দেওবন্দী মালানারাই পাপাত্মা গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিল, পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে কুফরী ফতওয়া জারি করেছিল। শুধু তাই নয়, দেওবন্দীরা এটিও ঘোষণা দিয়েছিল যে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরই পাপাত্মা গান্ধীর স্থান।” নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!

সংখ্যা: ২৪০তম সংখ্যা | বিভাগ:

উলামায়ে সূ’দের দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়ার কারণেই কাফিরদের তুষ্ট করতে এভাবে নিজের দ্বীন, নিজের অস্তিত্বকে বিসর্জন দেয়ার আত্মঘাতী পথে হাঁটছে গোটা বিশ্বের মুসলমানরা। নাউযুবিল্লাহ!

“বাঙালি (হিন্দু) পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোশাক পরিতো, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার পাশে একটা ঘর থাকিতো, সেখানে চোগা-চাপকান-ইজার ছাড়িয়া পুরুষেরা ধুতি পরিয়া ভিতরের বাড়িতে প্রবেশ করিতো। তাহার প্রবেশদ্বারে গঙ্গাজল ও তুলসীপাতা থাকিত, ম্লেচ্ছ পোশাক পরিবার অশুচিতা হইতে শুদ্ধ হইবার জন্য পুরুষেরা গায়ে গঙ্গাজল ছিটাইয়া মাথায় একটা দুইটা তুলসীপাতা দিতো।” (সূত্র: আত্মঘাতী বাঙালি, নীরদ সি চৌধুরী, মিত্র এন্ড ঘোষ পাবলিশার্স, পৃষ্ঠা ৫০)

কাফির-মুশরিকরা তাদের অস্তিত্ব ও স্বকীয়তার ব্যাপারে সবসময়েই সচেতন, যে কারণে হিন্দুরা শত শত বছর মুসলিম শাসনের অধীনে থেকেও নিজেদের হিন্দুয়ানীকে অটুট রেখেছিল। মুসলমান শাসকের অধীনে চাকরি না করলে তো হিন্দুদেরকে মুসলমানী পোশাক পরার প্রশ্নই উঠতো না। অবশ্য যদি মুসলমানী পোশাক পরতেই হতো, সেক্ষেত্রে বাড়িতে এসেই তা ঘৃণাভরে পরিত্যাগ করে গায়ে তুলসী-গোবরপানি ছিটিয়ে ‘শুদ্ধ’ হতো চরম মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দুরা।

শুধু ভারতবর্ষের হিন্দুরা নয়, বরং বিশ্বের আরো অনেক স্থান রয়েছে, যেখানে শত শত বছর ধরে মুসলিম শাসন জারি থাকার পরও সেখানকার বিধর্মীরা মুসলমানদের সাথে একাকার হয়ে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতিকে বিসর্জন দেয়নি। স্পেনের খ্রিস্টানরা ৮০০ বছর মুসলিম শাসনের অধীনে থেকেও তাদের খ্রিস্টত্বকে বিসর্জন দেয়নি, যার ফলে তারা শেষপর্যন্ত স্পেন থেকে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটায়।

বিপরীতে মুসলমানদের ক্ষেত্রে আমরা কি দেখি? এই ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের অধীনে ছিল মাত্র ১৯০ বছর, তার উপর সিপাহী বিদ্রোহের আগে অর্থাৎ এই ১৯০ বছরের প্রথম একশ বছরে ব্রিটিশরা এ অঞ্চলে তাদের ক্ষমতা সুসংহত করতে পারেনি। ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসন রদ হয়ে ইংল্যান্ডের রাণী কর্তৃক কেন্দ্রীয় শাসন জারি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে এবং এর দ্বারাই মূলত এ অঞ্চলে সত্যিকার অর্থে ব্রিটিশ শাসন শুরু হয়েছিল।

সে হিসেবে ব্রিটিশ শাসন প্রকৃত অর্থে জারি ছিল মাত্র ৯০ বছর। অর্থাৎ যেখানে আটশ (৮০০) বছরের মুসলিম শাসনের পরও স্পেনের খ্রিস্টানরা তাদের খ্রিস্টত্ব ধরে রেখেছিল, ভারতবর্ষের হিন্দুরা তাদের হিন্দুয়ানী আচার ধরে রেখেছিল; সেখানে এই ৯০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের ধাক্কাতেই এই অঞ্চলের মুসলমানরা এখন আধাহিন্দু-আধাখ্রিস্টান মার্কা একটি জাতিতে পরিণত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

কারণ বিধর্মীদের সন্তুষ্ট করতে মুসলমানদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ বিলীন করে দিয়ে বিধর্মীদের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়ার শিক্ষা দিয়েছে ধর্মব্যবসায়ীরা, উলামায়ে সূ’রা। তার একটি বাস্তব উদাহরণ হলো ব্রিটিশআমলে খিলাফত আন্দোলনের সময়ে গোঁড়া হিন্দু পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে দেওবন্দীদেরও হিন্দুতে পরিণত হওয়ার বিষয়টি। দেওবন্দীরা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে সেই পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া জারি করেছিল, যা দেশবিভাগের পর থেকে শুরু করে তারা আজো প্রতিবছর দিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর খিলাফত আন্দোলনের সময়ে আলী ভ্রাতৃদ্বয় তথা মুহম্মদ আলী ও শওকত আলী তারাসহ দেওবন্দ মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা গান্ধীকে নিজেদের দলে নিয়ে হিন্দুদের দ্বারা উপকৃত হওয়ার অলীক কল্পনায় বিভোর হয়েছিল। এ নিয়ে ভারতীয় ঐতিহাসিক গোলাম আহমদ মোর্তজার ‘ইতিহাসের ইতিহাস’ গ্রন্থের ৪২৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে-

“মুহম্মদ আলী বড় আলেমদের (দেওবন্দীদের) নিয়ে গোপনে পরামর্শ করলো এবং জানালো, ভারতে হিন্দুজাতি বিরাট একটি শক্তি, তাদেরকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা আনা যায় না। যদিও তারা দূরে আছে তবুও তাদের কাজে লাগাতে এমন একজন নেতাকে সামনে রেখে জয়ঢাক বাজাতে হবে, যার ফলে হিন্দুজাতি তার আহবানে দলে দলে আসতে পারে।… শেষে গান্ধীকেই বাছাই করা হয়। তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধির পোশাক পরানো হয় এবং সারা ভারতে তার নাম প্রচার করে তার অধীনস্থের মতো মুসলিম নেতারা সভা সমিতি করে বেড়াতে থাকে।”

অর্থাৎ দেওবন্দীরাই গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল। শুধু তাই নয়, গান্ধীকে সর্বভারতীয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে এই মুসলমান নামধারী নেতা এবং দেওবন্দী উলামায়ে সূ’রাই দায়ী ছিল। তারা শুধু এই পাপাত্মা গান্ধীর প্রশংসাতেই মাতেনি, তার সাথে সাথে নিজেরাও আপাদমস্তক হিন্দু হওয়া শুরু করলো গান্ধীর মন যোগাতে। এ প্রসঙ্গে পুলিৎজার প্রাইজ বিজয়ী সাংবাদিক joseph lelyveld -এর লেখা great soul: mahatma gandhi and his struggle with India বইয়ের ১৬১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে-

“After the Prophet, on whom be peace, I consider it my duty to carry out the command of gandhiji”, he declared. For a time Muhammad Ali gave up eating beef as a gesture to gandhi and all hindus. Then, campaigning side by side with gandhi across India, he took to wearing khadi.. not only wear khadi; he became an evangelist for the charka.

”অর্থাৎ মুহম্মদ আলী সে পাপাত্মা গান্ধী ও তার অনুসারী হিন্দু সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গরুর গোশত খাওয়া বন্ধ রেখেছিল। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের অনুকরণে খদ্দরের পোশাক পরাও সে শুরু করলো। গান্ধীর অনুকরণে চরকার পক্ষে সে নিবেদিত প্রচারকের ভূমিকা পালন করতে শুরু করলো।

তবে তার সবচেয়ে জঘন্য ঘোষণাটি ছিল, ” After the Prophet, on whom be peace, I consider it my duty to carry out the command of gandhiji” অর্থাৎ সে এবং তার দেওবন্দী অনুসারীরা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই পাপাত্মা গান্ধীর আদেশ-নির্দেশকে প্রাধান্য দিয়ে সেগুলো পালন করার ঘোষণা দিয়েছিল। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!

এখন মুহম্মদ আলী ও তার অনুসারী দেওবন্দী মালানারা তো গান্ধীকে তুষ্ট করতে নিজের অস্তিত্বকে হিন্দুয়ানী আচার-প্রথায় একদম বিলীন করে দিলো, কিন্তু এর বদলে তারা পেল কেবলই প্রতারণা। তারা চেয়েছিল গান্ধীকে ব্যবহার করে লক্ষ্য হাছিল করতে। কিন্তু তারা ছিল চরম বোকা এবং মূর্খ।

কারণ প্রকৃতপক্ষে গান্ধীই তাদের নির্বুদ্ধিতাকে পুঁজি করে, মুসলমানদের সমর্থনকে ব্যবহার করে সর্বভারতীয় নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছিল। মুসলমানদের সমর্থনে অর্জিত পাপাত্মা গান্ধীর এই রাজনৈতিক অবস্থান মুসলমানদের জন্য বুমেরাং হয়ে দেখা দিলো; কারণ পাপাত্মা গান্ধী তার আসল রূপ জাহির করে পরিণত হলো এক উগ্র মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দুত্ববাদী নেতাতে। এ প্রসঙ্গে গোলাম আহমদ মোর্তজা তাঁর ‘ইতিহাসের ইতিহাস’ গ্রন্থের ৩৬৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন-

“গান্ধী দেখলো, মুসলমানরা তো আমাকে হিন্দু বলেই জানেন কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা যদি আমাকে অহিন্দু মনে করে তাহলে তাদের নেতা হয়ে প্রশংসা অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই ১৯২১-২২ সালে যখন পাপাত্মা গান্ধী খিলাফত আন্দোলনের পুরোভাগে ভারতের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত, তখন সে ভোল পাল্টে গোঁড়া হিন্দুদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ঘোষণা দিলো-

“আমি নিজেকে প্রাচীনপন্থী সনাতন হিন্দু বলি যেহেতু (ক) আমি বেদ, উপনিষদ, পুরাণ অর্থাৎ হিন্দু শাস্ত্র বলে যাহা কিছু বোঝায় অর্থাৎ অবতার বাদ ও পুনর্জন্মে বিশ্বাস করি, (খ) বেদের বিধানসম্মত বর্ণাশ্রম ধর্ম আমি বিশ্বাস করি, (গ) প্রচলিত অর্থে নয়, বরং বৃহত্তর অর্থে আমি গো-রক্ষানীতি সমর্থন করি, (ঘ) মূর্তি পূজায় আমার অবিশ্বাস নেই।”

গান্ধীর এই বক্তব্যের দ্বারা মুসলমানদের নিকট এটি স্পষ্ট হলো যে, গান্ধী তাদেরকে মই হিসেবে ব্যবহার করে উপরে উঠে মুসলমানদেরই মই কেড়ে নিয়েছে। এভাবেই মুসলমানরা সারাজীবন প্রতারিত হয়েছে শত্রু না চেনার কারণে। নাউযুবিল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لّلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا

অর্থ: নিশ্চয়ই মুসলমানগণ উনাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন প্রথমত, ইহুদিদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবে মুশরিক তথা হিন্দুদেরকে বড় শত্রু হিসেবে নির্দেশ করার পরও দেওবন্দী উলামায়ে সূ’রা হিন্দুদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ পড়ে তারা কিছুই শিখতে পারেনি। উলামায়ে সূ’রা হিন্দুদের সাথে জোট বেঁধে নিজেরা তো প্রতারিত হয়েছেই, সাথে সাথে গোটা ভারতবর্ষের মুসলমানদেরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

দেওবন্দী উলামায়ে সূ’রা প্রতারিত হওয়ার পরও কিন্তু তাদের গান্ধীপ্রীতি ছাড়েনি, হিন্দুদের গোলামিতে তারা আজো ডুবে রয়েছে। ভারতের প্রথমসারির সংবাদ সংস্থা আইবিএনে দেয়া সাক্ষাৎকারে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া প্রদান করা নিয়ে দেওবন্দের একজন মুখপাত্র আশরাফ উসমানী বলেছে-

बकौल अशरफ उस्मानी दारूल उलूम हमेशा से ही गौहत्या के खिलाफ रहा है और समय समय पर इसके बारे में फतवे भी जारी किए गए हैं। सबसे पहला फतवा स्वतंत्रता आंदोलन के दौरान महात्मा गांधी के अनुरोध पर दारूल उलूम द्वारा जारी किया गया था।

অর্থ: দারুল উলুম দেওবন্দ সর্বদা গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে এবং প্রতিবছর গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়ে আসছে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ে পাপাত্মা গান্ধীর নির্দেশ অনুযায়ী সর্বপ্রথম দেওবন্দ থেকে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া জারি করা হয়েছিল।

(ওয়েবসূত্র: http://khabar.ibnlive.in.com/news/109892/13)

এসব উদাহরণ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, লা’নতগ্রস্ত শয়তান যেভাবে হিদায়েত পাবে না, এই দেওবন্দী উলামায়ে সূ’রাও কখনোই শোধরাবে না। এদের কারণেই আজকে ভারতের মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এজন্যই এসব উলামায়ে সূ’দের জন্য জাহান্নামের জুব্বুল হুযন নামক উপত্যকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার থেকে খোদ জাহান্নামও প্রতিদিন চারশতবার পানাহ চায়। নাউযুবিল্লাহ!


-গোলাম রসূল

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক