গ্রীনিচকে ০ (শূন্য) ডিগ্রি দ্রাঘিমায় ধরে মূল মধ্যরেখা স্থির করার কোন ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই: পবিত্র কা’বা শরীফ উনার অবস্থান ০ (শূন্য) ডিগ্রি ০ (শূন্য) মিনিট ০ (শূন্য) সেকেন্ড ডিগ্রি দ্রাঘিমা ধরে ১৫ ডিগ্রি অন্তর অন্তর সময় অঞ্চলে ভাগ করাই সর্বোত্তম

সংখ্যা: ২৪০তম সংখ্যা | বিভাগ:

-আবুল বাশার


 

গ্রীনিচের রয়েল অবজারভেটরি যাকে ০ (শূন্য) ডিগ্রি ০ (শূন্য) মিনিট ০ (শূন্য) সেকেন্ড দ্রাঘিমায় অবস্থান বলে ধরে নেয়া হয়েছে এবং যার উপর দিয়ে প্রাইম মেরিডিয়ান স্থির করা হয়েছে সেই অবজারভেটরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মাত্র ১৬৭৫ সালে। ইতিহাসে একে প্রসিদ্ধ করতে গিয়ে যা বলা হয় তা আরও হাস্যকর। বলা হয়, এখানে জন্মেছে রাজা হেনরী-৮ এবং তার বোন মেরী এবং রাণী এলিজাবেথ-১। এদের কেউ পৃথিবীতে অনুসরণীয় মানুষ ছিল না। সুতরাং কোনো বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বলে যে গ্রীনিচ থেকে চৎরসব গবৎরফরধহ কল্পনা করা হয়েছে তা নয়। ঐতিহাসিকরা মূলত দুটি কারণকেই চিহ্নিত করেছে।

প্রথমত, ১৮৮৪ সালের পূর্ব থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের টাইম জোন ব্যবহারে গ্রীনিচকে প্রাইম মেরিডিয়ান হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলো। ফলে তাদের সুবিধাকে প্রতিষ্ঠা করতে ১৮৮৪ সালের অক্টোবরে প্রাইম মেরিডিয়ান সম্মেলনে তাদের মতের দেশগুলো থেকে সম্মতি আদায় করে। এটি মূল কারণ। কেননা স্প্যানিশ ভাষার দেশ সান্তা দমিঙ্গো বিপক্ষে ভোট দেয় এবং ব্রাজিল ও ফ্রান্স ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে। ফ্রান্স ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে কারণ তারা পূর্ব থেকেই প্যারিস মেরিডিয়ানকে মূল মধ্যরেখা হিসেবে ব্যবহার করছিলো। তাহলে দেখা যাচ্ছে ঐতিহাসিক কোনো কারণ নয়, বরং রাজনৈতিক কারণেই গ্রীনিচ মূল মধ্যরেখা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

দ্বিতীয় যে কারণটি বলা হয়, সে সময়কার ৭০ ভাগ ব্যবসা সম্পাদিত হত সমুদ্রপথে আর বেশিরভাগ মানচিত্রে দেখা গেছে নাবিকরা গ্রীনিচকে মূল্য মধ্যরেখা হিসেবে বিবেচনা করতো। এ কারণটি যথার্থ নয়। কারণ ইতিহাসে দেখা গেছে, গ্রীনিচের পূর্বে পবিত্র মক্কা শরীফ, ব্রাসেলস, কোপেনহেগেন, আলেকজান্দ্রিয়া, জেরুজালেম, লিসবন, মাদ্রিদ, অসলো, প্যারিস, রোম, স্টকহোম, উজেইন এ সকল এলাকাও প্রাইম মেরিডিয়ান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

সুতরাং শুধু ব্রিটিশ, আমেরিকান বা ইউরোপীয় বণিকদের মানচিত্র দেখলে তো সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা যাবে না।

পৃথিবীকে গোলাকার কল্পনা করলে যে কোন স্থান থেকেই ০ (শূন্য) ডিগ্রি ধরে মূল মধ্যরেখা স্থির করা যায়:

পৃথিবী পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে দাঁড়িয়ে কেউ যদি বলে আমি পৃথিবীর কেন্দ্রে আছি তার দাবি একদিক থেকে সত্য; কেননা সেই স্থানের ডানদিক থেকে যে কয়টি দ্রাঘিমা পেরিয়ে সে তার অবস্থানে আসতে পারবে একইভাবে বামদিক থেকে ঠিক সে কয়টি দ্রাঘিমা পেরিয়ে আবার পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসতে পারবে।

সুতরাং পৃথিবীর যেকোনো স্থানের উত্তর-দক্ষিণ মেরুর সংযোজক রেখাকে মূল মধ্য রেখা হিসেবে কল্পনা করা যায়। সুতরাং পৃথিবীর কোন একটি স্থানের উপর দিয়ে যদি মূল মধ্য রেখা স্থির করা হয় অর্থাৎ পৃথিবীর কোনো একটি স্থানকে ০ (শূন্য) ডিগ্রি ০ মিনিট ০ সেকে- অবস্থানে স্থির করে যদি পৃথিবীকে ৩৬০ ডিগ্রিতে বিভক্ত করতে হয় তবে এমন একটি স্থানকেই পছন্দ করা উচিত-

ক. যে স্থানটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম।

খ. যে স্থানের পবিত্রতা অপরিসীম।

গ. যে স্থানটি পূর্ব-পশ্চিমে সবার কাছেই অতি পরিচিত এবং গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত।

ঘ. সকল আহলে কিতাবের কাছেই যে স্থানের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।

ঙ. সর্বোপরি যে স্থানটি ছাড়া আর কোনো স্থানের এতটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই।

(ক) পৃথিবীর প্রাচীনতম স্থান পবিত্র কা’বা শরীফ:

মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন মুসলমানগণের জন্য ক্বিবলা হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন বায়তুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ কা’বা ঘরকে; যা মক্কা শরীফে অবস্থিত। পৃথিবীর চতুর্দিক থেকে অর্থাৎ পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ থেকে সকল মুসলমান পবিত্র কা’বা ঘর উনার দিকে ক্বিবলা ঠিক করে ছলাত আদায় করে। পৃথিবীর যে পবিত্রস্থানে এই বায়তুল্লাহ শরীফ বা কা’বা ঘর তৈরি হয়েছে তা পৃথিবীর কেন্দ্রে অবস্থিত এবং সেখান থেকে দু’পাশে পৃথিবী বিস্তৃত হয়েছে। সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রকৃতপক্ষে, মানবজাতির জন্য প্রথম যে ঘর তৈরি করা হয়েছিল তা হচ্ছে এই বাক্কা বা মক্কা শরীফ। যা নিয়ামত দ্বারা পূর্ণ এবং মানবজাতির জন্য পথ প্রদর্শক। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯৬)।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কা’বা শরীফ ছিল পানির উপর একটি ছোট পাহাড় এবং তার নিচ দিয়ে পৃথিবী সৃষ্টি হয়।” অর্থাৎ পবিত্র কা’বা শরীফ উনার নিচের অংশটুকু ছিল পৃথিবীর প্রথম যমীন; যা বিশাল সাগরের মাঝে প্রথম সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই পবিত্রস্থানের চতুর্পার্শ্বে তা বিস্তার লাভ করতে থাকে এবং প্রথমে একটি বিশাল মহাদেশের সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে বর্তমানে যে সাতটি মহাদেশ আছে সেগুলো মূলত একটি মহাদেশ ছিল; যাকে বলা হয় Mother Continent (মাদার কন্টিনেন্ট) বা    Pangaea (পেনগা)। যার অর্থ হচ্ছে, মূল মহাদেশীয় অঞ্চল। পরবর্তীতে এগুলো একে অপরের কাছে থেকে সরতে শুরু করে এবং বর্তমান অবস্থায় পৌঁছে।

বিশ্ব সৃষ্টির দু’ হাজার বছর পূর্বে মহান আল্লাহ পাক তিনি পানির দিকে দৃষ্টি মুবারক দেন তখন পানি ঘূর্ণায়মান এবং অশান্ত ছিল। সেখানে উজ্জ্বল আলোর মতো একটি বস্তু থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তা চতুর্দিকে প্রসারিত হয়। সে কারণে পবিত্র মক্কা শরীফ উনাকে বলা হয় উম্মুল কুরা। পরবর্তীতে আল্লাহ পাক তিনি পাহাড় সৃষ্টি করলেন এবং পৃথিবী শান্ত হয়। প্রথমে যে পাহাড় সৃষ্টি হয় তা হচ্ছে, আবু কুবায়েস পাহাড়। আবু কুবায়েস পাহাড়ের পাশেই সৃষ্টি হয় বায়তুল্লাহ শরীফ।

(খ) যে স্থানের পবিত্রতা অপরিসীম: পবিত্র কা’বা শরীফ এমন একটি স্থান যেখানে সৃষ্টির দু’হাজার বছর পূর্ব থেকেই পবিত্র কা’বা শরীফ উনার এলাকা তাওয়াফ করেছেন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম। প্রথম মানব ও নবী হযরত আদম আলাইহিস্ সালাম তিনিও তাওয়াফ করেছেন এই পবিত্র কা’বা শরীফ উনাকে। আর এই পবিত্র কা’বা শরীফ স্পর্শ পেয়েছেন যিনি নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিনি এখানে উমরা করেছেন, তাওয়াফ করেছেন। এই কা’বা শরীফ উনার বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে তিনি অসংখ্য অগণিত দোয়া করেছেন। প্রতিদিন অবারিত রহমত নেমে আসে এই পবিত্র কা’বা শরীফ উনার উপর।

(গ) যে স্থানটি পূর্ব-পশ্চিমে সবার কাছেই অতি পরিচিত এবং গুরুত্বসহকারে বিবেচিত: পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই যেখানে মুসলমান কম-বেশি নেই। তাদের ইবাদতের পদ্ধতিগুলো দেখেও মানুষ জানে মুসলমানরা পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দিকে মুখ ফিরিয়ে ছালাত আদায় করে। ইহুদী- খ্রীস্টানদের প্রচার মাধ্যমেও ৯ই যিলহজ্জে হজ্জ অনুষ্ঠানের বিশদ বিবরণ পেশ করে। শুধু তাই নয়, তাওরাত শরীফ ও ইঞ্জিল শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার এবং হযরত ইবরাহীম আলাইহিস্ সালাম উনার বর্ণনা থাকার কারণে তারা পবিত্র কা’বা শরীফ উনার অবস্থান, মান-মর্যাদা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। এছাড়াও ইহুদী খ্রিস্টানরা জানে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে তারা যেতে পারলেও একমাত্র পবিত্র মক্কা ও পবিত্র মদীনা শরীফে তাদের প্রবেশ নিষেধ। এই নিষেধাজ্ঞা শুধু তাদের কাফির হবার কারণে, কারণ তাদের কুফরী তাদেরকে অপবিত্র করে দিয়েছে আর অপবিত্রদের স্থান পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ এ নেই। যেহেতু পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ অতি পবিত্র স্থান। সুতরাং গ্রীনিচ নয়, পবিত্র কা’বা শরীফই সর্বোত্তম স্থান যেখান থেকে সময় গণনা শুরু করা উচিত।

(ঘ) সকল আহলে কিতাবের কাছেই যে স্থানের গুরুত্ব রয়েছে: হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার বন্যার সময় পবিত্র কা’বা শরীফ মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানে উঠিয়ে নেন। পরবর্তীতে হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম তিনি এই পবিত্র কা’বা ঘর উনার পুনঃনির্মাণ করেন। হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম উনার দুই সন্তান হযরত ইসমাইল যবীহুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম এবং হযরত ইসহাক আলাইহিস্ সালাম উনাদেরকেও মহান আল্লাহ পাক তিনি নবী হিসেবে কবুল করেছিলেন। হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম উনার বংশধরদের মধ্য থেকে আসেন আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত ইসহাক আলাইহিস্ সালাম উনাদের বংশধরদের থেকে আসেন হযরত মূসা আলাইহিস্্ সালাম এবং পরে হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম।

সুতরাং হযরত মূসা আলাইহিস্ সালাম উনার অনুসারীরা অর্থাৎ ইহুদী সম্প্রদায় আর হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম উনার অনুসারীরা অর্থাৎ নাছারা বা খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসারীরা অর্থাৎ মুসলমানগণ অর্থাৎ সবারই মূলে রয়েছেন হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস্ সালাম তিনি। আর যেহেতু হযরত ইবরাহীম খলীল আলাইহিস্ সালাম তিনি স্বয়ং সম্মানিত কা’বা ঘর উনার পূনঃনির্মাণ করেন। শুধু তাই নয় এখনও উনার পবিত্র ক্বদম মুবারক উনার ছাপ পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পার্শ্বেই রক্ষিত আছে, যাকে আমরা মাক্বামে ইবরাহীম বলি, সেই পবিত্র কা’বা শরীফ উনার গুরুত্ব যে কত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুতরাং সকল আহলে কিতাবের কাছেই এই পবিত্র কা’বা শরীফ উনার অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।

(ঙ) যে স্থানটি ছাড়া আর কোনো স্থানের এতটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব নেই:

সমস্ত পৃথিবীতে আজ প্রায় ৬৫০ কোটি মানুষ। এই পৃথিবীতে গত হয়ে গেছে হাজার হাজার বছরের সভ্যতা। চলে গেছে অগণিত অসংখ্য মানুষ। পৃথিবীতে রয়েছে অনেক দেশ, অনেক জাতি, অনেক ভাষা। নানা বর্ণের নানা আকৃতির অসংখ্য অগণিত মানুষ। এই সকল বর্ণের, সকল গোত্রের, সকল জাতির যিনি আদি পিতা তিনি প্রথম মানুষ, প্রথম নবী হযরত আদম আলাইহিস্ সালাম। যিনি প্রথম মানুষ উনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কিছুর ইতিহাসের চেয়ে পুরনো কোনো ইতিহাস নেই, থাকতে পারে না। তথাপি বলা চলে পবিত্র কা’বা শরীফ বা বায়তুল্লাহ শরীফ উনার ইতিহাস তার চেয়েও পুরনো কেননা সৃষ্টির দু’হাজার বছর পূর্ব থেকেই পবিত্র কা’বা শরীফ উনার এলাকা তাওয়াফ করেছেন ফেরেশ্তাকুল। যদি কোনো কারণে কোন স্থানকে ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে নির্বাচন করা হয় তবে প্রথম গুরুত্ব পাবে বায়তুল্লাহ শরীফ বা পবিত্র কা’বা শরীফ যার চেয়ে ঐতিহাসিক কোনো স্থান এই যমীনে নেই। তাহলে এটা নশ্চিতিভাবে বলা যায়, পবিত্র কা’বা শরীফ এর অবস্থান ০ (শূন্য) ডিগ্রী ০ মিনিট ০ সেকেন্ড ডিগ্রি দ্রাঘিমা ধরে ১৫ ডিগ্রি অন্তর অন্তর সময় অঞ্চলে ভাগ করাই সর্বোত্তম।

 

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক