সুওয়াল: কেউ বিগত বহু বছর পবিত্র যাকাত আদায় করেনি। কিন্তু সে মালিকে নিছাব ছিলো। তখন স্বর্ণ ও রূপার মূল্য বিভিন্ন ছিলো। তাহলে কিভাবে পবিত্র যাকাত আদায় করবে?

সংখ্যা: ২৪২তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ রায়হানুল করীম, লক্ষ্মীপুর

 সুওয়াল: কেউ বিগত বহু বছর পবিত্র যাকাত আদায় করেনি। কিন্তু সে মালিকে নিছাব ছিলো। তখন স্বর্ণ ও রূপার মূল্য বিভিন্ন ছিলো। তাহলে কিভাবে পবিত্র যাকাত আদায় করবে?


জাওয়াব: নিছাব সম্পন্ন ব্যক্তি যত বছর পবিত্র যাকাত আদায় করেনি; হিসাব করে তত বছরেরই পবিত্র যাকাত তাকে আদায় করতে হবে। কারণ পবিত্র যাকাত হচ্ছে ফরযের অন্তর্ভুক্ত।

আর ফরযের ক্বাযা আদায় করাও ফরয। বিগত বছরগুলির পবিত্র যাকাতের হিসেব যদি থেকে থাকে তাহলে সে অনুযায়ী পবিত্র যাকাত আদায় করবে। আর যদি বিগত বছরগুলির কোন হিসেব না থেকে থাকে তাহলে বর্তমানে যে সময়ে সে ব্যক্তি পবিত্র যাকাত আদায় করবে, সেই সময়ের স্বর্ণ ও রূপার মূল্য অনুযায়ী বিগত সমস্ত বছরের পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

অর্থাৎ বিগত বছরগুলিতে তার যে পরিমাণ সম্পদ ছিলো তা হিসাব করে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে।

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।