সোয়াইন ফ্লু আর বার্ড ফ্লু ষড়যন্ত্রের পর কলেরা টিকা চালুর নতুন ফাঁদে সরকার

সংখ্যা: ২০৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

সোয়াইন ফ্লু আর বার্ড ফ্লু ষড়যন্ত্রের পর কলেরা টিকা চালুর নতুন ফাঁদে সরকার; কলেরার নামে ভারতের বাণিজ্য রোধে এখনই তীব্র জনসচেতনতা দরকার ভারত শুধু টিকার নামে এদেশে কলেরা বাণিজ্যই করতে চাচ্ছে না

বরং এদেশের রপ্তানি বাণিজ্যসহ গোটা অর্থনীতিতে ধস তৈরি করতে চাইছে।

 

২০০৯ সালে মার্চ মাসে তিন থেকে চার মাসে বাংলাদেশে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস (এইচ১এন১) ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেছিল সরকারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সেসময়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল, আগামী তিন মাসে ৭০ থেকে ৮০ হাজার সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। তবে ক্রমান্বয়ে বর্ধিত হবে এ সংখ্যার সাতগুণ, যাদের হাসপাতালে ভর্তি না হলেও চলবে। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অবস্থিত সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (সিডিসি আটলান্টা) ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার যে প্রাক্কলন করেছে এর ভিত্তিতে এ হিসাব দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, আইইডিসিআর যেদিন সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশঙ্কার কথা মানুষকে জানায়, তার দুদিন আগেই ঢাকার দুটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কর্তৃপক্ষ সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রস্তুতি নেয়ার নামে তাদের স্কুল বন্ধ করে দেয়। রাজধানীর স্কলাসটিকা ও সানবীম নামে দুটি স্কুল যখন সোয়াইন ফ্লু আতঙ্কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়, জানামতে তখনো স্কুল দুটিতে সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত একটি শিশুও পাওয়া যায়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তাহলে প্রশ্ন দেখা দেয়, স্কুল দুটির কর্তৃপক্ষ কী ধরনের পরিস্থিতি দেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে তাদের স্কুল বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সারাদেশের সব স্কুলের শিশু-কিশোরদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালো? এ ধরনের আতঙ্ক ছড়ানোর মানে কী? এর ভিতরে যে গভীর ষড়যন্ত্রের বীজ ছিল তা মুজাদ্দিদে আ’যম উনার ক্বওল শরীফ এবং উনার মুখপত্র দৈনিক আল ইহসান এবং আল বাইয়্যিনাত-এর লেখালেখির কারণেই জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়। জনগণ সচেতন হয়। সোয়াইন ফ্লু ষড়যন্ত্রের কবর রচিত হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ষড়যন্ত্রকারীরা বার্ড ফ্লু প্রচারণা দ্বারা এদেশের পোল্ট্রি শিল্পে ধস নামিয়েছে। এরপর সোয়াইন ফ্লু ষড়যন্ত্র দ্বারা অপবাণিজ্য করতে ব্যর্থ হয়ে এখন কলেরার টিকা নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

দেশে এক দশক ধরে কলেরার প্রকোপ না থাকলেও কলেরা ভ্যাকসিন চালু করার জন্য সরকারকে প্ররোচিত করছে ডায়রিয়া নিয়ে গবেষণারত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর-বি)। আর সরকারও তাদের ‘ফাঁদে’ পা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের একটি পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল এই সংবাদটি। রিপোর্টের তথ্যমতে, ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারকে দিয়ে ‘কলেরা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের উপায়’ শীর্ষক একটি একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করানো হয়েছে, যেখানে কলেরা নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো এবং মুখে খাওয়ার টিকা চালু করার কথা বলা হয়েছে।

বর্তমানে জেনভায় চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হলে সারাদেশে কলেরার টিকা চালু হবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিকার নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা জোরালোভাবেই বলছেন, এই পুরো বিষয়টি অপ্রয়োজনীয়। কেবল একটি গবেষণা সংস্থার স্বার্থরক্ষায় এটা করা হচ্ছে। আর এতে করে একটি মহল বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক লাভবান হবে। যদি তাই হয় তাহলে বিষয়টি খুবই আত্মঘাতী ও দুরভিসন্ধিমূলক এতে সন্দেহ নেই।

সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গত এক দশক ধরে কলেরার প্রকোপ নেই। অথচ গত বছরের ২২ মে জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী পরিষদের সভায় অংশ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক কলেরা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের বিষয়ে একটি কৌশলপত্র উপস্থাপন করে বলেন, বাংলাদেশে বর্ষার আগে ও পরে দু’দফায় কলেরার প্রকোপ দেখা দেয়। আইসিডিডিআর-বি’র একজন কর্মকর্তাও ওই বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। এ বছরের জানুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈঠকেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে, এই রোগের প্রকোপ বাংলাদেশে ব্যাপক।

সে সময় জেনেভায় ডব্লিউএইচও’র নির্বাহী সভায় ‘কলেরা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের উপায়’ শীর্ষক বাংলাদেশের একটি খসড়া প্রস্তাবও গৃহীত হয়। প্রস্তাবে কলেরা নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো এবং মুখে খাওয়ার টিকা চালু করার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হলে সারা দেশে কলেরা প্রতিরোধ কর্মসূচি শুরু হবে। আর সেক্ষেত্রে ওরাল (মুখে খাওয়ার) কলেরা ভ্যাকসিনও এই কর্মসূচিতে ঢুকে পড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কলেরার টিকা চালু একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করা গেলেই এদেশে ডায়রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব।

দেশে কলেরার প্রকোপ দেখা দিয়েছেÑ এমন কথা গত ১০ বছরে কখনোই সরকার বলেনি। সে ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে কেন বিষয়টি ওইভাবে উপস্থাপন করা হলোÑ তা নিয়ে সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, আইসিডিডিআর-বি সরকারকে ‘ভুল পথে’ পরিচালিত করছে। আইসিডিডিআর-বি ২০০৯ সালের নভেম্বর থেকে রাজধানীর মিরপুরে একটি কলেরা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখছে। কলেরা চিকিৎসার বিষয়টিকে সরকারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার জন্য অনেকদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরে সালের জেনেভা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কলেরা চিকিৎসার বিষয়টির উপস্থাপন নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালায় আইসিডিডিআর-বি।

ওই সফরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের একাধিক সদস্যকে পৃষ্ঠপোষকতাও দেয় তারা। বলাই বাহুল্য, তারা অনেকদূর সফল হয়েছে এবং বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। যদি সত্যিই এটা বিশেষ মহলের পরিকল্পনার অংশ হয় এবং সরকার বুঝে বা না বুঝে এ ফাঁদে পা দিয়ে থাকে তাহলে অতিসত্বর এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। সরকারের উর্ধ্বতন মহলের উচিত এ সংক্রান্ত উদ্বেগ আমলে নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। জাতীয় স্বার্থ না থাকলে শুধু বিশেষ কিছু মহলের স্বার্থরক্ষায় সরকারযন্ত্র ব্যবহৃত হোক, দেশের সাধারন মানুষ তাদের গিনিপিগ হোক এটা কেনোভাবেই কাক্সিক্ষত নয়।

সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রকাশনায় বিভিন্ন  রোগের প্রকোপ ও বছরে কত লোক মারা যায় তার  যে তালিকা তাতে কলেরার কোনো উল্লেখ নেই। সরকারি মহল থেকে কিছু দিন আগ পর্যন্ত সাংবাদিকদের অনুরোধ করা হতো ‘কলেরা’ শব্দ ব্যবহার না করার জন্য। কিন্তু এখন রহস্যজনক কারণে সরকার কলেরার পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে।

আইসিডিডিআর-বি ২০১০ সালের শুরু থেকে মিরপুরে কলেরার টিকা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের আওতায় দুই লাখ ৪০ হাজার মানুষকে টিকা খাওয়ানোর কথা। সঞ্চল নামের যে টিকা এই গবেষণায় ব্যবহার করা হচ্ছে, তা ভারতে নিবন্ধিত।

ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে- এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে বগুড়ায় এবং এপ্রিলে কিশোরগঞ্জে কলেরার প্রকোপ দেখা দিয়েছিল। বগুড়ায় ট্যাপের পানিতে কলেরার জীবাণু পাওয়া গিয়েছিল, যা খুবই উদ্বেগের বিষয়।

এদিকে বাংলাদেশে জনসংখ্যা কত, তা নিয়ে বিতর্কের মতোই আরেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে কলেরায় আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে। সরকারি তথ্যে কলেরায় আক্রান্তের সংখ্যা বলা হচ্ছে আনুমানিক সাড়ে চার লাখ। অন্যদিকে কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা আইসিডিডিআর বলছে, গুরুতর ও সাধারণ ক্যাটাগরি মিলিয়ে বাংলাদেশে কলেরার জীবাণুবাহী মানুষের সংখ্যা আনুমানিক প্রায় ১২ লাখ।

এ সংখ্যাগত বিভ্রান্তি ছাড়াও সরকারের সংশ্লিষ্টতায় আইসিডিডিআর-বি’র কলেরা ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. খন্দকার মো. শিফায়েতুল্লাহ জানিয়েছেন, তারা এ ভ্যাকসিন ট্রায়াল কার্যক্রম নিয়ে অন্ধকারে রয়েছেন। এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রকল্পের নাম নিয়েও আপত্তি আছে তাদের।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র-বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর-বি) প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘ইন্ট্রোডাকশন অব কলেরা ভ্যাকসিন ইন বাংলাদেশ’ (আইসিভিবি)। এ কার্যক্রমের প্রধান ড. ফেরদৌসী কাদরী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার মাধ্যমে আমরা তথ্য  পেয়েছি যে, বাংলাদেশে ডায়রিয়া আক্রান্তদের ২৫ শতাংশই কলেরার জীবাণুবাহী। দেখা গেছে, একজন মানুষ চূড়ান্ত পর্যায়ে কলেরায় আক্রান্ত হলে তার মাধ্যমে আরো তিনজন আক্রান্ত হতে পারে। এমন হিসাবকে ভিত্তি করেই আমরা বাংলাদেশে বছরে কলেরা জীবাণুবাহী মানুষের সংখ্যা আনুমানিক প্রায় ১২ লাখ ধরেছি। তবে তাদের সবাইকে কলেরা রোগী বলা যাবে না।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কলেরার নামে ভারতের সঞ্চল টিকা শুধু কলেরা নিয়েই বাণিজ্য করবে না। বরং বাংলাদেশের গোটা রপ্তানী বাণিজ্য তথা সামগ্রীক অর্থনীতিকেই ধ্বংস করার বিশাল ভারতীয় ষড়যন্ত্র। কারণ বাংলাদেশে কলেরা রয়েছে- এ প্রচারণা পেলে গোটা বিশ্বেই বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি করা দুরূহ হয়ে পড়বে। অর্থনীতিতে ধস নামবে। ভারতের কাছে এদেশ আরো নতজানু হয়ে পড়বে।

কাজেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সমৃদ্ধি রক্ষার্থে এখনই এদেশের জনগণকে কলেরা নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ হতে হবে।

-মুহম্মদ আশিকুল্লাহ

 

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক