সুওয়াল : যদি কারও একাধিক বাড়ী থাকে অর্থাৎ এক বাড়ীতে সে থাকে এছাড়া আরো বাড়ী তার মালিকানায় রয়েছে। তা অ্যাপার্টমেন্টও হতে পারে অথবা বাড়ীও হতে পারে। তবে তাকে কিভাবে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে?

সংখ্যা: ২৪২তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ গোলাম রব্বানী, কুমিল্লা

 সুওয়াল : যদি কারও একাধিক বাড়ী থাকে অর্থাৎ এক বাড়ীতে সে থাকে এছাড়া আরো বাড়ী তার মালিকানায় রয়েছে। তা অ্যাপার্টমেন্টও হতে পারে অথবা বাড়ীও হতে পারে। তবে তাকে কিভাবে পবিত্র যাকাত আদায় করতে হবে?


জাওয়াব : নিজের থাকার জন্য হোক অথবা ভাড়া দেয়ার জন্য হোক- এ প্রকার কোনো স্থাবর সম্পত্তির যাকাত দেয়ার নিয়ম শরীয়তে নেই। তবে কেউ যদি অতিরিক্ত বাড়ী, ঘর অথবা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া দেয়, তাহলে রক্ষণাবেক্ষণের খরচের পর অতিরিক্ত যে ভাড়ার টাকা জমা থাকবে তা যদি নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর অতিবাহিত হয়; তখন উক্ত টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। অন্যথায় পবিত্র যাকাত ফরয হবে না। যাকাত ফরয না হলে আদায়ও করতে হবে না। তবে যদি ব্যবসার জন্য হয় তাহলে তার মূল্য হিসেব করে সে টাকার পবিত্র যাকাত দিতে হবে। যদি তা নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর পূর্ণ হয়। (সমূহ হাদীছ শরীফ, তাফসীর শরীফ ও ফিক্বাহর কিতাব দ্রষ্টব্য)

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।