মিসরে মোহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হলো কেন? তুরস্কে ইসলামী দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও ইসলামীকরণ হচ্ছে না কেন? কেবলমাত্র মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার উসীলায়ই সারা বিশ্বে খিলাফত সম্ভব।

সংখ্যা: ২২৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

৩০ বছর পর মিসরের জনগণ পেয়েছিল নতুন নেতা মোহাম্মদ মুরসিকে। মুরসির জীবনের শুরুটা হয়েছিল অধ্যাপনা দিয়ে। এরপর সময়ের পালাবদলে তিনি এখন মিসরের কথিত গণতন্ত্রের পথপ্রদর্শক। ১৯৫১ সালের ২০ আগস্ট মিসরে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ মুরসি। মিসরের রাজধানী কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ালেখা শেষ করে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে যান যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ৩ বছর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন তিনি। তারপর ১৯৮৫-তে আবারো মিসরে ফিরে আসেন জাগাজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে।

মুরসি রাজনীতির মাঠে প্রবেশ করেন তারও অনেক পরে। ২০০০-থেকে ২০০৫ পর্যন্ত পার্লামেন্টে মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। মোহাম্মদ মুরসি মুসলিম ব্রাদারহুড দলটির উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।

২০১১ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের অর্থায়নে পরিচালিত ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির প্রধান হন মোহাম্মদ মুরসি।

২০১১ থেকে ২০১৩। মাত্র দুই বছরের ব্যবধান। এবার মোহাম্মদ মুরসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয় মিসরের তাহরির স্কয়ার। গত ৩ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী বুধবার দিবাগত রাতে গণবিক্ষোভের মুখে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক বছরের মাথায় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সরিয়ে দিয়েছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দেশের সংবিধান স্থগিত করে প্রধান বিচারক আদলি মানসুরকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করা হয়েছে।

গত ৩ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী বুধবার দিবাগত রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেন, দেশকে বাঁচাতে মুরসিকে সরিয়ে দিয়ে সেনাবাহিনী তাদের ‘ঐতিহাসিক দায়িত্ব’ পালন করেছে। মুরসি ক্ষমতা ভাগাভাগিতে বিরোধীদের দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন।

সেনাপ্রধান টেলিভিশনে ভাষণ দেয়ার সময় মুরসিবিরোধী লাখ লাখ উৎফুল্ল মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। তারা শ্লোগান দিতে থাকে, ‘জনগণ-সেনাবাহিনী ভাই ভাই।’

প্রায় দুই বছর আগে ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছিল তাহরির স্কয়ার। ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল। তার পদত্যাগের পর বাঁধভাঙা উল্লাস করেছিল মিসরের জনগণ।

মোহাম্মদ মুরসিসহ ক্ষমতাসীন ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির শীর্ষ কয়েকজন নেতার দেশত্যাগের উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেনাবাহিনী। এর আগে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদসহ রাজধানী কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যানে সজ্জিত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

রাষ্ট্রীয় আল-আহরাম পত্রিকায় বলা হয়, ৩ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী তারিখে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেনাপ্রধান সিসি প্রেসিডেন্ট মুরসিকে জানিয়ে দেন, তিনি আর মিসরের প্রেসিডেন্ট নেই।

ক্ষমতাচ্যুত করার পর মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে একটি সেনা স্থাপনায় আটকে রাখা হয়েছে। মুরসির শীর্ষ সহযোগীরাও তার সঙ্গে আটক রয়েছেন। মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা এ তথ্য জানান। গতকাল ৪ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এপি অনলাইনের প্রতিবেদনেও এ তথ্য জানানো হয়।

অপরদিকে মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি বলেছেন, ‘আমি মাত্র এক বছর আগে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছি। আমার সাংবিধানিক বৈধতা রয়েছে। আমি জীবন দিয়ে হলেও আমার দায়িত্ব পালন করে যাব।’

গত ২ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মুরসির পক্ষে লক্ষ লক্ষ লোক রাস্তায় নেমে আসে। তারা মুরসির পক্ষে শ্লোগান দেয়। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মুরসি সমর্থক মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি মিছিলে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে ২২ জন নিহত ও ২শ জন আহত হয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ক্ষমতা দখল করবে না।

অন্যদিকে তাহরির স্কয়ারে বিরোধীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সেখানে ব্যাপকহারে সম্ভ্রমহানির ঘটনাও ঘটছে বলে বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ঘটনা-

২৮ নভেম্বর ২০১১: মিসরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের যুগের অবসানের পর দেশটিতে প্রথমবারের মতো পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট নেয়া হয়। ইসলামপন্থী দলগুলো নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়। এর মধ্যে অর্ধেক ভোট পায় মুসলিম ব্রাদারহুড।

৩০ জুন ২০১২: নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী মোহাম্মদ মুরসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।

১২ আগস্ট ২০১২: মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফিল্ড মার্শাল হুসেইন তানতাউয়ি ও সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ সামি আনানকে অপসারণ করেন প্রেসিডেন্ট মুরসি। দুই জেনারেলকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি মুরসি সামরিক পরিষদের আনা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খর্বকারী সাংবিধানিক সংশোধনীও বাতিল করেন।

২২ নভেম্বর ২০১২: প্রেসিডেন্ট মুরসি একাধিক ডিক্রি জারির মাধ্যমে মুরসি একছত্র ক্ষমতার অধিকারী হন। ঘোষণায় বলা হয়েছে, তার ডিক্রি, সিদ্ধান্ত বা জারি করা আইনকে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। ঘোষণায় আরও বলা হয়, কোনো আদালত বর্তমান সাংবিধানিক গণপরিষদকে বিলুপ্ত করতে পারবে না। এ পরিষদ মিসরের নতুন সংবিধান প্রণয়নের কাজ করছিল। তবে ৮ ডিসেম্বর এ ঘোষণা বাতিল করেন মুরসি।

১৫ ও ২২ ডিসেম্বর ২০১২: খসড়া সংবিধানের উপর প্রথম দফায় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দফা অনুষ্ঠিত হয় ২২ ডিসেম্বর। খসড়া সংবিধানের পক্ষে ৬৪ শতাংশ ভোট পড়ে।

২৪ জানুয়ারি ২০১৩: ২০১১ সালের হোসনি মোবারকের পতনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এক সপ্তাহে ৬০ জন নিহত হয়।

২ জুন ২০১৩: মিসরের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ বা শূরা কাউন্সিল এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নকারী প্যানেলকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

৩০ জুন ২০১৩: মুরসির ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম বর্ষপূর্তিতে তার পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠে মিসর।

১ জুলাই ২০১৩: মুরসিকে পদত্যাগের জন্য এক দিনের সময় বেঁধে দেয় তার বিরোধীরা। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জনগণের দাবি মেনে না নিলে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ার করা হয়।

২ জুলাই ২০১৩: মিসরের রাজধানী কায়রোতে মুরসির সমর্থক ও বিরোধীপক্ষের কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১৮ জন নিহত ও ২০০ জন আহত হয়।

৩ জুলাই ২০১৩: সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশটির সেনাপ্রধান আবেদল ফাত্তাহ আল-সিসি মোহাম্মদ মুরসিকে সরিয়ে দেয়। একই সঙ্গে দেশের সংবিধান স্থগিত করে প্রধান বিচারপতি আদলি মানসুরকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করা হয়।

গত ৩০ জুন ২০১৩ ঈসায়ী, রোববার ছিল মুরসির দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরপূর্তি। এ প্রেক্ষাপটে মুরসিবিরোধীরা রাজপথে নেমে আসে। এ সময় মুরসিপন্থী ও বিরোধীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।

৩০ জুন ২০১৩ ঈসায়ী, রোববার কায়রোর তাহরির স্কয়ারে বিক্ষোভের ডাক দেয় বিরোধীরা। ওই বিক্ষোভে লাখো জনতা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করে। মুরসিকে পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দেয় বিরোধীরা।

চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী, সোমবার একটি বিবৃতি দেয় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে সব রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয় সেনাবাহিনী।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের দাবি মেনে নেয়ার জন্য আবার আহ্বান জানাচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী। শেষ সুযোগ হিসেবে সবাইকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয়া হলো। দেশের জাতীয় নিরাপত্তা চরম হুমকির মধ্যে। যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তবে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের ঐতিহ্য অনুযায়ী হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে সেনাবাহিনী।

মিসরের সেনাবাহিনীর বেঁধে দেয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা প্রত্যাখ্যান করেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। গত ২ জুলাই ২০১৩ ঈসায়ী, মঙ্গলবার মধ্যরাতে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, প্রাণ গেলেও সরে যাবেন না।

মূলত, মুরসির ঘটনা একটি জ্বাজল্য প্রমাণ। আমাদের দেশের তথাকথিত ইসলামিক রাজনৈতিকরা ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়েমের স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু সে স্বপ্ন কখনোও বাস্তবায়িত হবার নয়। কারণ জনগণের এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে যদি আমলগত, আদর্শগত পরিবর্তন না আসে, তাহলে তারা কিছুতেই ইসলামীকরণ মেনে নেবে না। জনগণ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে বিরোধিতা করবে এবং মিসরের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। জনগণ ও সেনাবাহিনী ভাই ভাই বলে মুরসির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠেছে। তুরস্কের ক্ষেত্রেও একই কথা দৃঢ় বাস্তব সত্য হচ্ছে। কথিত ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় থাকলেও জনগণ ও সেনাবাহিনীর জন্য তারা ইসলামীকরণ করতে পারছে না। মূলত দেশকে ইসলামীকরণের জন্য ইসলামী দল হলেই চলবে না। কারণ দল ও জনগণের শক্তিতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িম করা যায় না। পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য দরকার পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ধারক-বাহক ওলীআল্লাহ। যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী ক্ষমতায় চলেন এবং প্রকাশ করেন বা করার ক্ষমতা রাখেন। যিনি যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ।

মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া করার ভাষা নেই যে, সে নিশান বরদার, যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ তথা যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম হচ্ছেন ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। কেবলমাত্র উনার দ্বারাই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্কসহ গোটা মুসলিম বিশ্বে তথা বিশ্বে পবিত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াত প্রতিষ্ঠা সম্ভব ও প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

-মুহম্মদ আরিফুল্লাহ

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক