চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৭

সংখ্যা: ২০৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

বর্তমান সংখ্যার আলোচনা: ইহুদীদের মদদপুষ্ট হয়ে এবং সউদী ওহাবী শাসকগোষ্ঠীর অর্থে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের অলীক স্বপ্ন নিয়ে একটি ভুঁইফোঁড় সংগঠন সারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

‘Real Hizri Calendar Implementation Council Bangladesh’ নামে এই সংগঠনটি সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের পক্ষে অর্থাৎ সারা বিশ্বে একদিনে ঈদ পালন করার পক্ষে নানা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং এ সম্পর্কে ৯০টি খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে তাদের বর্ণিত শরীয়তের খিলাফ এই মনগড়া যুক্তির শরীয়তসম্মত এবং সঠিক মতামত প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। যেন সাধারণ মুসলমানগণ চাঁদের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তিতে না পড়ে। তারা লিখেছে-

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

৩৩ নম্বর মতামত : মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, ১২টি মাসে একটি বছর হয় (৯:৩৬) কিন্তু এ ব্যাপারে কোন হাদীছ শরীফ নেই।

৩৪ নম্বর মতামত : কুরআন শরীফ এ ইরশাদ হয়েছে, অমাবস্যা হচ্ছে সময়ের শুরু। এভাবে ১২টি অমাবস্যা ধরে আমরা ১২টি মাস গণনা করতে পারি। কিন্তু কোন হাদীছ শরীফ নেই যে কিভাবে মাস গণনা করতে হবে।

৩৩ ও ৩৪ নম্বর মতামতের জবাব : তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের প্রশ্ন নয় বরং প্রলাপের উত্তর দেয়াটাও কখনো কখনো অবান্তর মনে হয়। বলা হয়- প্রশ্ন হচ্ছে অর্ধেক জ্ঞান, অথচ এদের প্রশ্নের মাঝে কোন বুদ্ধিবৃত্তিক, জ্ঞানমূলক কিছু নেই। ইহুদীদের দালালী করতে গিয়ে অকারণেই কল্পনাপ্রসূত বাক্য ব্যবহার করছে। যেখানে কুরআন শরীফ এ স্পষ্ট নির্দেশনা থাকে সেখানে অন্য কোন দলীলের প্রয়োজন পড়েনা। তথাপি বলতে হয় আরবী ১২টি মাস সম্পর্কে স্পষ্ট আয়াত শরীফ রয়েছে এবং হাদীছ শরীফও রয়েছে এবং একটি নয় অসংখ্য রয়েছে।

কুরআন শরীফ-এর কোথাও স্পষ্ট বা অস্পষ্ট কোনভাবেই নেই যে অমাবস্যা হচ্ছে সময়ের শুরু। তারা যদি New Moon এর অর্থ অমাবস্যা না ধরে যদি নতুন চাঁদ বোঝায় তবে তো উত্তর তারাও জানে যে বাঁকা চাঁদ দেখে মাস শুরু করতে হবে। তাহলে এত কথার প্রয়োজন কেন?

পাশাপাশি আরও বলা প্রয়োজন, হাদীছ শরীফ-এ স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, কিভাবে মাস গণনা করতে হবে। আমরা ইতিপূর্বে বহুবার এ বিষয়টি আলোচনা করেছি। শুধু একটি হাদীছ শরীফ নয় বরং অসংখ্য হাদীছ শরীফ রয়েছে। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, æতোমরা মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ তালাশ কর, যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে মাস ৩০ দিনে পূর্ণ কর।” এছাড়াও রয়েছে তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ, চাঁদ দেখে ঈদ কর। এই হাদীছ শরীফগুলোতে শুধু পবিত্র রমাদ্বান মাস এবং শাওয়াল মাস শুরুর নির্দেশনাই নেই বরং চাঁদ দেখে মাস শুরুর নির্দেশ স্পষ্টভাবে দেয়া হয়েছে।

প্রকৃতসত্য হচ্ছে এ সকল তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ারদের উচিত এসব মনগড়া লেখনীর জন্য প্রকাশ্যে লেখনির মাধ্যমে তওবা করা এবং একজন খালিছ ওলীআল্লাহ বা মুর্শিদের নিকট বায়াত হয়ে চাঁদ সম্পর্কে সঠিক ইলম হাছিল করা। এক্ষেত্রে তাদের উচিত যিনি যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম, মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ম্দ্দুা জিল্লুহুল আলী উনার মুবারক ছোহবতে আসা।

 

বিশ্বের জন্য ১৪৩২ হিজরীর পবিত্র শাহরে রমাদ্বান শরীফ-এর চাঁদের রিপোর্ট

 

জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ৩১ জুলাই, ২০১১, রবিবার, সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে (আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী)।

অমাবস্যার দিন অর্থাৎ ৩১ জুলাই, ২০১১, রবিবার সউদী আরবে পবিত্র রমাদ্বান মাসের চাঁদ দেখা যাবার কোন সম্ভাবনা নেই।

 

বাংলাদেশের জন্য ১৪৩২ হিজরীর পবিত্র

শাহরে রমাদ্বান শরীফ-এর চাঁদের রিপোর্ট

 

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ৩১ জুলাই, ২০১১, রবিবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে।

বাংলাদেশে পবিত্র রমাদ্বান মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে ১লা আগস্ট ২০১১, সোমবার শরীফ সন্ধ্যায়।

সেদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪২ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৭টা ৪২ মিনিট। অর্থাৎ সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার প্রায় ১৩ ডিগ্রি উপরে অবস্থান করবে এবং চাঁদ খুঁজতে হবে ২৭০ ডিগ্রি আজিমাতে (সরাসরি পশ্চিমে)। আকাশ পরিষ্কার থাকলে সেদিন চাঁদ সহজেই দৃশ্যমান হবে ইনশাআল্লাহ।

-আল্লামা আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক