অতি সাম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত আওয়ামী লীগের ইসলামপছন্দ প্রচারণা। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পক্ষে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার চেতনা।

সংখ্যা: ২৪০তম সংখ্যা | বিভাগ:

অতি সাম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত আওয়ামী লীগের ইসলামপছন্দ প্রচারণা।

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পক্ষে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার চেতনা।

‘আওয়ামী কর্মীরাই বেশি মুসল্লী, আওয়ামী লীগই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট,

আওয়ামী লীগই যুগে যুগে দ্বীন ইসলাম উনার সেবা করেছে’- প্রধানমন্ত্রীর এসব ঘোষণা;

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রশংসা’ এবং ‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননা বরদাশতের বাইরে’- প্রধামন্ত্রীর এ দৃঢ় অভিব্যক্তির পাশাপাশি আওয়ামী মন্ত্রী এমপি বিবৃত ‘আওয়ামী লীগ পবিত্র দ্বীন ইসলামবান্ধব’- ইত্যাকার সংবাদ কথকতা।


 

লতিফ গর্হিত কাজ করেছেন -প্রধানমন্ত্রী:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “আমাদের একজন মন্ত্রী (মুরতাদ লতিফ কাজ্জাবী), এখনতো সে প্রাক্তন মন্ত্রী; যেভাবে ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছে, এ ধরনের কটূক্তি মেনে নেয়া সম্ভব নয়। আমি জানি না সে কেন এ কথা বলেছে। তবে সে যেটা বলেছে সেটা গর্হিত অপরাধ।”

১২ অক্টোবর (২০১৪) আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন। লতিফ কাজ্জাবীর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেয়ার মূল এজেন্ডা নিয়েই গণভবনে সন্ধ্যায় এ বৈঠক শুরু হয়।

মুরতাদ লতিফ কাজ্জাবী এমন সময় এ মন্তব্য করেছে যখন রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা পবিত্র হজ্জ পালনে মক্কা শরীফে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দলের কেউ এমন মানসিকতা পোষণ করুক তা আমরা চাই না। আওয়ামী লীগের লোকজনই বেশি ধর্ম-কর্ম পালন করে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “সে যখন এ ধরনের মন্তব্য করেছে তখন আমি দেশের বাইরে ছিলাম। আমার নির্দেশে অপসারণের ফাইল তৈরি করা ছিল। কালকে (১১ অক্টোবর) বসে সই করেছি। আজ (১২ অক্টোবর) গিয়েছিলাম প্রেসিডেন্টের কাছে। সেখানে প্রেসিডেন্টের সইয়ের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।” (সূত্র: নতুন সময়.কম)

আ’লীগের লোকজনই বেশি ধার্মিক -শেখ হাসিনা:

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে, পবিত্র হজ্জ ও (ছয় উছূলী) তাবলীগ সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার কারণে মুরতাদ লতিফ কাজ্জাবীর অব্যাহতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘লতিফের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের দলের কেউ এমন মানসিকতা পোষণ করুক তা আমরা চাই না। আওয়ামী লীগের লোকজনই বেশি ধর্ম-কর্ম পালন করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, মুরতাদ লতিফ গর্হিত কাজ করেছে। তার বক্তব্যে মুসলমানেরা মনে আঘাত পেয়েছেন। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এ জন্য তাকে মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’ (সূত্র: বাংলা মেইল ২৪.কম)

অবশেষে আওয়ামী লীগ থেকেও লতিফ কাজ্জাবী বহিষ্কার:

পবিত্র দ্বীন ইসলাম অবমাননা করায় এবার দল থেকে বহিষ্কার হলো সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মুরতাদ লতিফ কাজ্জাবীকে। ২৪ অক্টোবর (২০১৪) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। (সূত্র: রেডিও তেহরান)

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারে শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষরা এদেশে এসেছিল:

আরব দেশে থেকে শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করার জন্য বাংলাদেশে এসেছিল বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। ১৩ অক্টোবর (২০১৪) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার বীর উত্তম খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষরা ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন। তিনিও ধর্মপ্রাণ মুসলমান। কেউ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কথা বললে তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কুণ্ঠাবোধ করেন না তিনি। তার দল সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মান মর্যাদা ঠিক রাখতেও বদ্ধপরিকর। (সূত্র: হ্যালো টুডে.কম)

আ’লীগ পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সবসময় ইসলামের প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট। ২৬ আগস্ট (২০১৪) বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র হজ্জ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম শান্তির ধর্ম। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিশ্বে শান্তির ধর্ম হিসেবেই পরিচিতি পাক আমরা সেটাই চাই। তাই আওয়ামী লীগ সবসময় পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট।’

পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচারে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে হাসিনা বলেন, ‘আমরা মসজিদভিত্তিক পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছি। এখাতে ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঘোষিত শিক্ষা নীতিমালায় পবিত্র নামায শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যার ফলে ছোট বেলা থেকেই নামাজের চর্চা হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা হজ্জ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে ডিজিটাল করেছি। ইসলাম প্রচারে এবং প্রসারে যা যা করা দরকার- আমরা তা তা করছি। (সূত্র: কক্সবাজার নিউজ. কম)

পবিত্র দ্বীন ইসলামই নারীর অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে -প্রধানমন্ত্রী:

পবিত্র দ্বীন ইসলামই নারীর অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি প্রথম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে গ্রহণ করে নারীর অধিকারের পথ সুগম করে দিয়েছেন।

৮ মার্চ (২০১৪) সকালে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। (সূত্র: দেশের বার্তা. কম)

বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন:

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রচারে সচেষ্ট ছিলেন। তার আমলেই এদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন চালু করা হয়, ওআইসি’র সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিকভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম বুঝতে পারে সেজন্য আওয়ামী লীগ সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছে। (সূত্র : নিউজসেভের ২৪. কম)

যুগে যুগে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সেবা আওয়ামী লীগই করেছে -শেখ হাসিনা:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সেবা করেছে। (সূত্র: নিউজ হাট ২৪. কম)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে কেউ কটূক্তি করুন এটা আমরা কখনোই বরদাশত করবো না -শেখ হাসিনা

১৬ আগস্ট (২০১৪) রাজধানীর আশকোনায় হজ্জক্যাম্পের এবারের পবিত্র হজ্জ কাফেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, “ইতোমধ্যে শুনেছি, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে একটি ফিল্ম তৈরি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।”

হজ্জক্যাম্পের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জীবনী মুবারক নিয়ে কেউ কোনো রকম বদনাম করুক- সেটা কখনোই কোনো মুসলমান বরদাশত করতে পারে না। এটা আমরা কখনো বরদাশত করব না। কাজেই এটা বন্ধ করতে হবে।” (সূত্র: বিডিটুডেনিউজ. কম)

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পবিত্রতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হোন -জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী:

‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পবিত্রতা রক্ষায় এবং এর মূল বার্তা ও শিক্ষা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে’।

গণভবনে বাংলাদেশ জামায়াতুল মোদারেসিন এর প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কথা বলেন।

সুদখোর ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই -শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সুদখোর, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আর সুদখোরদের দিয়ে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা যায় না; বরং দারিদ্র্যকে লালন-পালন করা যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের জোট বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। (সূত্র: বিডিনিউজ. ওয়ার্ডপ্রেস. কম)

যুগে যুগে নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এসেছেন মানবজাতির কল্যাণে -অর্থমন্ত্রী:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম শান্তির ধর্ম। যুগে যুগে পৃথিবীতে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এসেছেন মানবজাতির কল্যাণ এবং সমাজ সংস্কারের জন্য। (সূত্র: বিজেএম. অরগ. বিডি)

সুন্দরী নারীদের বিলবোর্ড দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ -যোগাযোগমন্ত্রী:

ডিজিটাল বিলর্বোডের কারণে অনেক সময় চালকদের দৃষ্টিভ্রম হয় দাবি করে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “বিভিন্ন পণ্যের বিলবোর্ডে সুন্দরী নারীদের ছবি দেয়া হচ্ছে। তারাও (গাড়িচালক) তো মানুষ। রাস্তা দিয়ে চলার সময় চালকদের সেদিকে নজর যাচ্ছে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে।”

রাজধানীর মহাখালীর বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। (সূত্র: নতুন বার্তা. কম)

আ’লীগ ইসলামবান্ধব সরকার – হাছান মাহমুদ:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ইসলামবান্ধব সরকার এমন দাবি করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বর্তমান সরকার ইসলামবান্ধব সরকার। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জন্য সরকার অনেক কিছু করেছে। জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির’ (বিইউআইপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করেন এবং আমাদেরও উৎসাহিত করেন। আমাদের সঙ্গে দেখা হলে নামাযের কথা বলেন। বিদেশে গেলেও যেখানে নামাযের সময় হয়, সেখানেই তিনি নামায আদায় করেন।


-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক