অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলার পেছনে কী মুসলমান সম্প্রদায়কেই অস্বীকার করার অথবা বিলীন করার সূক্ষ্ম ও গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান নয়? নিকট ইতিহাস থেকে সুদূর ইতিহাস কখনো কী? মুসলমানের ভাইয়ের কোনো দৃষ্টান্ত কোনো হিন্দু দেখিয়েছে? ভারতে মুসলমানদের প্রতি চাপিয়ে দেয়া হিন্দুদের লাখ লাখ দাঙ্গাগুলো কী তথ্য দেয়? মুসলমান হিসেবে বাঁচতে চাইলে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ অনুযায়ী হিন্দুদের প্রতি কী ধারণা রাখতে হবে তা প্রচার করা হচ্ছে না কেন?

সংখ্যা: ২৪১তম সংখ্যা | বিভাগ:

অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলার পেছনে কী মুসলমান সম্প্রদায়কেই অস্বীকার করার অথবা বিলীন করার সূক্ষ্ম ও গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান নয়? নিকট ইতিহাস থেকে সুদূর ইতিহাস কখনো কী? মুসলমানের ভাইয়ের কোনো দৃষ্টান্ত কোনো হিন্দু দেখিয়েছে? ভারতে মুসলমানদের প্রতি চাপিয়ে দেয়া হিন্দুদের লাখ লাখ দাঙ্গাগুলো কী তথ্য দেয়? মুসলমান হিসেবে বাঁচতে চাইলে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ অনুযায়ী হিন্দুদের প্রতি কী ধারণা রাখতে হবে তা প্রচার করা হচ্ছে না কেন?

 


 

“ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই একসাথে বাঁচতে চাই।” গত কয়েক বছরের ন্যায় এবারো কথিত দুর্গাপূজায় এ শ্লোগান উচ্চারিত হয়েছে। কিন্তু আসলেই কি হিন্দুরা মুসলমানদেরকে ভাই মনে করে? এ কথার জবাবে যারা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন তাদের অনেকেই প্রমাণস্বরূপ গুজরাটের দাঙ্গার কথা বলেন। কিন্তু ভারতে কি গুজরাটই একমাত্র খুব বড় দাঙ্গা? নিকট ইতিহাসে গুজরাট ছাড়াও আরো বড় বড় দাঙ্গার উদাহারণ কি খুব কম?

১৯৬১ সালের অক্টোবর মাসে আলিগড়ে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৬২ সালে মধ্য-প্রদেশের জাবালপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৬৪ সালে মহারাষ্ট্রের ভিভান্ডিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৬৭ সালে বিহারের রানচিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৬৯ সালে গুজরাটের আহমেদাবাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৭০ সালে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দি, জালগন ও মালাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৭১ সালে বিহারে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৭৮ সালে আলিগড়ে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৭৮-৮০ পর্যন্ত বিহারের জামশেদপুর ও উত্তর প্রদেশের ভানারসিতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮০ সালে উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮১ সালে আলিগড়ের মিনাকশিপুরাম ও বিহারাশরীফে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮২ সালে উত্তর প্রদেশে মিরাটে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮৩ সালে আসামে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮৩ সালে কর্নাটকে ভাটাকালে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮৬ সালে বিহারে নেওয়াদাতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮৭ সালে উত্তর প্রদেশের মিরাটে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৮৯ সালে বিহারের ভাগলপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৯০-৯১ সালে আলিগড়ে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৯২-৯৩ সালে মুম্বাই, সুরাট, আহমেদাবাদ, কানপুর, দিল্লিসহ সমগ্র ভারতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ১৯৯৭ সালে তামিলনাড়–তে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ২০০০ সালে আহমেদাবাদসহ বেশ কয়েক এলাকায় মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ২০০১ সালে কানপুর, মালিগাঁওয়ে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা; ২০০৩ সালে মুসলিম নিধনে ৭১১টি দাঙ্গা; ২০০৪ সালে মুসলিম নিধনে ৬৭৭টি দাঙ্গা; ২০০৫ সালে মুসলিম নিধনে ৭৭৯টি দাঙ্গা; ২০০৬ সালে গোয়া ও ভাদোদ্রা (গুজরাট) দাঙ্গাসহ মুসলিম নিধনে ৬৯৮টি দাঙ্গা (Source: Riots); যা মূলত অতি বড় বড় দাঙ্গা।

এছাড়াও ভারতে হিন্দুরা মুসলমানদের প্রতি লাখো দাঙ্গা চাপিয়ে দিয়েছে। কোটি কোটি মুসলমানদের শহীদ করেছে; মা-বোনদের সম্ভ্রম লুণ্ঠন করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! অনেকে বলে- এ সমস্ত দাঙ্গায় হিন্দুরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু ভারতের প্রশাসন পর্যন্ত স্বীকার করেছে এসব দাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্তদের ৮০ শতাংশ মুসলমান। যেমন বাবরী মসজিদ দাঙ্গায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেবে হতাহতের ৮০ শতাংশ হচ্ছে মুসলমান। সরকারই যদি ৮০ শতাংশ স্বীকার করে, তবে প্রকৃত হিসেবটা কি?

উল্লেখ্য, ভারতের প্রগতিশীল পত্রিকা ‘ফ্রন্ট লাইন’-এ ১৯৯১ সালের ১৫ই নভেম্বরে প্রকাশিত হিসাব মতে, ১৯৪৭ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত সেদেশে ১৩,৯০৫টি মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছে। ১৯৭৮ সালের ২৭শে মার্চ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার রাজ্য বিধান সভায় প্রদত্ত রিপোর্টে বলে যে, ওই সময় পর্যন্ত প্রাদেশিক রাজধানী কলকাতা শহরেই ৪৬টি মসজিদ এবং ৭টি মাযার ও গোরস্থান হিন্দুরা দখল করে নিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

এক হিসাব মতে দেখা যায় যে, কথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর গড়ে প্রতিবছর ৪০০টির বেশি মুসলিমবিরোধী বড় বড় দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে ২০০১-২০০৯ সাল পর্যন্ত সেদেশে ৬৫৪১টি দাঙ্গা হয়েছে। ২০১২ সালে দাঙ্গার সংখ্যা ৫৬০টি। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একটিরও বেশি দাঙ্গা হয়।

কিন্তু কথা হচ্ছে- মুসলমান পড়ে পড়ে এভাবে হিন্দুদের দ্বারা মার খাচ্ছে কেন? কারণ মুসলমান আজ হিন্দুদেরকে মুসলমানবিরোধী ভাবতে চাচ্ছে না। নাঊযুবিল্লাহ! হিন্দুদের শত্রুজ্ঞান করছে না। নাঊযুবিল্লাহ! হিন্দুবিদ্বেষকে সাম্প্রদায়িকতা ভাবছে। অথচ সাম্প্রদায়িকতা শব্দটি কোথা থেকে এসেছে? জবাব হলো- সম্প্রদায় থেকে? কথিত সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধবাদীদের মত অনুযায়ী সাম্প্রদায়িকতা চলবে না অর্থাৎ কোনো সম্প্রদায়ই রাখা যাবে না। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, মুসলমান সম্প্রদায় রাখা যাবে না। তাহলে দেখা যাচ্ছে, তথাকথিত সাম্প্রদায়িকতা বাদ দিতে গেলে খোদ মুসলমান সম্প্রদায়ই বাদ দিতে হবে। অর্থাৎ কথিত সাম্প্রদায়িকতার বিরোধীরা মুসলমান সম্প্রদায়কেই অস্বীকার করছে। নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানদের অস্তিত্বকে তারা বিলীন করে দিতে চাইছে। নাঊযুবিল্লাহ! অর্থাৎ তারা মুসলমানদের ষড়যন্ত্রকারী। তারা বর্ণহিন্দু। তারা উগ্রহিন্দু। তারা নাস্তিক। তারা ইসলামবিদ্বেষী। তারা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্রকারী। নাঊযুবিল্লাহ!

যদি তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে, তবে প্রশ্ন হচ্ছে- তারা কি মুসলমানদেরকে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে অর্থাৎ খাঁটি মুসলমান হিসেবে দেখতে চায়? পাশাপাশি গাফিল মুসলমানদের নিকটও প্রশ্ন? আপনারা কি সত্যিকারের মুসলমান হিসেবে থাকতে চান? তাহলে আসুন- জেনে নিন মুসলমান হিসেবে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারকে আপনাদের কি চেতনা ধারণ করতে হবে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি কাফিরদের অনুসরণ করো, তাহলে তারা তোমাদেরকে উল্টো দিকে ফিরিয়ে দিবে, ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪৯)

“অতএব, আপনি কাফিরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দ্বারা কঠোর মুক্বাবিলা বা জিহাদ করুন।” (পবিত্র সূরা আল ফুরকান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫২)

“কাফিরেরা বলে, আমরা কখনো এই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রতি ঈমান আনবো না এবং উনার পূর্ববর্তী কিতাব উনারও প্রতি না। আপনি যদি পাপিষ্ঠদেরকে দেখতেন, যখন তাদেরকে তাদের পালনকর্তার সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা পরস্পর কথা কাটাকাটি করবে। অক্ষম বা সাধারণ শ্রেণীর লোকেরা তরা আকাবির বা নেতৃস্থানীয়দেরকে বলবে, তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই মু’মিন হতাম।

নেতৃস্থানীয়রা সাধারণ শ্রেণীর লোকদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে হিদায়েত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই তো ছিলে অপরাধী।

সাধারণ শ্রেণীর লোকেরা নেতৃস্থানীয়দেরকে বলবে, বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অস্বীকার করি এবং উনার অংশীদার সাব্যস্ত করি এবং তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি কাফিরদের গলায় বেড়ী পরাবো। তারা তদ্রƒপ প্রতিফল ভোগ করবে যেরূপ কর্ম তারা করতো।” (পবিত্র সূরা সাবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১-৩৩)

“পার্থিব জীবন কাফিরদের নিকট সুসজ্জিত করে দেয়া হয়েছে। তাই তারা ঈমানদার উনাদের সাথে বিদ্রƒপ করে। পক্ষান্তরে যারা (শিরক-কুফর) থেকে বেঁচে থাকেন উনারা সেই কাফিরদের থেকে ক্বিয়ামতের দিন অত্যন্ত উচ্চ স্তরে থাকবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা বে-হিসাব রিযিক দিয়ে থাকেন।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২১২)

“যারা ঈমান এনেছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের অভিভাবক। উনাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার (কুফর) থেকে আলোর (হিদায়েত) দিকে। আর যারা কাফির তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো (হিদায়েত) থেকে বের করে অন্ধকারের (কুফরের) দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোযখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৫৭)

“তারা ইবাদত করে মহান আল্লাহ পাক উনার পরিবর্তে এমন কিছুর, যা তাদের উপকার করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না। কাফিরেরা হচ্ছে নিজ রব তায়ালা উনার বিরোধী।” (পবিত্র সূরা আল ফুরকান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫)

আসমান, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু আমি যথাযথভাবেই এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যেই সৃষ্টি করেছি। আর কাফিরেরা যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

বলুন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত যাদের উপাসনা করো, তাদের বিষয়ে ভেবে দেখেছ কি? আমাকে দেখাও যে, তারা পৃথিবীতে কি সৃষ্টি করেছে? অথবা আসমানসমূহ সৃষ্টির ব্যাপারে তাদের কি কোনো অংশ আছে? (কোন প্রমাণ থাকলে) পূর্ববর্তী কোনো কিতাব অথবা অপর কোনো ইলম আমার কাছে উপস্থিত করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।” (পবিত্র সূরা আহক্বাফ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)

“আর কাফিরেরা যখন ষড়যন্ত্র করেছিল আপনাকে বন্দি করে রাখবে অথবা শহীদ করে ফেলবে অথবা আপনাকে দেশান্তর করে দিবে তখন তারা যেমন ষড়যন্ত্র করেছিল তেমনি মহান আল্লাহ পাক তিনিও হিকমত করেছিলেন। বস্তুতঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম হিকমতওয়ালা।” (পবিত্র সূরা আল আনফাল শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০)

“কেমন করে মহান আল্লাহ তিনি এমন সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর উনাকে অস্বীকার করে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর উনার নাফরমানী করে এবং তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর তা অমান্য করে। (অর্থাৎ যারা হিন্দুদের বিরুদ্ধে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মনোভাব পোষণ করাকে সাম্প্রদায়িক বলে। নাঊযুবিল্লাহ! এরা হচ্ছে যালিমের অন্তর্ভুক্ত) আর মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করেন না।

এসব লোকের শাস্তি হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং মানুষের সকলেরই অভিসম্পাত।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৬, ৮৭)

নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে এবং কুফরী আমল বৃদ্ধি করে চলেছে, তাদের তওবা কখনো কবুল হবে না। এসব লোক পথভ্রষ্ঠ। “যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তাদের কুফরীর বিনিময়ে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফির হয়েছে এবং কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের থেকে তা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি! তাদের জন্য কোনোই সাহায্যকারী থাকবে না।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০, ৯১)


-আল্লামা মুহম্মদ আশরাফুল মাহবুবে রব্বানী

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক