ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র

সংখ্যা: ০১ম সংখ্যা | বিভাগ:

ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র


albaiyinaat-207

বর্তমানে দুনিয়ার সর্বত্র গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের সচেতনতা লক্ষ্যনীয়। সে জন্যই পৃথিবীব্যাপী সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং, বিক্ষোভ-আন্দোলন তথা গণ অভ্যুত্থানের মত ঘটনা অহরহ ঘটছে। সম্প্রতি পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক তথা স্বৈরাচারী ব্যবস্থার ধসই হ’ল এর সবচেয়ে জ্বলন্ত উদাহরণ। এমনকি খোদ সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্মদাতা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রজাতন্ত্রগুলিতে স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য জনগণ সোচ্চার। আমাদের দেশেও সরকারের পতন ঘটেছে এই গণ আন্দোলনের মাধ্যমে। কিন্তু গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের এত আবেগ, আগ্রহ ও দরদের কারণ কি? যে জন্য মানুষ জীবনের বিনিময়ে হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধ পরিকর।

গণতন্ত্রের তত্ত্বগত সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা যা-ই হোক না কেন বাহ্যিকভাবে আমরা জানি গণতন্ত্রে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হ’ল জনগণ অর্থাৎ জনগণের শাসন। প্রফসার সিলের কথায়, সকলের অংশীদারীর (শেয়ার) ভিত্তিতে যে সরকার গঠিত হয় সেটাই গণতন্ত্র। (Democracy means a Government in which everyone has share)। আবার ম্যকআইভার বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠের দ্বারা বা অন্য কোন প্রকারে শাসন করার পদ্ধতিই গণতন্ত্র নয় বরং গণতন্ত্র কে শাসন করবে এবং কিভাবে শাসন করবে সেটাই নিরূপন করে (Democracy is not a way of governing wheather by majority or otherwise. but primarily a way of determihing who shall govern and broadly to what, end) একইভাবে আব্রাহাম লিংকন বলেছেন, অন্য মানুষের পরামর্শ ছাড়া কোন মানুষের অন্য মানুষকে শাসন করার অধিকার (No man has a right of Govern another man without other mans concapl) অন্য জায়গায় বলেছেন, জনগণের সরকার, জনগণ দ্বারা পরিচালিত সরকার এবং জনগণের জন্য সরকার (Of the people, by the people & For the people)| সে জন্যই জনগণের নির্বাচিত বা মনোনীত ব্যক্তিদের দ্বারা সরকার গঠন ও তাদের মাধ্যমে দেশ শাসন করা, যাতে সে সরকারের সমস্ত কর্মকান্ডে জনগণের মতের প্রতিফলন ঘটে। সে সাথে মানুষের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা, ব্যক্তি স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বা আইনের শাসন ইত্যাদি।

অবশ্য সব দেশের সরকারেরই দাবী যে তাঁরা পূর্ণ গণতান্ত্রিক, সেটা রাষ্ট্রপতি শাসিত, সংসদীয়, একনায়কতন্ত্রি, সমাজতন্ত্রি বা রাজতন্ত্রি যেটাই হোক না কেন। যদিও পূর্ণ গণতন্ত্র (১০০%) কোন দেশেই চালু নেই। কেননা আমরা যে সব দেশের সরকারকে গণতন্ত্রের ‘মডেল’ বা আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করি, যেমন যুক্তরাষ্ট বা বৃটেন, যদিও মোটামুটিভাবে পূর্ণ গণতান্ত্রিক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান তথাপি ধর্ম ও বর্ণের ব্যাপারে সংখ্যালঘুরা সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেনা; আবার তারাই দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী ও ইসরাঈলের ইয়াহুদীবাদী সরকারকে সমর্থনের মাধ্যমে টিকিয়ে রেখেছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরাকের সাথে যুদ্ধের সময় তারাই খবরের উপর সেন্সরশীপ আরোপ করেছিল। বৃটেনই আবার সালমান রুশদীকে (পবিত্র কুরআন শরীফ ও হু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ যূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নামে কাল্পনিক কুৎসা রচনাকারী) মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে রক্ষা করে চলেছে। অথচ খৃষ্ট ধর্মের সমালোচনা বৃটেনে নিষিদ্ধ।

গণতন্ত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন স্বীকৃত ঠিক পরমত সহিষ্ণুতাও স্বীকৃত, কিন্তু আমাদের দেশে তথাকথিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী ও প্রবক্তা বলে স্বীকৃত অধিকাংশ রাজনীতিবিদ, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক-অধ্যাপক তথা বুদ্ধিজীবিদের দেখা যায় ইসলামের ব্যাপারে যে কোন প্রশ্নে, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল, রাজাকার তথা স্বাধীনতার শত্রু ইত্যাদি বলে হেয় প্রতিপন্ন করতো। এখন কথা হ’ল মূল অনুসরণকারীকে যদি মৌলবাদী, ইসলামের অনুসারীকে যদি সম্প্রদায় এবং এর পক্ষাবলম্বনকারীকে সাম্প্রদায়িক, ইসলাম বিরোধী যে কোন কাজে বা কথায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্তকারীকে প্রতিক্রিয়াশীল বলা হয় এবং আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ইসলামের নামধারী কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করার কারণে যদি ইসলামের কথা বললেই সবাই রাজাকার তথা স্বাধীনতার শত্রু হয় তবে বোঝা যাচ্ছে গণতন্ত্রের প্রবক্তারা যদিও গণতন্ত্রের ব্যাখ্যায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে থাকেন, তথাপি তারাই ইসলামের মত যারা স্বাধীনভাবে প্রকাশ করে তাদেরকে মৌলবাদী আর সাম্প্রদায়িক বলে গালি-গালাজ করতে দ্বিধা করেন না। যদিও মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে ২০ বৎসর পূর্বে, সুতরাং যাদের বয়স ৩০/৩৫ বৎসর এর মধ্যে তাদের পক্ষে রাজাকার হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু? আর পাকিস্তান বা ইসলামের নামধারী দলগুলি তো আর ইসলাম না বা ইসলামের দলিল না যে ইসলামের কথা বলা আর পাকিস্তানের কথা বলা বা ঐ রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষে বলা এক কথা। তাছাড়া আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক ছিল না, ছিল শুধু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক। সুতরাং এগুলি যদি নিন্দনীয় হয় তথাকথিত স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির বিবেচনায়, কেননা এদ্বারা এ বিশ্বের বহু ধর্মের মধ্যে শুধুমাত্র একটি ধর্মের পক্ষাবলম্বন তথা সংকীর্ণ মানসীকতা বুঝায়। যদিও বর্তমানে পৃথিবীর লোকসংখ্যা ৫০০ কোটির বেশী এবং তার মধ্যে ১২৫ কোটির বেশী মুসলমান অর্থাৎ শতকরা ২৫ ভাগ। আর জাতিসংঘের ১৬৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ৬৪টি দেশই ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) সদস্য অর্থাৎ শতকরা ২৮ ভাগেরও বেশী। অপর পক্ষে আমরা বাঙ্গালী জাতি হিসেবে গর্বিত এবং এ বিশ্বে বহুজাতির মধ্যে বাঙ্গালী একটি জাতি। একইভাবে বাংলাদেশ অর্থাৎ বহু দেশের মধ্যে একটি দেশ। যদিও বিশ্বে সর্বমোট বাঙ্গালীর সংখ্যা খুব বেশী হলে ২০ কোটি মাত্র অর্থাৎ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মাত্র শতকরা ৪ ভাগ, আর দেশের হিসেবে তো মাত্র একটি দেশ। তাহলে যখন বাঙ্গালী বা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ধুয়া তোলা হয় তখন ঐ রাজনীতিক, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, অধ্যাপক তথা বুদ্ধিজীবীদেরই দেখা যায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ, যেমন একইভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় (হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান) সমূহের ধর্মীয় দাবী দাওয়ার ব্যাপারে তারাই সবচেয়ে সোচ্চার।

ভারতের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ব্যাপারে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই বা কোন বক্তব্য-মন্তব্য চোখে পড়ে না, যেন এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি কোন দোষ থেকেই থাকে তাহলে তাদের ধারণায় সেটা অবশ্যই মুসলমানদের। কেননা ভারতে থাকতে গেলে হিন্দুদের মনমতো চললেইতা আর ঝামেলা থাকে না। আসলে প্রত্যেকই নিজের স্বার্থ সিদ্ধির চেষ্টায় লিপ্ত, যেমন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্যালেস্টাইনীয়ানরা সন্ত্রাসবাদী আর আফগান গেরিলারা মোজাহেদীন বা মুক্তিযোদ্ধা। অপরদিকে রাশিয়ার কাছে আফগানরা সন্ত্রাসবাদী আর প্যালেস্টাইনীয়ানরা মুক্তিযোদ্ধা। একই কি বলে গণতন্ত্র? আর বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সত্যিকার জনপ্রতিনিধিত্ব কতটুকা সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ। কেননা যে কোন নির্বাচনে দেখা যায় মোট ভোটারের মধ্যে ভোট দেয় মোটামুটি শতকরা ৫০/৬০ ভাগ এবং এ ভোট মোটামুটি ৮/১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ভাগ হয়ে যে জয়লাভ করে সে খুব বেশী হলে মোট যে ভোট পড়ে তার শতকরা ৫০/৬০ ভাগ পায়। সুতরাং দেখা যায়, যে জয়লাভ করে সে মোট ভোটারের শতকরা ২৫/৩০ ভাগ লোকের সমর্থন নিয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব করে। আর আমাদের দেশে শুধু নাম সই করতে পারলেই শিক্ষিত বলে এবং সে স্বাক্ষরতার হারই যেখানে মাত্র শতকরা ২০/২২ ভাগ। সুতরাং এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের কি বুঝে সেটাই চিন্তার বিষয়।

আমরা জানি সমস্ত কিছুরই ভাল মন্দ দু’টি গুণ থাকে, গণতন্ত্রেও তাই। আর দলীল প্রমান, যুক্তি তর্কের মাধ্যমে কোন কিছু নির্ধারণ করাও কঠিন কেননা প্রত্যেক প্রক্ষেই যুক্তি তর্কের কোন অভাব নেই। আমরা যে কোন বিতর্ক প্রতিযোগীতায় দেখি জয়-পরাজয় কিন্তু বিষয়ের (Subject) উপর নির্ভর করেনা, করে বক্তার বক্তব্য তথা যুক্তি প্রমান বা দলীলের উপর। একইভাবে বর্তমান গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থায় বিচারের রায় নির্ভর করে উকিলের দক্ষতার উপর, বাদী বিবাদীর ন্যায়-অন্যায়ের জন্য না। কোন খুনী আসামীও উকিলের কৌশলতায় নির্দোষ প্রমাণে খালাস পায় আবার নির্দোষ ব্যক্তিরও শাস্তি হয়। সুতরাং ভাল। মন্দ, উপকারী-অপকারী নির্ণয় করা যুক্তি-তর্ক, দলীল-প্রমাণের দ্বারা যেমন সম্ভব না তেমনী বেশীরভাগ মানুষের সমর্থনের (Majority support) দ্বারাও নয়। কেননা মানুষের জ্ঞান সীমিত, ভবিষ্যত সম্বন্ধে অজ্ঞ, তাই হাকীকতে ভাল-মন্দ নির্ধারন করা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। মানুষ শুধু তার নিজের লাভ-ক্ষতির চিন্তা করে, যেমন যে ঘুষ খায় বা দেয় এর দ্বারা উভয়েরই উপকার হয় কিন্তু সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ। সেমত মদ-জুয়া, সুদ, খুন-খারাবী ইত্যাদি প্রত্যেকটা বিষয়েই বলা যায় এর দ্বারা কিছু লোকের ঠিকই ফায়দা বা লাভ হয় কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে বা সামাজিকভাবে ক্ষতির কারণ। সে জন্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি সুস্পষ্ট শরীয়তের মাধ্যমে মানুষকে সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন। এবং সেটাই মানুষের জন্য মঙ্গলজনক যদিও মানুষ বোঝে না।

বর্তমানে প্রচলিত এ গণতন্ত্রের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। কেননা যেখানে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হ’ল জনগণ। অথচ ইসলামের শিক্ষা, মহান আল্লাহ পাক তিনিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। আমাদের দেশের সংবিধান অনুযায়ী মোট সংসদ সদস্যের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে, যে কোন আইন প্রণয়ন বা বাতিল করা যায়, চাই সেটা ইসলামী আইনের পরিপন্থি হোক না কেন। যেমন সংসদের ২/৩ অংশ সদস্য যদি বলে যে মদ খাওয়া জায়েজ, তো সেটাই দেশের আইন বলে গণ্য হবে। অথচ ইসলামে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও কিয়াসের বাইরে কোন আইন নেই। গণতন্ত্রে নারী-পুরুষের ভোটাধিকার সমান এবং মেয়ে লোকের নেতৃত্ব আইন সিদ্ধ কিন্তু ইসলামে সাক্ষীর ক্ষেত্রে দুইজন মহিলা একজন পুরুষের সমান এবং কোন অবস্থায়ই মেয়ে লোকের নেতৃত্ব স্বীকার করে না।

সুতরাং আমাদের দেশে যারা ইসলামের নামে গণতন্ত্র বা গণতন্ত্রের নামে ইসলামী রাজনীতি করেন তারা প্রকৃতপক্ষে জনগণকে ধোকার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত। গণতন্ত্র যেহেতু মানব সৃষ্ট মতবাদ সেজন্য সার্বিকভাবে এর মধ্যে কখনই কোন কল্যান নিহিত থাকতে পারে না।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক