চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৫

সংখ্যা: ২০৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

বর্তমান সংখ্যার আলোচনা: ইহুদীদের মদদপুষ্ট হয়ে এবং সউদী ওহাবী শাসকগোষ্ঠীর অর্থে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের অলীক স্বপ্ন নিয়ে একটি ভুঁইফোঁড় সংগঠন সারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
Real Hizri Calendar Implementation Council Bangladesh নামে এই সংগঠনটি সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের পক্ষে নানা প্রচারণা চালাচ্ছে। সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের পক্ষে (অর্থাৎ সারা বিশ্বে একদিনে ঈদ পালন করার পক্ষে) তারা ৯০টি খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে তাদের বর্ণিত শরীয়তের খিলাফ এই মনগড়া যুক্তির শরীয়তসম্মত এবং সঠিক মতামত প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। যেন সাধারণ মুসলমানগণ চাঁদের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তিতে না পড়ে। তারা লিখেছে-

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

৩০ নম্বর মতামত: মানবজাতিকে একটি ইউনিভার্সাল (সার্বজনীন) পদ্ধতি মানতে হবে। এভাবে আমরা দিন, তারিখ এবং ২৪ ঘণ্টা গণনা করে থাকি, জিএমটি (এগঞ) এবং আইডিএল (ওউখ) কে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে। চন্দ্রমাসের জন্য আমরা অন্য একটি নতুন গগঞ (গধশশধয গবধহ ঞরসব) তৈরি করতে পারি না যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
৩০ নম্বর মতামতের জবাব: মানবজাতির প্রয়োজনে যদি কোন ইউনিভার্সাল পদ্ধতি মানতে হয় তবে অবশ্যই মানুষ মানবে কিন্তু সে পদ্ধতি কোনভাবেই শরীয়তের ব্যাখ্যার বাইরে থাকবে না। তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক কাফিরদের প্রবর্তিত GMT পদ্ধতি নিয়ে এতটাই সন্তুষ্ট যে এর বাইরে কোন পদ্ধতি থাকতে পারে বা ব্যবহার হতে পারে তা তার অনুভূতিতেই আসেনি। নাঊযুবিল্লাহ! অবশ্য এটাই স্বাভাবিক। কারণ কোন ওলীআল্লাহর ছোহবতবিহীন মানুষের পক্ষে ইলমের প্রকৃত নূর উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের জানা উচিত হযরত আদম আলাইহিস সালাম যমীনে তাশরীফ নেবার পর থেকে হাজার হাজার বছর অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু সে সময় GMT ছাড়াই চলেছে বরং সে সময় থেকেই আসমান যমীনের কেন্দ্র হিসেবে পবিত্র কা’বা শরীফ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। GMT এর প্রচলন শুরু হয়েছে মাত্র ১৮৮৪ সাল থেকে। আর, দিন, তারিখ সময় গণনার জন্য GMT’র কোন প্রয়োজন মুসলমানদের নেই। কেননা মহান রব্বুল আলামীন কুরআন শরীফ-এ এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীছ শরীফ-এ দিন, তারিখ গণনার পদ্ধতি মানুষকে শিখিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের উল্লিখিত IDL (Islamic Date line) বলে কোন রেফারেন্সের অস্তিত্ব নেই। এটার উল্লেখ অবান্তর। অথচ এই জাহিল ইঞ্জিনিয়ার GMT এবং IDL মানার পক্ষে ওকালতি করছে। তার মতামতের শেষের বাক্যটি তার জিহালতি প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। সে লিখেছে “চন্দ্রমাসের জন্য আমরা অন্য একটি নতুন MMT তৈরি করতে পারি না যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।”
চন্দ্রমাসের জন্য কখনো MMT বা KMT এর প্রয়োজন হয় না। চন্দ্রমাস নির্ভর করে চাঁদ দেখার উপর। তারিখ এবং সময় গণনার জন্য প্রয়োজন MMT বা KMT এবং তা তৈরি করা বা চালু হওয়া শুধু যৌক্তিক নয় বরং ফরয ওয়াজিব। কিন্তু যেহেতু বর্তমানে খিলাফত ব্যবস্থা নেই তাই শুধু অপেক্ষার পালা কিন্তু অবশ্যই একদিন পৃথিবীতে GMT ধ্বংস হবে এবং KMT বা MMT পৃথিবীতে নিশ্চিত চালু হবে ইনশাআল্লাহ।

বিশ্বের জন্য ১৪৩২ হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদের রিপোর্ট

জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ৩ মে, ২০১১, মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে (আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী)। অমাবস্যার দিন অর্থাৎ ৩ মে, ২০১১, মঙ্গলবার সউদী আরবে জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদ দেখা যাবার কোন সম্ভাবনা নেই।

বাংলাদেশের জন্য ১৪৩২ হিজরীর জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদের রিপোর্ট

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ৩ মে, ২০১১, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে। বাংলাদেশে জুমাদাল উখরা মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে ৪ মে, ২০১১, বুধবার সন্ধ্যায়। সেদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ২৮ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৭টা ৩২ মিনিটে। অর্থাৎ সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা ০৪ মিনিট। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার প্রায় ১৩ ডিগ্রী উপরে অবস্থান করবে এবং চাঁদ খুঁজতে হবে ২৮৮ ডিগ্রি আজিমাতে। সেদিন চাঁদ দেখার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

-আল্লামা আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল হাসান

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক