রমযানের কাযা রোযা ও শাওওয়াল মাসের নফল রোযা

সংখ্যা: ২০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুসাম্মত মমতাজ বেগম, চান্দিনা কুমিল্লা।

সুওয়াল: কেউ কেউ বলে, রমযানের কাযা রোযা এবং শাওওয়াল মাসের নফল রোযা শাওওয়াল মাসে একই দিনে একত্রে উভয় রোযার নিয়তে রাখলে, একই সঙ্গে উভয় রোযা আদায় হয়ে যাবে এবং একই সাথে উভয় রোযার ছওয়াব পাবে। তাদের এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: যারা বলে, ছুটে যাওয়া রমযানের কাযা রোযা এবং শাওওয়ালের নফল রোযা একই সঙ্গে আদায় করলে আদায় হবে এবং ছওয়াবও পাবে তাদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া, ভুল ও দলীলবিহীন। সঠিক ফতওয়া হলো, রমযানের কাযা রোযা এবং শাওওয়ালের নফল রোযা একই দিনে একত্রে নিয়ত করে রাখলে কস্মিনকালেও উভয় রোযা আদায় হবে না এবং একইসঙ্গে উভয় রোযার ছওয়াবও পাবেনা। বরং শুধুমাত্র রমযানের কাযা রোযা আদায় হবে। শাওওয়ালের নফল রোযা আদায় হবে না। কেননা রমযান মাসের ছুটে যাওয়া ফরয রোযার কাযা আদায় করা ফরয। আর শাওওয়াল মাসের রোযা হলো নফল। এটাই মূল ফতওয়া। এর বিপরীত মত পোষণ করা গোমরাহী।

 

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।