দুষ্টের দমনে যে পুলিশ সেই পুলিশেরই কতক পুলিশ এখন বড় দুষ্ট ও দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ হাজার হাজার রাষ্ট্রযন্ত্র তার ব্যর্থতা ঘুচাবে কী করে?

সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম মুবারক।
পুলিশের সেবার মান যতদিন যাচ্ছে ততই কমছে। থানার কথা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যায়। থানায় সেবার মান অব্যাহতভাবে কমছে। থানায় গিয়ে মানুষ ভালো ব্যবহার পাচ্ছে না, প্রতিকার পাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে থানায় মামলা বা জিডি নিতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের উদাহরণ ভূরি ভূরি আছে। ঢাকা মহানগরে চেকপোস্টের (তল্লাশি চৌকি) নামে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে।
বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে পুলিশ সদস্যরা জড়িয়ে পড়ছে। সাধারণ মানুষকে আটকে অর্থ আদায়, রিমান্ডের নামে নির্যাতন, থানায় আটকে পিটিয়ে হত্যা, গুলি করে পঙ্গু করে দেয়া, শ্লীলতাহানিসহ নানা অভিযোগ উঠে আসছে কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব পুলিশ সদস্যের কারণে পুরো পুলিশ বিভাগই বিব্রত। তাদের কারো রয়েছে ক্ষমতার দাপট, কারো আঞ্চলিক ইজম, আবার কেউ কেউ তোষামোদি বা অর্থের জোরে আদায় করে নিচ্ছেন নানা সুযোগ-সুবিধা।
রাজ নৈতিক মামলার অজ্ঞাত আসামি নিয়ে চলছে পুলিশের বাণিজ্য। হয়রানি নির্যাতনের পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে পুলিশ হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। হরতালে বিভিন্ন সময় গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা অবরোধসহ বিভিন্ন রাজ নৈতিক কর্মসূচি পালনকালে দায়েরকৃত মামলায় এ পর্যন্ত কয়েক লাখ অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে সাড়ে ৪ শতাধিক মামলায়। শুধু বিএনপি কিংবা ১৮ দলীয় নেতাকর্মীই নয় সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মামলার অজ্ঞাত আসামি থাকার সুযোগ নিয়ে পুলিশ ও সরকার দলীয় একশ্রেণীর অসৎ নেতাকর্মীর যোগসাজসে এ ধরনের ন্যক্কারজনক হয়রানিমূলক কর্মকান্ড চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে কিছু অসৎ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী বাসা-বাড়ি ও পাড়া-মহল্লায় ঘরে ঘরে পুলিশ নিয়ে হয়রানি করছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এবং আর্থিক সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে বিনা কারণে মামলায় নাম তালিকা করে অর্থ আদায়ের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।
থানায় ধরে নিয়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। গত ১০ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুর থানার কাজিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মিল্টন ও শিপন নামে দুই যুবদল নেতাকে। রাত ৯টার দিকে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নেয়া হয়। আধা ঘণ্টা পরে তাদের পঙ্গ হাসপাতালে নেয়া হয় হাত-পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায়। পঙ্গু হাসপাতালে তারা অভিযোগ করে তাদের ধরে নিয়ে থানার ভেতরেই গুলি করা হয়। এর আগে মিরপুর থানা এলাকায় মাহবুব কবির নামে এক পথচারীকে গুলি করে তাকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দেয় পুলিশ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় ১১ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ। এর মধ্যে ছয়জনকেই পুলিশ থানায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে পায়ে গুলি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এভাবেই পুলিশের হাতে নিগৃহীত হয়ে আসছে অনেক মানুষ। কিছু ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে, কিন্তু বেশির ভাগ ঘটনাই থেকে যাচ্ছে অজানা। যারা একটু সাহস করে বিষয়গুলো প্রকাশ করছেন ও মিডিয়া অথবা সরকারের কর্তাব্যক্তিদের কাছে আশ্রয় চাচ্ছে কেবল সেই ঘটনাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে উঠে আসছে। এর আগে ফটোসাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাককে মিরপুর থানায় ধরে নিয়ে পুলিশ তার বিরুদ্ধে মামলা করে। তাকে রিমান্ডে এনেও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ আছে। তার কাছ থেকেও বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে ডিসি ডিবি মোল্লা নজরুলের বিরুদ্ধে। এ বিষয়টি শুধু পুলিশ বিভাগই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য কবিরুল হক অভিযোগ করেছে তার এলাকার এক ব্যবসায়ী আবিদুল ইসলামকে আটক করে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মোল্লা নজরুল ইসলাম। হাসনাত নামে এক এসআইর মাধ্যমে সে ওই অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পুলিশের অভিযোগের তদন্ত পুলিশই করে। এ কারণেই পুলিশের দুর্নীতি কমছে না। এছাড়া শুধু বরখাস্ত করেই শাস্তির বিধান একটা রীতি হয়ে গেছে পুলিশ বিভাগে। ১৯৯৬ সালে সীমা ও ১৯৯৫ সালে ইয়াসমীনকে গণসম্ভ্রমহরণে পুলিশ জড়িত ছিল। ক্ষমতার দাপটে সীমা সম্ভ্রমহরণ মামলার অন্যতম আসামি ওসি সিরাজ বারবার চাকরিচ্যুত হয়েও আবার চাকরি ফিরে পায়। এ কারণে সরকারদলীয় নেতাদের সাপোর্ট বন্ধ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হলে পুলিশে দুর্নীতি কমবে না।
এসব অবস্থা প্রতিভাত করে দেশে প্রচলিত আইনের কোন শাসন নেই অথবা প্রচলিত আইনী প্রক্রিয়া ব্যর্থ। মূলত দুটোই সত্য। সরকার নিজেও তা স্বীকার করে থাকে। এক্ষেত্রে রোজা একটি বড় উদাহরণ। রোজাদার যখন রোজা রাখে তখন ভর দুপুরে প্রচ- গরমের মধ্যে পুকুরে ডুব দিলেও সে পানির নিচেও পানি পান করেনা। কারণ তার মধ্যে রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার ভয়। পক্ষান্তরে প্রচলিত আইনের উৎস হলো মানুষ এবং প্রচলিত আইনকে ভয় করতে হলে মূলত মানুষকেই ভয় করা হয়। অথচ মানুষ স্বভাবগতভাবে অন্য মানুষকে বেশি ভয় পায়না। সেক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনার ভয়ই প্রকৃতপক্ষে মানুষকে অপরাধ থেকে বিরত রাখতে পারে।
মূলত কথিত পুলিশী শাসনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং ব্যর্থ হওয়াই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে সাতানব্বই ভাগ মুসলমানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্র খুব সহজেই সুফল পেতে পারে যদি মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় সাতানব্বই ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের মাঝে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। তাহলেই আজকের চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, পুলিশের দুর্নীতি, মাদক, রাহাজানি ইত্যাদির ভারে ব্যর্থ রাষ্ট্রযন্ত্র সোজা হতে পারবে, কাঙ্খিত সফলতা পাবে।
মূলতঃ সব সমস্যা সমাধানে চাই সদিচ্ছা ও সক্রিয়তা তথা সততা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত মুবারক, নেক সংস্পর্শ তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই কেবলমাত্র তা পাওয়া সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
-মুহম্মদ জিসান আরিফ

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক