যাকাত সম্পর্কিত সুওয়াল ও জাওয়াব

সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ মোতাহার হুসাইন
রাজশাহী

সুওয়াল : জিপিএফ-এর টাকা মালিকানা কার? জিপিএফ-এর টাকা যেহেতু যখন প্রয়োজন তখনই উঠানো যায় না, তাহলে কি করে এর উপর পবিত্র যাকাত হবে?
জাওয়াব : যারা সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বা চাকুরীজীবি তারাই এ টাকার মালিক। কেননা, এ টাকা তাদেরই বেতন-ভাতা থেকে কর্তিত জমা টাকা। তাদেরকে এককালীন সুবিধা দেয়ার জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ টাকা যখন প্রয়োজন তখনই তোলা না গেলেও এ টাকার মালিকানা কিন্তু বাদ যায় না। এ টাকার মালিক সে নিজেই থাকে। এটা অনেকটা (সুদমুক্ত) সেভিংস একাউন্টের মতো। সেভিংস একাউন্ট থেকে কারেন্ট বা চলতি একাউন্টের মতো যখন ইচ্ছা তখন টাকা উত্তোলন করা যায় না। নির্দিষ্ট সময়ে টাকা উত্তোলন করতে হয়। এর আরো একটা উদাহরণ হলো, পাওনা টাকার মতো। পাওনাদারের কাছে টাকা পাওনা থাকা সত্ত্বেও, যখন তখন টাকা পাওয়া যায় না। তাই বলে কি পাওনা টাকার যাকাত দিতে হবে না? অবশ্যই পবিত্র যাকাত দিতে হবে। যদি নিছাব পূর্ণ হয় এবং বছর পুরা হয়।
কাজেই, মালিকানা যেহেতু বাদ যায় না; বরং টাকা যেহেতু তারই থাকে সুতরাং এ টাকা নিছাব পরিমাণ হলে এবং এক বৎসর অতিবাহিত হলে তাকে অবশ্যই এর যাকাত দিতে হবে।

মুহম্মদ মুনিরুল ইসলাম
নাটোর

সুওয়াল : জিপিএফ-এর টাকা অগ্রিম নিলে তা আবার কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো- আমার মালিকানা যদি পূর্ণই থাকে তাহলে তা আবার কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে কেন? তাহলে কি বোঝা যাচ্ছে না, নির্দিষ্ট মাসের পূর্বে এই সম্পূর্ণ টাকা আমার মালিকানা বা অধীনে থাকে না, ফলে এর উপর কি যাকাত হবে?
জাওয়াব : সাধারণত সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বা চাকুরীজীবিকে তাদের চাকুরী শেষে এককালীন সুবিধা দেয়ার জন্য জিপিএফ অর্থাৎ প্রভিডেন্ট ফান্ড-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন কেউ যদি কোনো প্রয়োজনে সেখান থেকে আগে টাকা নেয়, সেজন্য তাকে তা আবার কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। এ নিয়ম এজন্য করা হয়েছে যেন তাকে চাকুরী শেষে যে পরিমাণ সুবিধা দেয়ার কথা সেটা পুরা করা যায়।
আসলে শরয়ী অর্থনীতি ব্যবস্থা চালু না থাকার কারণে একেক সরকার একেক নিয়ম চালু করে থাকে।
কিন্তু কথা হলো, যদিও চাকুরীর মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে টাকা নেয়ায় শর্ত হিসেবে তাকে পূর্বের উত্তোলনকৃত টাকা কিস্তিতে জমা দিতে হচ্ছে, এতে কিন্তু তার জমাকৃত টাকার মালিকানা রহিত হচ্ছে না; বরং জমাকৃত টাকার মালিকানা তারই থাকছে, যা চাকুরী শেষে সে প্রাপ্ত হবে।
কাজেই, প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রতিমাসে জমাকৃত কিংবা উত্তোলনকৃত টাকা কিস্তিতে জমাকৃত টাকার পরিমাণ নিছাব পরিমাণ হলে তার পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

মুহম্মদ ফখরুল ইসলাম
উলিপুর, কুড়িগ্রাম

সুওয়াল : এফডিআর, এপিএস, ডিপিএস অর্থাৎ ফিক্সড ডিপোজিট বা যে কোনো ধরনের সঞ্চয় মেয়াদ ভিত্তিক হলে সেটা নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বে উত্তোলন করা যায় না। তাহলে কি নির্দিষ্ট মেয়াদে জমাকৃত টাকার পবিত্র যাকাত হবে না?
জাওয়াব : ফিক্সড ডিপোজিড সেটা নিছাব পরিমাণ হওয়ার পর এক বৎসর অতিবাহিত হলেই সেটার উপর যাকাত ফরয হবে এবং তা আদায় করতে হবে। সেটা উত্তোলন করা যাক বা না যাক। পবিত্র যাকাত ফরয হওয়ার জন্য মালিকানা শর্ত।

মুহম্মদ মাজিদুল ইসলাম
রংপুর

সুওয়াল : যদি কারও নিজে থাকা বাড়ির পর আরও অ্যাপার্টমেন্ট থাকে তবে কিভাবে পবিত্র যাকাত দিবে?
জাওয়াব : নিজের থাকার জন্য হোক অথবা ভাড়া দেয়ার জন্য হোক- এ প্রকার কোনো স্থাবর সম্পত্তির যাকাত দেয়ার নিয়ম শরীয়তে নেই। তবে কেউ যদি অতিরিক্ত বাড়ী, ঘর অথবা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া দেয়, তাহলে রক্ষণাবেক্ষণের খরচের পর অতিরিক্ত যে ভাড়ার টাকা জমা থাকবে তা যদি নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর অতিবাহিত হয়; তখন উক্ত টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। অন্যথায় পবিত্র যাকাত ফরয হবে না বা দিতে হবে না। তবে যদি ব্যবসার জন্য হয় তাহলে তার মূল্য হিসেব করে সে টাকার পবিত্র যাকাত দিতে হবে। যদি তা নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর পূর্ণ হয়।

মুহম্মদ রাহিবুল ইসলাম
রংপুর

সুওয়াল : ব্যবসার উদ্দেশ্যে জমি কিনলে কিভাবে পবিত্র যাকাত দিবে?
জাওয়াব : ব্যবসার উদ্দেশ্যে যে জমি কেনা হয়েছে সেই জমির কেনা মূল্যের উপর পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

মুহম্মদ মোশাররফ হুসাইন
নিলফামারী

সুওয়াল : যে মূল্যে শেয়ার কেনা ছিলো পবিত্র যাকাত দেয়ার সময় মূল্য বৃদ্ধি পেলে বা কমলে কোনো টাকার উপর পবিত্র যাকাত হবে?
জাওয়াব : যে মূল্যে শেয়ার কেনা হয়েছে, পবিত্র যাকাত দেয়ার সময় মূল্য বৃদ্ধি পেলেও কেনা মূল্যেই যাকাত আদায় করতে হবে। আর যদি শেয়ার বিক্রি করে, তাহলে বিক্রিত মোট মূল্যের উপর যাকাত আদায় করতে হবে। আর যদি শেয়ারের মূল্য কমে যায় তাহলে পবিত্র যাকাত প্রদানের সময়কার মূল্যে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

মুহম্মদ আব্দুল্লাহ মুঈনুদ্দীন
দিনাজপুর

সুওয়াল : বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে কিভাবে পবিত্র যাকাত দিতে হবে?
জাওয়াব : যাকাত দাতার নিকট যে ক্যরেটর স্বর্ণ রয়েছে, সে ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্যে যাকাত আদায় করতে হবে। একাধিক ক্যারেটর স্বর্ণ থাকলে সে অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম
পঞ্চগড়

সুওয়াল : যেদিন পবিত্র যাকাত দিবে অর্থাৎ যেদিন নিছাবের এক বছর পূর্ণ হবে তার একদিন পূর্বে আরও টাকা হাতে আসলে (যদিও নতুন আসা টাকা এক বছর ছিলো না) কিভাবে পবিত্র যাকাত দিতে হবে?
জাওয়াব : নিছাবের মালিক হয়ে এক বছর পূর্ণ হলেই পবিত্র যাকাত দিতে হয়। যখন বা যেদিন পবিত্র যাকাত-এর নিছাবের এক বছর পূর্ণ হবে সেদিন তার নিকট (নিত্যপ্রয়োজনীয় টাকা ব্যতীত) যত টাকা থাকবে অর্থাৎ নিছাবের সাথে যত টাকাই সংযুক্ত হোক না কেন, সমস্ত টাকারই পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে যদিও কতক টাকা যাকাতদাতার হস্তগত হওয়ার পর এক বছর অতিবাহিত হয়নি তা সত্ত্বেও।

মুহম্মদ ফুয়াদ
দিরাই, সুনামগঞ্জ

সুওয়াল : একজনকে টাকা দেয়া হয়েছিলো জমি নেয়ার জন্য, এখন সে ব্যক্তি টাকাও ফেরত দেয় না, জমিও দেয় না, তাহলে কিভাবে পবিত্র যাকাত হবে?
জাওয়াব : বাসস্থানের জন্য অথবা চাষাবাদ করার জন্য যদি জমি কেনার জন্য টাকা দিয়ে থাকে তাহলে সে টাকার পবিত্র যাকাত দিতে হবে না।
উল্লেখ্য, টাকা গ্রহীতা যদি জমি না দিয়ে টাকা ফেরত দেয়; আর সে টাকা যদি নিছার পরিমাণ হয় এবং বছর পূর্ণ হয় তাহলে সে টাকারও পবিত্র যাকাত দিতে হবে। আর যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে জমি কেনার জন্য টাকা দিয়ে থাকে তাহলে সে টাকার অবশ্যই পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে। জমিদাতা যদি জমি না দিয়ে টাকা আটকে রাখে তবে টাকা দাতা ইচ্ছা করলে তখনও পবিত্র যাকাত আদায় করতে পারে অথবা যখন জমি অথবা টাকা পাওয়া যাবে তখন যত বছর এ অবস্থায় অতিবাহিত হয়েছে ততো বছরেরই যাকাত অবশ্যই আদায় করতে পারবে।

মুহম্মদ মাহতাবুদ্দীন
বগুড়া

সুওয়াল : ঔষধ কোম্পানীগুলোর ব্যাঙ্কে টাকা থাকে। আবার মার্কেটে বহু টাকার প্রডাক্ট থাকে। তবে কিভাবে কোম্পানীগুলো পবিত্র যাকাত দিবে? আবার তাদের অনেক টাকা বকেয়া হিসেবে মার্কেটে আছে সেই টাকার উপর কি পবিত্র যাকাত হবে?
জাওয়াব : যে টাকা ব্যাঙ্কে আছে তার পবিত্র যাকাত যেমন আদায় করতে হবে এবং তেমন মার্কেটে যত টাকার প্রডাক্ট আছে তারও পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে। আর যে টাকা বকেয়া হিসেবে দেয়া আছে তা যদি দেনাদাররা স্বীকার করে যে, আদায় করে দিবে তবে তা হস্তগত হওয়ার পূর্বেও আদায় করতে পারবে। অন্যথায় হস্তগত হওয়ার পরও আদায় করতে পারবে। আর দেনাদার যদি দেনা অস্বীকার করে অথবা টাকা দিতে অস্বীকার করে তবে সে টাকার পবিত্র যাকাত দিতে হবে না।

মুহম্মদ রুকনুদ্দীন
টাঙ্গাইল

সুওয়াল : কেউ বিগত বহু বছর পবিত্র যাকাত আদায় করেনি। কিন্তু সে মালিকে নিছাব ছিলো। তখন স্বর্ণ বা গোল্ড-এর রেটও বিভিন্ন ছিলো। তাহলে কিভাবে পবিত্র যাকাত আদায় করবে?
জাওয়াব : নিছাব সম্পন্ন ব্যক্তিযত বছর পবিত্র যাকাত আদায় করেনি; হিসাব করে তত বছরেরই পবিত্র যাকাত তাকে আদায় করতে হবে। কারণ পবিত্র যাকাত হচ্ছে ফরযের অন্তর্ভুক্ত।
আর ফরযের ক্বাযা আদায় করাও ফরয। বর্তমানে যে সময়ে সে ব্যক্তি পবিত্র যাকাত আদায় করবে সে সময়ের স্বর্ণের মূল্য অনুযায়ী বিগত সমস্ত বছরের পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।
উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলিতে তার যে পরিমাণ সম্পদ ছিলো তা হিসাব করে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

মুহম্মদ ওলীউল্লাহ
নেত্রকোনা

সুওয়াল : জীবন বীমার প্রীমিয়ামের উপর (বীমার টাকা+প্রীমিয়ামের টাকা) পবিত্র যাকাত হবে কিনা?
জাওয়াব : হ্যাঁ, বীমার প্রীমিয়ামের উপর পবিত্র যাকাত হবে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত কিংবা পোষ্যের নামে বীমায় জমাকৃত মোট প্রিমিয়ামের পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে। যদি নিছাব পূর্ণ হওয়ার পর এক বছর অতিবাহিত হয়।

মুহম্মদ মিছবাহুদ্দীন
চট্টগ্রাম

সুওয়াল : সারা বছর ধরে পবিত্র যাকাত দেয়া যায় কিনা?
জাওয়াব : আরবী বা হিজরী বছরের যে কোনো মাসের যে কোনো দিনে পবিত্র যাকাত আদায় করা যায়। তবে হিসাবের সুবিধার জন্য যাকাতদাতার পক্ষ থেকে আরবী মাসের যে কোনো একটি তারিখ নির্দিষ্ট করে নিতে হবে। যেমন, পহেলা রবীউল আউয়াল শরীফ অথবা পহেলা রমাদ্বান শরীফ ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, হিজরী বছর ব্যতীত অন্য কোনো বছর হিসেবেই বছর গণনা করে পবিত্র যাকাত আদায় করলে যাকাত আদায় শুদ্ধ হবে না। যেমন ঈসায়ী সন বা ইংরেজি বছর অথবা ফসলী সন বা কথিত বাংলা সন ইত্যাদি।

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।