খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

সংখ্যা: ২০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

খতমে নুবুওওয়াত প্রচার কেন্দ্র

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

“ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় যেমন-  কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।”

 

কাদিয়ানী রদ!

(ষষ্ঠ ভাগ)

(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত æকাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খণ্ডে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।

(ধারাবাহিক)

মির্জা ছাহেবের অর্থ পরিবর্তন (তাহরিক) করার আলোচনা

হযরত এমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি এহইয়াউল উলূম কিতাবের ১/২৭/২৮ পৃষ্ঠায় লিখিয়াছেন-

صرف الفاظ الشرع عن ظواهرها المفهومة الى امور باطنة لاسبق منها الى الافهام فائدة كداب الباطنية فى التاويلات فهذا ايضا حرام وضرره عظيم فان الالفاظ اذا صرفت عن مقتضى ظواهرها بغير اعتصام فيه نبقل عن صاحب الشرع ومن غير ضرورة تدعو اليه من دليل العقل افتضى ذلك بطلان الثقة بالالفاظ وسقط به منفعة كلام الله تعالى وكلام رسوله صلى الله عليه وسلم وبهذا الطريق توصل الباطنية الى هدم جميع الشريعة.

æশরিয়তের শব্দগুলির যাহা প্রকাশ্য মর্ম্ম বুঝা যায়, তৎসমুদয় ত্যাগ করতঃ এরূপ অস্পষ্ট মর্ম্ম গ্রহণ করা যাহা বুঝাইলে, কোন ফলপ্রসূ হয় না, যেরূপ বাতেনিয়া সম্প্রদায় অর্থ গ্রহণের পন্থা অবলম্বন করিয়া থাকে। ইহাও হারাম এবং ইহার ক্ষতি অতি বেশি, কেননা যদি শরিয়ত প্রবর্ত্তকের কোরআন ও হাদিছের ছনদ ব্যতীত ও বিবেক বুদ্ধি প্রণোদিত প্রয়োজন ব্যতীত শব্দগুলি স্পষ্ট ম্মর্ম ত্যাগ করা হয়, তবে শব্দগুলির উপর আস্থা স্থাপন করা বাতিল হওয়া প্রতিপন্ন হইবে এবং ইহাতে আল্লাহ পাক ও রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সতর্কতা নষ্ট হইবে। এই উপায়ে বাতেনিয়া সম্প্রদায় সমস্ত শরিয়তকে ধ্বংস করার পন্থা স্থির করিয়াছে।

শরহে-মাওয়াকেফ, ৭৫৩ পৃষ্ঠা;-

المنصورية  زعموا (الى) والجنة رجل امرنا بموالائه والنذر بالضد اى رجل ببغضه وهو ضده اى ضد الامام رخصه كابى بكر وعمر وكذا الفرائض والمحرمات فان الفرائض اسماء رجال امرنا بموالائهم والمحرمات اسماء رجال امرنا بمعارتهم. ومقصوودهم بذلك ان من ظفر برجل منهم ارتفع عنه التكليف.

(শিয়া) মনছূরিয়া সম্প্রদায় ধারণা করিয়াছে যে, বেহেশত একটী লোকের নাম আমরা তাহার সহিত প্রীতি স্থাপন করিতে আদিষ্ট হইয়াছি। আর দোযখ এক ব্যক্তির নাম- আমরা তাহার সহিত শত্রুতা করিতে আদিষ্ট হইয়াছি। সে ব্যক্তি এমাম বরহকের বিরুদ্ধাচরণকারী ও প্রতিদ্বন্দ্বী, যেরূপ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। এইরূপ ফরযগুলি কতকগুলি লোকের নাম, আমরা তাহাদের সহিত ভালবাসা করিতে আদিষ্ট হইয়াছি। আর হারামগুলি কয়েকটা লোকের নাম আমরা তাহাদের সহিত শত্রুতা করিতে আদিষ্ট হইয়াছি। ইহাতে তাহাদের উদ্দেশ্য এই যে, কেহ তাহাদের সহিত সাক্ষাৎ লাভ করে, তাহা হইতে শরিয়তের হুকুম রহিত ইহয়া যাবে।

(অসমাপ্ত)

 

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির

খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির