যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৭৭

সংখ্যা: ২০৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

[মূলত যুগে যুগে মিথ্যাবাদী আর মুনাফিকরাই হক্বের বিরোধিতা করেছে, হক্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মুনাফিকদেরকে ‘কাযযাব’ বা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেছেন। যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “আল্লাহ পাক সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী।” (সূরা মুনাফিকুন-১)

উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা মুনাফিক তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আবার যারা মিথ্যাবাদী তারাই মুনাফিক। কেননা হাদীছ শরীফ-এ মুনাফিকের যে আলামত বা লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে তন্মধ্যে একটি হল মিথ্যা কথা বলা। মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার যারা বিরোধিতাকারী তারা উক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই পূর্ণ মিছদাক। অর্থাৎ তারা একই সাথে মুনাফিক ও কাট্টা মিথ্যাবাদী। তাই তারা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে স্মরনিকা-বার্ষিকী, পত্র-পত্রিকা ও বক্তৃতার মাধ্যমে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়।]

ধারাবাহিক

মিথ্যাবাদী তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক শামছুল হকের মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জাওয়াব

৬। প্রসঙ্গ : “ক্বাইয়্যূমুয যামান লক্বব”

মিথ্যাবাদী স্বঘোষিত মুশরিক শামছু..র আরেকটি জিহালতপূর্ণ বক্তব্য হলো- “তাঁর নামের পূর্বে যে লক্ববগুলি লাগানো হয় তার কোন কোনটি শিরক পর্যায়ের। যেমন তাঁর নামে কাইয়্যূমুয যামান লেখা আছে। ‘ক্বাইয়্যূমুয যামান’ হলেন আল্লাহ।”

“খণ্ডনমূলক জবাব”

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

কাজেই বাতিল ফিরক্বা লা মাযহাবীদের যারা দালাল, তারা যে রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার সম্পর্কেও এরূপ মন্তব্য করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে শামছু…কে যদি একবার রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার সামনে বসানো যেত তবেই না শামছু..র আসল হাক্বীক্বত জনগণ দেখত। জিহালতীর কোন স্তরে সে অবস্থান করছে তাও জনগণের সামনে সুস্পষ্ট হয়ে যেত। আর তার জন্য পালানোর দরজা খোঁজা ছাড়া কোনই গত্যন্তর থাকত না। এজন্য বলা হয় ‘ছাল নাই কুত্তার বাঘা নাম’ দুই পয়সার ইলম নেই সে আবার প্রধান মুফতী।

মিথ্যাবাদী, ভণ্ড, ধোঁকাবাজ, জাহিল, স্বঘোষিত মুশরিক শামছু..কে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি সে রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার যারা ছাত্র রয়েছেন তাদেরই মাত্র ১০টি প্রশ্নের জবাবও সঠিকভাবে দিতে পারবে না।

যদি বুকে সাহস থাকে ইলমের যদি এতই জোর থেকে তবে স্বঘোষিত মুশরিক শামছু যেন এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে।

তাছাড়া নামের শুরুতে বড় বড় লক্বব থাকলেই যদি কেউ জাহিল হয় তবে তো মিথ্যাবাদী শামছু..র মতে পূর্ববর্তী সকল ইমাম-মুজতাহিদ, ওলীআল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাই জাহিল। নাঊযুবিল্লাহ! কারণ উনাদের বড় বড় লক্বব ছিল। খোদ স্বঘোষিত মুশরিক শামছু…র যারা গুরু রয়েছে যেমন আশরাফ আলী থানবী, রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী, হাফেজ্জী, আজিজুল হক প্রমুখ তারা সকলেই মুশরিক শামছু…র মতে জাহিল। কারণ তাদের নামের শুরুতে লক্বব রয়েছে। মুশরিক শামছু… একথার কি জবাব দিবে? কাজেই আলিম বা জাহিলের সম্পর্ক লক্ববের সাথে নয়। এর সম্পর্ক হচ্ছে, ইলমের সাথে অর্থাৎ যার ইলম রয়েছে তিনি আলিম আর যার ইলম নেই তিনি জাহিল। সুতরাং মুশরিক শামছু আমাদের সাথে আলোচনায় বসে প্রমাণ করুক তার ইলমের দৌড় কতটুকু।

অতএব প্রমাণিত হলো যে, ‘কাইয়্যূমুয যামান’ সম্পর্কিত তথাকথিত মুফতী স্বঘোষিত মুশরিক শামছু …র বক্তব্য শুধু মিথ্যা ও জিহালতপূর্ণই নয় বরং সুস্পষ্ট কুফরীও বটে।

৭. প্রসঙ্গ : কদুকে অপছন্দ করা

মিথ্যাবাদী, জাহিল, প্রতারক, ধোঁকাবাজ, ভণ্ড, স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু…” অতঃপর আরো লিখেছে, “তার পত্রিকায় লিখেছে যদি কেউ বলে যে, আমি কদুকে পছন্দ করিনা তাহলে কাট্টা কাফির হয়ে যাবে এ ফতওয়াটি কোন মুজতাহিদ ইমামের তা লিখেননি তার ফতওয়ায়।”

“খণ্ডনমূলক জবাব”

কাযযাবে আ’যম, জাহিলে আকবর, প্রখ্যাত ভণ্ড, স্বঘোষিত মুশরিক ‘শামছু…’ তার জিহালতীর সবটুকুই প্রকাশ করে দিয়েছে, কদু সম্পর্কিত ফতওয়ার সমালোচনা করে। জাহিল প্রশ্ন করেছে এ ফতওয়াটি কোন ইমাম মুজতাহিদের? মূলত ‘কদুকে অপছন্দ করলে কাফির হয়ে যাবে’ এ ফতওয়া দেয়ার জন্য ইমাম ও মুজাহিদ হওয়ার প্রয়োজন নেই। সামান্য ইলম রয়েছে এরূপ ব্যক্তিও ফতওয়া দিবে যে, কদুকে অপছন্দ করা কুফরী। কেননা একজন সাধারণ মুসলমানও জানে যে, সুন্নতকে অস্বীকার, অবজ্ঞা ও অপছন্দ করা নিঃসন্দেহে কুফরী। যে ব্যক্তি কোন সুন্নতকে অস্বীকার, অবজ্ঞা ও অপছন্দ করবে সে অবশ্যই কাট্টা কাফির হয়ে যাবে। বিশ্বের সকল বড় বড় ইমাম মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাই এ ফতওয়া দিয়েছেন।

স্মর্তব্য, কদু খাওয়া যে খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত তা নিম্নোক্ত হাদীছ শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হয়। যেমন হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ আছে-

عن انس رضى الله تعالى عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتى مولى له خياطا فاتى بدباء فجعل ياكله فلم ازل احبه منذ رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكله.

অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একজন দর্জি গোলামের বাড়িতে আসলেন। (খানা খাওয়ার সময়) কদু উপস্থিত হলে, তিনি বেছে বেছে কদু খেতে লাগলেন। সেদিন থেকে আমিও কদু খেতে ভালবাসি, যেদিন রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কদু খেতে দেখলাম। (বুখারী শরীফ)

عن انس رضى الله تعالى عنه قال كنت غلاما امشى مع رسول الله صلى الهل عليه وسلم فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على غلام له خياط فاتاه بقصعو فيها طعام وعليه دباء فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يتبع الدباع بعد ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صنع ما صنع.

অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন বালক ছিলাম তখন হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবতে চলাফেরা করতাম। একদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এক গোলামের কাছে গেলেন, তিনি ছিলেন দর্জি।  তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে একটি পাত্র হাজির করলেন, যাতে খাবার ছিল। আর তাতে কদুও ছিল। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বেছে বেছে কদু খেতে লাগলেন। এটা দেখে আমি কদুর টুকরাগুলো উনার সামনে জমা করতে লাগলাম। তিনি বললেন, গোলাম তার কাজে ব্যস্ত হল।
-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইসহাক, ঢাকা

 

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক