পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননাকারীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি শুধু কথায়ই নয়, অবিলম্বে বাস্তবায়ন দেখতে চায় এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনারা। শুধু ‘রোদেলা’ প্রকাশনী ও অভিযুক্ত কুখ্যাত লেখক-অনুবাদকদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিলে চলবে না- অবিলম্বে বাংলার মাটি থেকে সব মুরতাদ, মালউন ও নাস্তিকদের নির্মূল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।

সংখ্যা: ২৪২তম সংখ্যা | বিভাগ:

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননাকারীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি শুধু কথায়ই নয়, অবিলম্বে বাস্তবায়ন দেখতে চায় এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনারা। শুধু ‘রোদেলা’ প্রকাশনী ও অভিযুক্ত কুখ্যাত লেখক-অনুবাদকদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিলে চলবে না- অবিলম্বে বাংলার মাটি থেকে সব মুরতাদ, মালউন ও নাস্তিকদের নির্মূল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।


সরকার কী সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্রধর্ম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে মিথ্যা বলতে চায়? সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মনগড়া তথ্যের উপর রচিত- নাস্তিক-মুরতাদদের এ জঘন্য কুফরী কথা স্বীকার করে নিতে চায়? (নাঊযুবিল্লাহ!)

সরকার কী দেশের প্রায় বিশ কোটি মুসলমানের প্রাণের গ্রন্থ ‘মহিমান্বিত পবিত্র কুরআন শরীফ’ উনাকে অবমাননা করতে দিতে চায়? (নাঊযুল্লিাহ!)

সরকার কী দেশের প্রায় বিশ কোটি মুসলমান উনাদের প্রাণাধিক প্রিয় রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননার পৃষ্ঠপোষকতা করতে চায়? (নাঊযুবিল্লাহ!)

সরকার কী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের,

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের,

সকল হযরত ইমাম-মুজতাহিদ ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের,

পৃথিবীর ইতিহাসে ইন্তিকালকৃত সব মু’মিন মুসলমান উনাদের,

পৃথিবীতে জীবিত প্রায় সাড়ে তিনশ’ কোটি মুসলমান উনাদের

তথা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশের প্রায় বিশ কোটি মুসলমানগণ উনাদের

সবার মহাসম্মানিতা ও মহাপবিত্রা আম্মাজান আলাইহিন্নাস সালামগণ উনাদের তথা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালামগণ উনাদের অবমাননা বরদাশত করতে চায়? (নাঊযুবিল্লাহ!)

সরকারকে এতসব স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল প্রশ্নের মুখোমুখি করেছে বাংলা একাডেমীর ২০১৫ সালের বইমেলায় ২৪২-২৪৪নং স্টলের কুখ্যাত ‘রোদেলা’ প্রকাশনী “নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর” নামে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কাট্টা অবমাননামূলক একটি জঘন্য বই বিক্রির ঘটনা। (নাঊযুবিল্লাহ!)

মহান আল্লাহ পাক তিনি ও মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিতা ও মহাপবিত্রা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালামগণ উনাদের শান-মান মুবারক উনাকে কাট্টা মিথ্যা কুৎসা রটনা দ্বারা চরমভাবে ক্ষুণœ করে- কুখ্যাত ‘রোদেলা’ প্রকাশনীর জঘন্য বই প্রকাশ, প্রচার ও বিক্রি বা বের হওয়ার দ্বারা সরকার সর্বোতভাবেই উল্লিখিত প্রশ্নসমূহের আওতায় পড়েছে। বিশেষ করে এসব প্রশ্ন অত্যন্ত জোরদার ও ক্ষুরধার হয় যখন সরকারের বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ও বাঙালির প্রাণ বলে প্রচারিত ২১শে’র বইমেলায় এ ধরনের কুখ্যাত ও কলঙ্কিত বই প্রকাশ ও প্রচার হয়। বের হয় ও বিক্রি হয়। (নাঊযুবিল্লাহ!)

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১২ সালে একজন মার্কিন প্রযোজকের ইসলামবিরোধী চলচ্চিত্র নির্মাণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ওই চলচ্চিত্র বিক্রি ও প্রদর্শন বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী দীপ্ত কণ্ঠে উল্লেখ করেছিলেন-

“কোনো মুসলমানই- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননা সহ্য করতে পারেন না।”

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ঐ চলচ্চিত্র নির্মাতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেছিলেন।

আমাদের প্রশ্ন- প্রধানমন্ত্রী কী ঐ দাবি থেকে সরে এসেছেন? (নাঊযুবিল্লাহ!)

উল্লেখ্য, দৈনিক আল ইহসান শরীফে এসেছে, যারা সহিংসতা করে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেছেন, ‘আপনারা কী প্রকৃত মুসলমান?’ প্রতিভাত হয়, প্রধানমন্ত্রী এখনো নিজেকে শুধু সাচ্চা মুসলমানই দাবি করেন না; পাশাপাশি যারা প্রকৃত মুসলমান নয়, তাদের প্রতি তিনি ধিক্কারও জানান। এবং আক্ষেপও করেন। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে বলার অপেক্ষা রাখে না- প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন তা নিশ্চয়ই এখন কাজে পরিণত করবেন।

এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের জ্বলন্ত, মহাসংক্ষুব্ধ প্রশ্ন- প্রধানমন্ত্রী কবে নাস্তিক ব্লগ মুক্তমনা’র সহযোগী প্রকাশনা- ‘রোদেলা’র বিরুদ্ধে চরম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?

কবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জঘন্য অবমাননাকারী গ্রন্থ ‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর’-এর অনুবাদক দুই নাস্তিক-মুরতাদ ব্লগার আবুল কাশেম ও সৈকত চৌধুরীকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাবেন?

কবে এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের পবিত্র ঈমানের জজবায় প্লাবিত এ দেশকে নাস্তিক, মুরতাদ, মালউন মুক্ত করবেন?

উল্লেখ্য, ইতঃপূর্বে নাস্তিক-মুরতাদ ব্লগারদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মত কোনো কথা যদি কোনো লেখায় থাকে, অবশ্যই আমাদেরকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এটা খুব স্বাভাবিক। আমি একজন মুসলমান। এখন নবী করিম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কেউ যদি আজেবাজে কথা লেখে আমরা তো চুপ করে বসে থাকতে পারি না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

আরো উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- “আমি প্রতিদিন ফজরের নামায আদায় ও পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করি। আমার চেয়ে ভালো কারা ইসলামের হিফাযত করবে?”

পাশাপাশি একই বছরের ১৫ই জুলাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- “তার দল আওয়ামী লীগই ইসলামের খিদমত বেশি করে।”

সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী ও তার দল- ধর্মদ্রোহী নাস্তিক-মুরতাদদের বিরুদ্ধে যেসব কঠোর কথা বলেছেন, আলোচ্য নাস্তিক্যবাদী ‘রোদেলা’ প্রকাশনী ও তাদের কুখ্যাত লেখকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অতিসত্বর বাস্তবায়ন করে তার যথার্থতা প্রমাণ করবেন।

রাষ্ট্রধর্ম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে সব ইসলামবিদ্বেষীদের উৎখাত করে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী সব অপতৎপরতা বন্ধ করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতগার হিসেবে নিজেদের দাবি সত্য প্রমাণ করবেন।

মূলত, কুলাঙ্গার মুরতাদ-নাস্তিকদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের শক্ত ও দীপ্ত এবং সক্রিয় পদক্ষেপের পাশাপাশি জনগণেরও কাঙ্খিত ঈমানী কুওওয়াত এবং বাঞ্ছিত জিহাদী জজবা থাকা প্রয়োজন।


-আল্লামা মুহম্মদ মাহবুবুর রহমান

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক