সুওয়াল: কোন একজন মাওলানা (কওমী পড়ুয়া) ওয়াজ করতে গিয়ে বলেছে যে, তওবা বা ইস্তিগফারকালে استغفر الله رب من كل ذنب واتوب اليه (আসতাগফিরুল্লাহা রব্বি মিং কুল্লি যাম্বিউঁ ওয়া আতূবু ইলাইহি) বাক্যের সাথে ولا حول ولا قوة الا بالله العلى العظيم. (ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল আযীম) অংশটুকু পড়া যাবে না। কারণ এরূপ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, এমনকি কোন কিতাবেই নেই। এজন্য আপনারা শুধু استغفر الله رب من كل ذنب واتوب اليه অংশটুকু পড়বেন। আর অবশিষ্ট অংশটুকু ছেড়ে দিবেন। উক্ত বক্তব্য ঠিক হয়েছে কি? না হয়ে থাকলে বহুল প্রচারিত ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ’ এ বিস্তারিত দলীল দ্বারা প্রকাশ করে এলাকার সাধারণ জনগণের ঈমান-আক্বীদা শুদ্ধ রেখে যাতে সঠিকভাবে আমল করতে পারে সে জন্য অনুরোধ রইলো।

সংখ্যা: ২৪২তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ ইয়াকুব আলী, সিংড়া, নাটোর

সুওয়াল: কোন একজন মাওলানা (কওমী পড়ুয়া) ওয়াজ করতে গিয়ে বলেছে যে, তওবা বা ইস্তিগফারকালে

استغفر الله رب من كل ذنب واتوب اليه

(আসতাগফিরুল্লাহা রব্বি মিং কুল্লি যাম্বিউঁ ওয়া আতূবু ইলাইহি) বাক্যের সাথে

ولا حول ولا قوة الا بالله العلى العظيم.

(ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল আযীম) অংশটুকু পড়া যাবে না। কারণ এরূপ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, এমনকি কোন কিতাবেই নেই। এজন্য আপনারা শুধু

استغفر الله رب من كل ذنب واتوب اليه

অংশটুকু পড়বেন। আর অবশিষ্ট অংশটুকু ছেড়ে দিবেন।

উক্ত বক্তব্য ঠিক হয়েছে কি? না হয়ে থাকলে বহুল প্রচারিত ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ’ এ বিস্তারিত দলীল দ্বারা প্রকাশ করে এলাকার সাধারণ জনগণের ঈমান-আক্বীদা শুদ্ধ রেখে যাতে সঠিকভাবে আমল করতে পারে সে জন্য অনুরোধ রইলো।


জাওয়াব: না, উক্ত ক্বওমী পড়–য়া মালানার বক্তব্য সঠিক হয়নি। কারণ তওবা-ইস্তিগফারের জন্য যদিও প্রথম অংশটুকু পড়লে হয়ে যায় কিন্তু পরবর্তী অংশটুকু তওবা-ইস্তিগফারের পরিপূরক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর উক্ত কালাম বা বাক্যদ্বয় একত্রে পড়ার ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ অথবা তাফসীর, ফিক্বাহ বা ফতওয়ার কোন কিতাবে নিষেধ নেই। বরং বাক্যদ্বয়ের পরবর্তী অংশটুকু পড়ার ব্যাপারে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে ফযীলত বর্ণিত রয়েছে।

যেমন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

لا قوة الا بالله

অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য ব্যতীত (গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার এবং নেক কাজ করার) কারো কোন ক্ষমতা নেই। (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৯)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عن حضرت ابى موسى الاشعرى رضى الله تعالى عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فى سفر فجعل الناس يحهرون بالتكبير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يايها الناس اربعوا على انفسكم انكم لاتدعون اصم ولا غائبا انكم تدعون سميعا بصيرا وهو معكم والذى تدعونه اقرب الى احدكم من عنق راحلته قال ابو موسى رضى الله تعالى عنه وانا خلقه اقول لاحول ولاقوة الا بالله فى نفسى فقال يا عبد الله بن قيس الا ادلك على كنز من كنوز الجنة فقلت بلى يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لاحول ولاقوة الا بالله.

অর্থ: হযরত আবূ মূসা আশআরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে ছিলাম। অতঃপর লোকজন উচ্চস্বরে তাকবীর বলতেছিলেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষগণ! আপনারা নিজেদের প্রতি দয়া করুন, আপনারা বধিরকে ডাকতেছেন না, আর না অনুপস্থিত কাউকে। নিশ্চয়ই আপনারা ডাকতেছেন অতিশয় শ্রবণকারী ও অতিশয় দর্শনকারী উনাকে, তিনি আপনাদের সাথেই আছেন। আর যাঁকে আপনারা ডাকতেছেন, তিনি আপনাদের ঘাড় অপেক্ষা আপনাদের অধিক নিকটে আছেন। হযরত আবূ মূসা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে চুপে চুপে বলতেছিলাম, “লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” অর্থাৎ আমার কোন শক্তি বা কোন উপায় নেই মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য ব্যতীত। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, হে আব্দুল্লাহ ইবনে কায়েস! (হযরত আবু মূসা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কুনিয়াত বা উপনাম) আমি আপনাকে বেহেশতের ভাণ্ডারসমূহের একটি ভাণ্ডারের সন্ধান দিব না? আমি বললাম, অবশ্যই ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, তা হলো- “লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

হযরত সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “একদা এক বেদুঈন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাকে দোয়া-কালাম সম্পর্কে একটি কালাম শিক্ষা দিন, যা আমি পড়তে পারি। তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনি বলুন-

لا اله الا الله وحده لا شريك له الله اكبر كبيرا والحمد لله كثيرا وسبحان الله رب العالـمين لا حول ولا قوة الا بالله العزيز الحكيم

অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ (মা’বূদ) নেই, তিনি এক, উনার কোন শরীক নেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি খুবই বড়, মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যে অনেক প্রশংসা, আমি পবিত্রতা ঘোষনা করছি যিনি সারা জাহানের রব। কারো কোন উপায় বা শক্তি নেই মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত, যিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান। (মুসলিম শরীফ)

হযরত আবূ সায়ীদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের দুজনের থেকে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

من قال لا اله الا الله ولا حول ولا قوة الا بالله قال لا اله الا بالله الا انا لا حول ولا قوة الا بى وكان يقول من قالـها فى مرضه ثم لـم تطعمه النار

অর্থ: যে বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ (মা’বুদ) নেই এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য ব্যতীত কারো কোন উপায় ও শক্তি নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হ্যাঁ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমার সাহায্য ছাড়া কারো কোন উপায় ও শক্তি নেই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, এটা যে আপন রোগে বলবে অতঃপর ইনতিকাল করবে তাকে দোযখের আগুন ভক্ষণ (স্পর্শ) করবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)

হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার আমাকে বললেন-

الا ادلك على كلمة من تحت العرش من كنز الـجنة لاحول ولا قوة الا بالله يقول الله تعالى اسلم عبدى واستسلم

অর্থ: আরশ মুবারকের নীচের ও বেহেশতের ভা-ারের একটি বাক্য কি আপনাকে জানাব না- “লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” (ইহা যখন বান্দা বলে তখন) মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আমার বান্দা সম্পূর্ণরূপে আমাার মধ্যে আত্মসমর্পন করেছে। (মিশকাত শরীফ, দা’ওয়াতুল কবীর)

হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

اذا قال العبد لا حول ولا قوة الا بالله قال الله تعالى اسلم واستسلم.

অর্থ: বান্দা যখন বলে, “লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ- মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, সে পরিপূর্ণরূপে আমার মধ্যে আত্মসমর্পন করেছে। (রযীন শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ)

প্রকাশ থাকে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত কালাম

لا حول ولا قوة الا بالله

উনার ব্যাখ্যায় হযরত মুহাদ্দিছীনে কিরাম ও হযরত ফুক্বাহায়ে ইযাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা উল্লেখ করেছেন-

لا حول عن الـمعصية ولا قوة على الطاعة موجودان باحد الا بامداد الله تعالى

যার অর্থ হচ্ছে “মহান আল্লাহ পাক উনার মদদ বা সাহায্য ব্যতীত পাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকার এবং নেক কাজ করার কারো কোন শক্তি-সামর্থ নেই। (জাওহারাতুন নাইয়্যারাহ, আল মিছবাহুল মুনীর ফী গরীবি শরহিল কবীর ইত্যাদি)

যার পরিপ্রেক্ষিতে অনুসরণীয় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা তওবা-ইস্তিগফারকালে

لا حول ولا قوة الا بالله العلى العظيم

কালামখানি যুক্ত করে পড়ে থাকেন। যা মূলত পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের সম্মত।

কাজেই, বিনা দলীলে কারো কোন কথা গ্রহন করা যাবে না। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন-

هاتوا برهانكم ان كنتم صادقين

অর্থ: সত্যবাদী হলে দলীল পেশ করো। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১১)

অতএব, কেউ যদি তার আক্বীদা, আমল, বক্তব্য, লিখনী সঠিক বলে সাব্যস্ত করতে চায় তাকে অবশ্যই পবিত্র কুরআন শরীফ কিংবা পবিত্র হাদীছ শরীফ অথবা পবিত্র ইজমা শরীফ অথবা পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের মধ্য থেকে দলীল পেশ করতে হবে। অন্যথায় তার কোন বিষয়ই গ্রহন করা বা মান্য করা যাবে না।

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।