প্রসঙ্গ : বেপর্দা, নারী সম্ভ্রম হরণ, নারী অধিকার ও ইসলামী মূল্যবোধ

সংখ্যা: ২০৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

“গণসম্ভ্রম হরণের খবরগুলো আমাদেরকে খুব ব্যথিত করে। আমরা স্বাধীন দেশের নারী। আমাদের স্বাধীনতা আছে- কথা বলার, কাজ করার, বাইরে যাবার। অথচ সব সময়ই যেন আমাদের মধ্যে একটা পুরুষভীতি কাজ করে।”  (দৈনিক ইত্তেফাক, ২০১০ ঈসায়ী সন)

উক্ত পত্রিকার উক্ত উক্তিগুলো সে লেখিকা করেছে যিনি দাবি জানিয়েছে তারা স্বাধীন দেশের নারী। একদিক থেকে বর্তমানে নারীরা স্বাধীন, যদি তাই না হতো তবে এমন করে মনের কথাগুলোকে কিভাবে ব্যক্ত করতে পারলো? তবে আমাদের দৃষ্টিতে-

‘স্বাধীনতা’র মানে কী-

বোরকা ছেড়ে রাস্তায় বের হওয়া?

পর্দা প্রথাকে পরাধীনতা মনে করা?

নিজেদের শখ, কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার জন্য সাজ-সজ্জা করে শপিং মল, পার্কে ঘুরে বেড়ানো?

এসব কথা চিন্তা করতেই ‘তাসলিমা নাসরিনের’ কথা মনে পড়ে গেলো হঠাৎ করে। সে কিনা এই ‘স্বাধীনতার নামেই দাবি জানিয়েছিলো- ‘ছেলেরা যদি শার্ট খুলে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে পারে; তবে মেয়েরা কেন পারবে না?’ নাঊযুবিল্লাহ!

আর এই জন্য আমাদের মতো সচেতন নারীদের অবাক হতে হয় এই ভেবে যে, তারাও নারী আর আমরাও নারী। তারা স্বাধীনতার সংজ্ঞাটা উপলব্ধি করতে বারবারই ব্যর্থ হচ্ছে। কথায় আছে, ‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দিলে’ সেটা কি বুদ্ধিমত্তার কাজ হলো, নাকি শিকারীকেই বরং স্বেচ্ছায় তার খাদ্যের যোগান দেয়া হলো? কোনটা? আসল সত্যি এটাই নয় কি?

পর্দাবিহীন রাস্তাঘাটে, যে কোনো প্রতিষ্ঠানে, পুরুষদের পাশাপাশি থাকাটা ‘স্বাধীনতা’ নয়। বরং নিজেদেরকে মুরগির মতোই শেয়ালরূপী পুরুষদের কাছে বর্গা দেয়া বা স্বেচ্ছায় ভোগের পাত্রী হওয়ায় পরাধীনতারই পরিচয় বহন করে।

সুতরাং দোষটা শুধুই কি পুরুষের? তা কিন্তু নয়। এক্ষেত্রে নারীদের দোষ-ত্রুটি যেমন রয়েছে তেমনি পুরুষদেরও রয়েছে।

বেহায়া-বেলেল্লাপনার মতো জীবনযাপনে একটা নারী যেমন করে ধ্বংস হয়, একটা পুরুষও তেমন করেই ধ্বংস হয়। আর এরই ফসল সম্ভ্রম হরণ আর গণসম্ভ্রম হরণ।

শরীয়তে ‘স্বাধীনা মহিলা’ বলতে তাদেরকেই বুঝানো হয় যারা একান্ত প্রয়োজনে পর্দার সাথে রাস্তায় বের হবে এবং কাজও করতে পারবে। তবে বোরকা (মাথার তালু থেকে পা পর্যন্ত) পরিহিত থাকার কারণে কোনো পুরুষ সে বখাটেই হোক আর সাধারণই হোক তাকে দেখতেও পাবে না, উত্ত্যক্তও করতে পারবে না।

আল্লাহ পাক উনার বিধান- ‘সূরা আহযাব’-এর ৫৯ নম্বর আয়াত শরীফ-এর পূর্ণ মিছদাক হতে পারলেই ‘স্বাধীনা নারী’ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যাবে। আর তা না হলে পরাধীনই থাকতে হবে। অর্থাৎ বেপর্দা হয়ে পুরুষদের অধীনে থাকলে সব সময় পুরুষভীতিই কাজ করবে এবং এটাই স্বাভাবিক। খোলা খাবার বা মিষ্টির উপরই মশা-মাছি পড়ে থাকে। যা চোখে পড়লে কেউ খেতে চায় না। ঠিক তেমনি পর্দার বাইরে খোলাভাবে জীবনযাপন করলে পুরুষরূপী মশা-মাছি তো পড়বেই। সুতরাং পরের অধীনে বসবাস করা, চলাফেরা করা, কথা বলা, কাজ করার নাম ‘স্বাধীনতা’ নয়। এরই নাম পরাধীনতা। এ কথাটাই আজ তথাকথিত স্বাধীনতাকামী, নারী অধিকার দাবিকারী,  সমঅধিকারের জন্য গলা ফাটানো নারীদের বুঝতে হবে। আর তা না হলে-

তাদের জাত যাবে

তাদের মান-মর্যাদা হারাবে

তাদের ঈমান যাবে

ইহকালও ধ্বংস হবে

পরকালও ধ্বংস হবে।

স্বাধীনতা নয় বরং পরাধীনতার জীবনই তাদের কলুষিত জীবনে কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা করবে।

আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লূহুল আলী এবং উনার আহলে বাইত শরীফ উনাদের মুবারক উসীলায় আমাদেরকে কলঙ্কিত জীবন থেকে সব সময়ের জন্য হিফাজত করেন। আমীন।

-আজিমা ফারহা।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক