আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে খালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী যালিম গং নিঃসন্দেহে গুমরাহ, বাতিল, লা’নতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়া উনার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-১৯

সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঐতিহ্যবাহী বংশের উজ্জ্বল কৃতী সন্তান শায়খুল ইসলাম হযরত আব্দুল হাই দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত শাহ ইসমাঈল দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ঐতিহাসিক বাইয়াত গ্রহণের ঘটনাটি সুবিখ্যাত ওলীয়ে কামিল আল্লামা শাহ সূফী কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তদীয় “নূরুন আলা নূর” কিতাবে স্বয়ং শায়খুল ইসলাম হযরত আব্দুল হাই দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বরাতে সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন।
সেখানে তিনি বর্ণনা করেন : আমি, হযরত মিয়া সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি (অর্থাৎ হযরত শহীদে আযম আলাইহিস সালাম) এবং মিয়া মুহম্মদ ইসমাঈল মাদরাসার একই কক্ষে থাকতাম। এক রাত্রে পবিত্র ইশা উনার জামায়াত-এর পর আমরা তিনজনই পালঙ্কের উপর শুয়ে পড়েছি তখন মিয়া সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডেকে বললেন, ‘মাওলানা সাহেব! আমাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি আপন অনুগ্রহে পবিত্র ইলহাম মুবারক দ্বারা জানিয়েছেন যে, অমুক তারিখে আপনি অমুক সফরে যাবেন, অমুক অমুক স্থানে এরূপ অবস্থা হবে, আপনার এ পরিমাণ মুরীদ-মুতাকিদ হবে ইত্যাদি।’ তিনি আমাকে এরূপ অনেক কথা শুনান। এভাবে কয়েকদিন পর্যন্ত তিনি আমার কাছে পবিত্র মক্কা শরীফ ভ্রমণ, পবিত্র জিহাদে ভ্রমণ ও পবিত্র জিহাদ উনার বিভিন্ন ঘটনাবলী সবিস্তারে বর্ণনা করেন।
এরপর একদা আমি এবং মিয়া মুহম্মদ ইসমাঈল ছাহেব এ মর্মে পরামর্শ করলাম, এসব কথা যদি তিনি সত্যি করেই বলে থাকেন, তাহলে তো তিনি নিঃসন্দেহে একজন মহান ব্যক্তি ও কুতুব হবেন। অতএব উনার কাছ থেকে ফয়েজ নেয়া দরকার। তবে আগে উনাকে আরো একটি বিষয়ে যাচাই করে দেখি। তখন মিয়া মুহম্মদ ইসমাইল ছাহেব বললেন, আপনি আমাদের চেয়ে সিনিয়র সম্মানিত সুতরাং কি বিষয়ে যাচাই-বাছাই করবেন তা আপনিই নির্ধারণ করুন। পরবর্তী রাত্রিতে তিনি যখন আমাকে আবার ডাকলেন, তখন আমি বললাম, হযরত! আপনার পবিত্র বুযূর্গী উনার বিষয়ে আপনার তো কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এসব শুনে আমাদের আর কি লাভ হতে পারে? বরং দয়া করে যদি আপনি আমাদেরকে কিছু দান করতেন। তিনি বললেন, আপনার কি চান? তখন আমি বললাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ পবিত্র নামায আদায় করতেন আমরা সেরূপ দু’রাকায়াত পবিত্র নামায আদায় করতে চাই।
একথা বলতেই হযরত মিয়া ছাহেব রহমতুল্লাহি তিনি চুপ হয়ে গেলেন। এতে আমরা চিন্তা করলাম হয়তো বা তিনি যা বলেছেন সবই জাহিরী কথা। সেগুলোর সাথে পবিত্র রূহানীয়াত উনার বুঝি কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা সর্বদা একত্রে থাকি তাই বন্ধুত্বের কারণে উনাকে আর কিছু বলা শোভনীয় মনে করলাম না। কিন্তু অর্ধেক রাত্রির কিছু পূর্বে কিংবা পরে হযরত মিয়া ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে মাওলানা বলে ডাক দিলেন। এবার উনার ডাকে আমার গোটা শরীর শিউরে উঠলো এবং উনার প্রতি কিছুটা প্রত্যয় আশা জন্ম নিল।
আমি বললাম : হযরত! অনুগ্রহ করে বলুন। তিনি বললেন, যান! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াস্তে পবিত্র ওযুু করুন। আমার শরীর পুনরায় শিউরে উঠলো। আমি বললাম, খুব ভালো। অতঃপর কিছুটা এগোতেই তিনি পুনরায় আমাকে ডেকে বললেন, মাওলানা শোনো! আমি উনার নিকটবর্তী হলাম। তিনি বললেন, আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারছেন আমি আপনাকে কি বলেছি? আমি আপনাকে বলেছি যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াস্তে পবিত্র ওযু করুন। আমি বললাম, খুবই ভালো কথা। এ কথা বলে আমি দু’তিন পা অগ্রসর হতেই তিনি আমাকে পুনরায় ডাক দিলেন এবং পূর্বের কথার পুনরাবৃত্তি করলেন।
এভাবে তিনবার করার পর আমি যেয়ে পবিত্র ওযু করে আসলাম। কিন্তু এমন তাক্বওয়া, আদব, ইখলাছের সাথে পবিত্র ওযু করলাম। যেমনটি এর পূর্বে আর কখনও করিনি। পবিত্র ওযু করে আমি হযরত মিয়া ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি বললেন : যান, এখন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক উদ্দেশ্যে দু’রাকায়াত পবিত্র নামায আদায় করুন। আমার শরীরে ফের শিহরণ জেগে উঠলো। আমি পবিত্র নামায আদায় করার জন্য রওয়ানা হলাম। দু’তিন পা অগ্রসর হতেই তিনি আমাকে ডাক দিলেন।
আমি উনার কাছে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, আপনি ভালোরূপেই বুঝতে পারছেন কিনা জানি না। আমি আপনাকে বলেছি যে, এসময় খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক উদ্দেশ্যে দু’রাকায়াত পবিত্র নামায আদায় করুন। আমি বললাম, খুবই উত্তম কথা। একথা বলেই আমি পবিত্র নামায উনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। তারপর তৃতীয়বার তিনি আমাকে ডেকে ওই একই কথা বললেন। তখন আমি এক কোণে গিয়ে পবিত্র নামায পড়তে আরম্ভ করে দিলাম। সুবহানাল্লাহ!
-মুহম্মদ সালামাতুল্লাহ ইসলামাবাদী।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক