাথা কামান। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মত যোৎসাহে হ্যাঁ বা না বলেন।
কিন্তু এসব আইনগত প্রশ্নে যে তাদের দলীয় মত অথবা
একক মত দেয়ার মত নৈতিক অধিকার নেই তা তারা আদৌ উপলব্ধি করেন না।
একজন সংসদ সদস্যকে মনে রাখতে হবে, সংসদে তিনি
যে কথা বলেন কার্যত তা তার নিজস্ব বক্তব্য বলে
প্রতিভাত হয় না।
বরং তার কথার মাঝ দিয়ে উক্ত সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার সব জনগণের মত বা বক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে বলে প্রতিপন্ন হয়।
এ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যের অনিবার্য নৈতিক কর্তব্য ও দায়বোধ থাকে যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তিনি এলাকার জনগণের মত আহ্বান করবেন এবং তা গভীর দরদ দিয়ে শোনা সাপেক্ষে সংসদে কেবল তারই প্রতিধ্বনি করবেন। এলাকার লোক তাকে শুধু রাস্তাঘাট উন্নয়নের এমপি হিসেবে পাঠায়নি, এসব আইনগত প্রশ্নে এলাকাবাসীর হৃদয়ের অনুভবটুকুও তিনি সংসদে প্রকাশ করবেন। এটাও তার মূল ও পবিত্র দায়িত্ব।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতা উত্তর হতে খুব কম সংসদ সদস্যই এ পবিত্র দায়িত্ব পালন করেছেন।
বলাবাহুল্য, এখন এমন কিছু স্পর্শকাতর বিষয় সামনে দাঁড়িয়েছে যে, এখন সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন না করলেও জনগণকে নিজেদের কর্তব্য পালনই সোচ্চার হতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পুনঃমুদ্রিত সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’ রাখা হবে না বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু এটা মারাত্মক নাহক্ব কথা।
এদেশে এমন কোন নির্বাচনী এলাকা নেই; যেখানকার জনগণ ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’-এ বাক্য উঠিয়ে দেয়া সমর্থন করবে।
বরং এটাই সত্য ও স্বাভাবিক, সব নির্বাচনী এলাকার জনগণ তথা এদেশের ৯৭ ভাগ মুসলমান সবাই ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’-
এই কথার প্রতি তাদের হৃদয় নিংড়ানো আস্থা ও সমর্থন জাহির করবে। কিন্তু সংসদ সদস্যদের জনবিচ্ছিন্নতা হেতু
সে প্রবল জনমত সংসদে আদৌ প্রতিফলিত হবে না- তা বলাই বাহুল্য।
এইক্ষেত্রে দেশের ৯৭ ভাগ মুসলমানের আর বসে থাকা আদৌ সমীচীন নয়। কারণ, এতে করে তাদের ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মের ভাষা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। স্তব্ধ করে দেয়া হচ্ছে। বলাবাহুল্য, এদেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে পিয়ন পর্যন্ত অথবা সাধারণ মুসলমান সবাই উঠতে-বসতে প্রতিটি কথার শেষে, কাজের শুরুতে বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ’। অর্থাৎ যদি আল্লাহ পাক চান। যা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবেই তারা একথা বলেন। আর সংবিধান থেকে তাই উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে।
সব সংসদ সদস্যদের আগে মনে রাখতে হবে যে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস উঠিয়ে নেয়া আর ইনশাআল্লাহ উঠিয়ে নেয়া মূলত একই কথা।
কাজেই এই ‘ইনশাআল্লাহ’ যাতে কোন মতেই সংবিধান থেকে উঠিয়ে না নেয়া হয়, সে লক্ষ্যে আলাদা আলাদাভাবে
প্রতি নির্বাচনী এলাকার লোককে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের উপর জনমত, জনইচ্ছার প্রবিষ্ট কারতে হবে। জোরদার দাবি তুলতে হবে।
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শীর্ষমহলকে মনে রাখতে হবে, যে লক্ষ্যে তারা ‘বিসমিল্লাহ’ রাখছেন একই উদ্দেশ্যে তাদেরকে ‘ইনশাআল্লাহ’ রাখতে হবে। অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বাক্য অক্ষত রাখতে হবে নচেৎ তা হবে চরম আত্মঘাতী ও বিপর্যয়মূলক সিদ্ধান্ত।
উল্লেখ্য, সঠিক সিদ্ধান্তের জন্যই প্রয়োজন সততা আর সদিচ্ছা। মূলত ইসলামী অনুভূতির উদয় হলেই তার বিকাশ ও চর্চা সম্ভব। তবে সেজন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত, রূহানী সংস্পর্শ তথা ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ।

-মুহম্মদ ওয়ালীউল্লাহ

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক