নারী অধিকার প্রসঙ্গে

সংখ্যা: ২২৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম পেশ করছি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এবং আরো ছলাত ও সালাম পেশ করছি আমাদের প্রাণের আক্বা সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি।

দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করুন। সুখী পরিবার গড়ে তুলুন। পারিবরিক বন্ধন সে মধুর একটা বন্ধন।

বাবা- মা,  ভাই- বোন, স্বামী- স্ত্রী, সবাই মিলে একত্রে বসবাস করা, একে অপরকে মুহব্বত করা, একে অপরের আদেশ-নিষেধ শুনা– এরই মধ্যে রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার বহিঃপকাশ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি রহিম, রহমান, গাফফার, সাত্তার। তিনি রহমত নাযিল করেন সৃষ্টির প্রতিটি জিন-ইনসানসহ প্রতিটি জোড়া বা যুগলের। রহমত নাযিল করেন প্রত্যেক পরিবারের উপর এবং এটাই স্বাভাবিক নিয়তি। কিন্তু এই স্বাভাবিকতাকেই অস্বাভাবিক করে ফেলে পরিবারেরই লোক সকল। পিতা- মাতা  হোক আর স্বামী-স্ত্রী এদের ভুলের জন্য মাসুল দিতে হয় পরিবারের অন্যান্য সব সদস্যদের। আজকাল অনেক পিতা-মাতাই সম্মানিত শরীয়ত উনার শাসন মানে না। তাদের কাছে পবিত্র দ্বীন-ইসলাম মানেই কঠিন একটা বিষয় অথবা পুরাতন কোন ইতিহাস অথবা অতি গোঁড়ামি। নাউযুবিল্লাহ। সুতরাং তাদের ছেলে-মেয়েদের কাছেও দ্বীন ইসলাম উনার মুবারক আদেশ-নিষেধগুলোও বড়ই কঠিন আর গোঁড়ামী। নাউযুবিল্লাহ।

সম্মানিত শরীয়ত উনার হুকুম হচ্ছে, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উনাদের জন্য ইলম (পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও পবিত্র ক্বিয়াস) অর্জন করা ফরয।” এই ইলম  অর্জনের দ্বারা একটা মানুষের ছহীহ আকল-সমঝ পয়দা হয়। ভাল-মন্দ পার্থক্য করার ক্ষমতা পয়দা হয়।

মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্পর্কে জানা এবং জানার সাথে সাথে হাক্বীক্বী মুহব্বতও পয়দা হয়।

সুতরাং বাবা-মায়েরা দ্বীনি  শিক্ষা অর্জন করুক এবং সন্তানদেরকেও সেই শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করুক। তাহলেই সন্তানরা সম্মানিত শরীয়ত মুতাবিক পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকবে এবং পিতা-মাতারাও সন্তানদের  হক্ব সম্পর্কে অবগত হবেন।

শুধু ঐশী কেন এর মতো হাজারো মেয়ে, হাজারো ছেলে আজ পরিবারের চোখে, সমাজের চোখে ধিকৃত হচ্ছে।

 -আহমদ আজীমা ফারহা

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক