কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে (২)

সংখ্যা: ২০০তম সংখ্যা | বিভাগ:

সাধারণভাবে মীলাদ শরীফ-এর মধ্যে আমরা যাঁরা অতীতের নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যাঁরা আহলিয়া হযরত হাওওয়া আলাইহাস সালাম, হযরত সারাহ আলাইহাস সালাম এছাড়া যাঁরা বিশেষ মহিলা হযরত মরিয়ম আলাইহাস সালাম, হযরত আসিয়া আলাইহাস সালাম উনাদের শানে আমরা এই শব্দগুলি, ছিফতগুলি ব্যবহার করে থাকি। সেদিক থেকে যাঁরা উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই এই ছিফতগুলির সর্বাধিক হক্বদার। আরেকদিক থেকে যাঁরা আহলে বাইত উনারাও আলাইহাস সালাম, আলাইহিস সালাম, আলাইহিমুস সালাম বা আলাইহিন্নাস সালাম এই শব্দগুলি, ছিফতগুলির অধিক হক্বদার।

সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার শান, উনার ফযীলত, উনার বুযুর্গী-সম্মান সম্পর্কে আমরা এখানে আলোচনা করবো ঠিক ততটুকু যতটুকু যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব আল্লাহ পাক এবং যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা তাওফীক ইনায়েত করেন।

বিশেষ করে জুমাদাল উখরা এই মাস হচ্ছে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ-এর মাস। কাজেই, আরেকটা বিষয় হচ্ছে বর্তমান আমাদের দেশে হোক, বিদেশে হোক যারা মহিলাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব অতিবাহিত হয়েছেন, অতীত হয়েছেন এখন পূর্ববর্তী নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যাঁরা আহাল ও ইয়াল আলাইহিমুস সালাম এবং খাছ করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যাঁরা আহাল ও ইয়াল আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং পরবর্তীতে ইমাম, মুজতাহিদ এবং আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্য থেকে যাঁরা মহিলা রহমতুল্লাহি আলাইহিন্না, উনাদের সম্পর্কে আসলে কিতাবাদিতে আলোচনা অনেক কম করা হয়ে থাকে, অল্পই করা হয়ে থাকে। যার কারণে মুসলমান মহিলাগণ তারা তাদের অনুসরণীয়-অনুকরণীয় কারা সে বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বগ্রস্ত। মুসলমানগণ সে ইলম সম্পর্কে এক প্রকার অজ্ঞই বলা যেতে পারে। সেজন্য যাঁরা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম রয়েছেন এবং পরবর্তী ইমাম, মুজতাহিদ, আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম পুরুষ এবং মহিলা, আর বিশেষ করে যাঁরা মহিলা রহমতুল্লাহি আলাইহিন্না রয়েছেন উনাদের জীবনী মুবারকগুলো জানা, আলোচনা করা এবং বুঝার কোশেশ করা পুরুষ মহিলা সকলের জন্যই প্রয়োজন। সাধারণভাবে যাঁরা পুরুষ রয়েছেন উনাদের তো জীবনী মুবারক পাওয়া যায়, আলোচনা করা হয়। আর যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং পরবর্তীতে যাঁরা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম আর যাঁরা ইমাম-মুজতাহিদ, মশহূর আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম- উনারা পুরুষের অন্তর্ভুক্ত সেহেতু এই বিষয়গুলো মানুষ সহজে বুঝে থাকে, জেনে থাকে। কিন্তু যাঁরা মহিলা উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক অনেক সময় পর্দার কারণে আলোচনা করা হয় না। হ্যাঁ, যাঁরা অতীত হয়েছেন উনাদের বিষয়টা আলোচনা করা যেতে পারে। যাঁরা বর্তমান থাকেন উনাদের জন্য পর্দার বিষয়টা উল্লেখ্য। যাঁরা অতীত হয়েছেন উনাদের বিষয়গুলি আলোচনা করা ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।

আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন-

قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى

আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন-

قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বিষয়টা বলে দেন উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য।

যেহেতু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী ছাড়া কোন কথা বলেন না।

আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-

وما ينطق عن الهوى ان هو الا وحى يوحى

আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব তিনি নিজেই বলেন, আমার যিনি হাবীব, নূরে মুজাসসাম, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী ব্যতীত কোন কথা বলেন না, কোন কাজও করেন না। অর্থাৎ তিনি যিনি খালিক্ব, মালিক, রব উনার দ্বারা পরিপূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত। সেই হিসেবে ওহী ব্যতীত তিনি কোন কথা বলেন না, বলবেন না, কাজ করেন না, করবেন না। সেজন্য আল্লাহ পাক বলে দিলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى

“আপনি বলে দিন উম্মতদেরকে, সমস্ত কায়িনাতকে, আমি তোমাদের কাছে কোন বিনিময় চাচ্ছি না, তোমরা কোন বিনিময় দিতে পারবে না, তোমাদের সেই যোগ্যতা নেই।” আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব, মালিক, রব উনার শরাফত সেজন্য তিনি ভাষাটা এইভাবে বলেছেন। কোন বিনিময় চাওয়া হচ্ছে না, তোমরা দিতে পারবে না। তবে তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, কর্তব্য হচ্ছে, আমার যাঁরা আহাল ও ইয়াল, আওলাদ যাঁরা রয়েছেন, আহলে বাইত যাঁরা রয়েছেন উনাদের প্রতি তোমরা মুহব্বত পোষন করবে ও সৎ ব্যবহার করবে, উনাদের খিদমত করবে, তা’যীম-তাকরীম করবে সবদিক থেকে। উনাদেরকে যেভাবে তোমাদের খিদমতের আঞ্জাম দেয়া দরকার, তা’যীম-তাকরীম করা দরকার, ছানা-ছিফত করা দরকার সেভাবে তোমরা করবে।

এরপর আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলেন-

ومن يقترف حسنة نزدله فيها حسنا ان الله غفور شكور

“যে ব্যক্তি নেক কাজ করে আল্লাহ পাক তিনি বলেন আমি তার নেকিগুলো বৃদ্ধি করে দেই। সুবহানাল্লাহ! এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব তিনি ক্ষমাশীল এবং বান্দারা যে কাজগুলো করে থাকে সে বিষয়ে তিনি তাদের হক্বগুলো আদায় করে দেন।” এখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল ও ইয়াল- আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম যাঁরা রয়েছেন উনাদের তা’যীম-তাকরীম, উনাদের খিদমত এটা উম্মতের জন্য, বান্দাদের জন্য, বান্দীদের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত। তা’যীম-তাকরীম করা, সম্মান ও মুহব্বত করা। এটা কিতাবে এসেছে-

لا اسئلكم اجرا الا ان تودوا اقربائى واهل بيتى وعترتى وذلك لانه صلى الله عليه وسلم كان خاتم النبين لا نبى بعده.

কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে খালিক্ব, মালিক, রব আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে এই আয়াত শরীফ উম্মতদেরকে, বান্দাদেরকে, বান্দীদেরকে জানিয়ে দিলেন উনার যাঁরা নিকটবর্তী, যাঁরা আহাল-ইয়াল, আওলাদ উনাদের সকলের খিদমত, তা’যীম-তাকরীমের যে বিষয়টা, সম্মানের বিষয়, মুহব্বতের যে বিষয়টা সেটা যেনো তারা যথাযথভাবে আদায় করে। কেননা তিনি হচ্ছেন শেষ নবী, শেষ রসূল। উনার পরে কোন নবী-রসূল আসবেন না। কাজেই উনার পরে যাঁরা মূল ক্বায়িম-মাক্বাম হবেন উনারা হচ্ছেন উনার আহাল ও ইয়াল এবং আওলাদ। উনারা হচ্ছেন খাছ ক্বায়িম-মাক্বাম। কাজেই উনাদের খিদমত করার বিষয়টাই এখানে তাকীদ করে দেয়া হয়েছে। উনাদের ইজ্জত-সম্মান, বুযুর্গীর বিষয়টা যাতে উম্মত, বান্দা, মানুষ অনুধাবন করে সেজন্যই এখানে আল্লাহ পাক স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন।

যেটা অন্য হাদীছ শরীফ-এ এসেছে-

عن ابن عباس رضى الله تعالى عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم احبوا الله لما يغذوكم من نعمة واحبونى لحب الله واحبوا اهل بيتى لحبى.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন-

احبوا الله لما يغذوكم من نعمة واحبونى لحب الله واحبوا اهل بيتى لحبى.

তোমরা যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো

لما يغذوكم من نعمة

কারণ তিনি তোমাদের খাওয়াচ্ছেন, পরাচ্ছেন, সমস্ত ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করতেছেন। কাজেই উনার নিয়ামতের কারণে উনার ইজ্জত-সম্মানের কারণে উনাকে তোমরা মুহব্বত করো।

এরপর তিনি নিজেই বলেন- واحبونى لحب الله

নূরে মুজাসসাম, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামূল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করো। কেন ? যিনি খালিক্ব, মালিক রব আল্লাহ পাক উনার রেযামন্দী হাছিলের লক্ষ্যে।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-

واحبوا اهل بيتى لحبى.

তোমরা আমার যাঁরা আহলে বাইত উনাদেরকে মুহব্বত করো। কেন মুহব্বত করবে? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামূল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত হাছিলের লক্ষ্যে, উনার মুহব্বতের কারণে। উনাকে যে বান্দা মুহব্বত করে, বান্দী মুহব্বত করে, উম্মত মুহব্বত করে, আমরা মুহব্বত করে থাকি এটার নিদর্শন স্বরূপ উনার যাঁরা আহাল ও ইয়াল- আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করতে হবে। সেটাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-

واحبوا اهل بيتى لحبى.

আমার মুহব্বতের কারণে আমার আহলে বাইত যাঁরা রয়েছেন উনাদেরকে মুহব্বত করো। সুবহানাল্লাহ!

এখন তো এই হাদীছ শরীফ দ্বারা যাঁরা আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতটা ফরয-ওয়াজিব হয়ে গেছে। তিনি সরাসরি নির্দেশ করেছেন। আল্লাহ পাক তিনিও সরাসরি বলেছেন। কাজেই বিষয়টা অত্যন্ত সূক্ষ্ম বিষয়, ফিকিরের বিষয়। উনাদের মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম, উনাদের খিদমত, ইজ্জত, বান্দা-বান্দী উম্মতের জন্য খুব ফিকিরের বিষয়। (অসমাপ্ত)

 

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ¦লীফাতুল্লাহ, খ¦লীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৮)

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ¦লীফাতুল্লাহ, খ¦লীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (৭)

সম্পাদকীয়

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার- ওয়াজ শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত সম্পর্কে (১২)