ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-২৯

সংখ্যা: ২০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

শয়তান যে মানুষকে নেক ছূরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালোভাবে অনুধাবন করেছিলো শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিস্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে- ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিস্টীয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ সৃষ্টির মূলে থাকে একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর- হ্যামপার। সে মিসর, ইরাক, ইরান, হেজাজ ও তুরস্কে তার গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য। ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদের উপর তুর্কি ভাষায় রচিত হযরত মুহম্মদ আইয়ূব সাবরী পাশা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর “মিরাত আল হারামাইন” কিতাবের ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাংলায় ধারাবাহিকভাবে ভাষান্তর করা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

(ধারাবাহিক)

আব্দুল্লাহ বিন সাউদের পর তারক্বি বিন আব্দুল্লাহ বংশপরস্পরায় ১২৪০ হিজরী সনে (১৮২৪) ওয়াহাবীদের নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়। তারক্বির পিতা আব্দুল্লাহ ছিল সাউদ বিন আব্দুল আযীযের পিতৃব্য।
১২৪৯ হিজরী সনে মাশহারী বিন সাউদ তারক্বিকে হত্যা করে এবং অঞ্চলটিকে জবরদখল করে। এবং তারক্বিপুত্র ফয়সাল মাশহারীকে হত্যা করে ১২৫৪ হিজরী সনে ওয়াহাবীদের নেতৃত্ব দখল করার জন্য। যদিও সে মুহম্মদ আলী পাশা কর্তৃক প্রেরিত সৈনিকদের প্রতিহত করার প্রচেষ্টা চালায়, তথাপি বন্দিত্বের শেকল আদৌ সে এড়াতে পারেনি। মিরলিওয়া (ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) খুরশিদ পাশা তাকে গ্রেফতার করে মিসরে প্রেরণ করেন। সেখানে তার বন্দী জীবনের সূচনা ঘটে। অতঃপর সউদপুত্র খালিদ বে কে পাঠানো হয় দ্বারিয়ার আমীর হিসেবে রিয়াদের পথে, যদিও বা সে তখন মিসরে বসবাস করছিল। খালিদ বে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছিল উসমানীয় খিলাফতের রীতি-নীতিতে, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের বিশুদ্ধ আক্বীদাতে সে বিশ্বাসী ছিল। সে ছিল অত্যন্ত মার্জিত ব্যক্তিত্ব। সে সেখানকার আমীর হিসেবে দেড় বছর দায়িত্ব পালন করেছিল। আব্দুল্লাহ বিন সাজয়ান নামে এক দুর্বৃত্ত উসমানীয় খিলাফতের প্রতি মিছে আনুগত্য দেখিয়ে অনেকগুলি গ্রাম দখল করে। এক সময় সে দ্বারিয়াতে আক্রমণ করে এবং নিজেকে নজদের আমীর হিসেবে ঘোষণা দেয়। খালিদ মক্কা শরীফ-এ আশ্রয় গ্রহণ করেন। ফয়সাল মিসরে কারাবন্দী অবস্থায় ছিল সে অবস্থাতে জাবা আস্ সামারের আমীর বিন রশিদের সহযোগিতায় পলায়ন করে এবং বিন সাযায়ানকে হত্যা করে। উসমানীয় খিলাফতের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে সে দ্বারিয়াতে আমীর নিযুক্ত হয় ১২৫৯ হিজরী সনে ।

ফয়সালের মোট চার পুত্র সন্তান ছিল যাদের নাম পর্যায়ক্রমে আব্দুল্লাহ, সাউদ, আব্দুর রহমান এবং মুহম্মদ সাইদ। সর্বজ্যৈষ্ঠ জন আব্দুল্লাহকে নজদের আমীর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ইতিমধ্যে সাউদ তার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে এবং তার তল্পীবাহক হিসেবে বেড়ে উঠতে থাকে। বাহরাইন দ্বীপে ১২৮৮ হিজরীতে (১৮৭১ ঈসায়ী) তার সাথে সাক্ষাৎকারী একদল বিদ্রোহী। আব্দুল্লাহ তার তার ভাই সাইদকে প্রেরণ করে বিদ্রোহী সাউদকে দমন করার জন্য, কিন্ত তারা পরাজিত হয়। সাউদের অন্তরে নজদের সমস্ত শহরগুলি দখল করার জন্য বিকৃত লোলুপ বাসনা লক লক করতে থাকে। কিন্ত যেহেতু আব্দুল্লাহ ছিলেন উসমানীয়ান খিলাফতের পক্ষ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত আমীর, তাই তার সাহায্যার্থে ফারীক্ব (মেজর জেনারেল) নাফিদ্ব পাশা ৬ষ্ঠ বাহিনী নিয়ে সাউদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেন। সাউদ এবং সকল বিদ্রোহীরা চিরতরে নির্র্মূলকৃত হলো এবং নজদ পুনরায় প্রশান্তি এবং সংহতি লাভ করলো। সকল মুসলমান প্রাণভরে হযরত খলীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার  জন্য দোয়া করলেন।

-আল্লামা আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল হাসান

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক