সুওয়াল : মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১০ম খলীফা এবং খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ১১তম খলীফা এবং ‘আস সাফফাহ’ লক্বব মুবারক উনার অর্থ, ব্যাখা-বিশ্লেষণ ও মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনিই যে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহান খলীফা ‘হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম’ এবং উনার মুবারক উছীলায় যে, অবশ্যই অবশ্যই বর্তমান যামানায় সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠিত হবে এ সম্পর্কে দলীল ভিত্তিক বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

সংখ্যা: ২৪২তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ রূহুল কুদুস, বগুরা।

ডা. মুহম্মদ আওক্বাত আলী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।

 সুওয়াল : মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১০ম খলীফা এবং খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ১১তম খলীফা এবং ‘আস সাফফাহ’ লক্বব মুবারক উনার অর্থ, ব্যাখা-বিশ্লেষণ ও মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনিই যে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহান খলীফা ‘হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম’ এবং উনার মুবারক উছীলায় যে, অবশ্যই অবশ্যই বর্তমান যামানায় সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠিত হবে এ সম্পর্কে দলীল ভিত্তিক বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।


জাওয়াব :

(পূর্ব প্রকাশিতের পর- ১৬)

‘সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি বাংলাদেশতো অবশ্যই; এমনকি সারা পৃথিবীতে, সারা কায়িনাতে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠা করবেনই করবেন ইনশাআল্লাহ।’ সুবহানাল্লাহ :

তৃতীয় প্রমাণ:

সমস্ত খলীফাগণ উনাদের সাইয়্যিদ, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি সারা পৃথিবীব্যাপি, সারা কায়িনাতব্যাপি যেই মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারক জারী করবেন, সেই মহাসম্মানিত খিলফত মুবারকই উনার সুমহান আওলাদ, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত শাহযাদা ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও উনার পরবর্তী মুবারক বংশধর আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার পর্যন্ত যেয়ে পৌঁছবে। সুবহানাল্লাহ! হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি সেই মুবারক ধারাবাহিকতায়ই খলীফা হবেন এবং উনার সময় যেই ফিতনাটা থাকবে সেই ফিতনাটাকে তিনি মিটিয়ে দিবেন। উনাকে নতুন করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক জারী করতে হবে না। সুবহানাল্লাহ!

আর এখান থেকেই এই বিষয়টি অত্যান্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, ১২তম খলীফা হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি যিনি সর্বকালের, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক বংশধর আলাইহিমুস সালাম উনাদের অর্ন্তভুক্ত হবেন। সুবহানাল্লাহ! সেটাই ‘আবূ দাঊদ শরীফসহ’ আরো অন্যান্য বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ উনাদের কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে এসেছে-

قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ يَكُوْنُ اخْتِلاَفٌ عِنْدَ مَوْتِ خَلِيفَةٍ فَيَخْرُجُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ هَارِبًا إِلَى مَكَّةَ فَيَأْتِيهِ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ فَيُخْرِجُوْنَهُ وَهُوَ كَارِهٌ فَيُبَايِعُوْنَهُ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ.

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শেষ যামানায় একজন সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ মুবারক উনার সময় নেতৃস্থানীয় লোকদের মধ্যে আর একজন খলীফা মনোনীত করার ব্যাপারে ইখতিলাফ তথা মতবিরোধ দেখা দিবে। তখন এক ব্যক্তি তথা হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি নিজেকে গোপন রাখার উদ্দেশ্যে সম্মানিত মদীনা শরীফ থেকে সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন। এই সময় সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার সম্মানিত অধিবাসী উনারা উনাকে খুঁজে বের করবেন। কিন্তু তিনি তা পছন্দ করবেন না। (প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম। তিনি নিজেকে গোপন রাখতে চাইবেন। কিন্তু উনার মুবারক কর্মকাণ্ডে এবং সম্মানিত চেহারা মুবরক উনার নূরানী জ্যোতির্ময় আলোকে লোকেরা চিনে ফেলবেন যে, ইনিই হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম।) অতঃপর রুকনে ইয়ামেন ও মাক্বামে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনাদের মধ্যবর্তী স্থানে লোকেরা উনার কাছে বায়াত গ্রহণ করবেন।” (আবূ দাউদ, আহমদ, আবূ ইয়ালা, ত্ববারনী, আবী শায়বা, ছহীহ ইবনে হিব্বান, আব্দুর রাজজাক, মাজমাউঝ ঝাওয়াইদ, আস সুনানুল ওয়ারিদা ফিল ফিতান, আখবারিল মাহদী লিস সুয়ূত্বী, জামিউল আহাদীছ লিস সুয়ূত্বী, জামউল জাওয়ামি’ লিস সুয়ূত্বী, কানযুল উম্মাল, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)

আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে, একজন সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ মুবারক গ্রহণ করার সময় ইখতিলাফ দেখা দিবে যে, উনার পরে কে খলীফা হবেন। তখন হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি নিজেকে গোপন রাখার উদ্দেশ্যে সম্মানিত মদীনা শরীফ থেকে সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার দিকে রওয়ানা দিবেন। আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত এই সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনিই হচ্ছেন, সেই সুমহান খলীফা আলাইহিস সালাম যিনি সাইয়্যিদুল খুলাফা, মুজাদ্দিদে আ‘যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক বংশধর আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার মুবারক ধারাবাহিকতায় সপ্তম খলীফা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন এবং অত্যান্ত ন্যায় ও সম্মানিত ইনসাফ মুবারক উনার সাথে সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনা করবেন। ইতঃপূর্বে আমরা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সেই বিষয়টি আলোচনা করেছি। আর উক্ত সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত সপ্তম খলীফা আলাইহিস সালাম তিনিই হচ্ছেন, আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! আর উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ মুবারক গ্রহণ করার সময় উনার সম্মানিত সভাসদ উনাদের মধ্যে ইখতিলাফ দেখা দিবে যে, উনার পরে কে খলীফা হবেন। তখন হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি নিজেকে গোপন রাখার লক্ষ্যে সম্মানিত মদীনা শরীফ থেকে সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। আর এখান থেকে এই বিষয়টিও অত্যান্ত সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত হচ্ছে যে, আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার সাথে হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার রক্ত মুবারকগত বা নছব মুবারকগত দিক থেকে সম্পর্ক থাকবে, যার কারণে এই সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ মুবারক গ্রহণ করার সময় হযরত ইমাম মাহদী আলইহিস সালাম তিনি এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হবেন যে, তিনি যদি এখন সম্মানিত মদীনা শরীফ অবস্থান করেন, তাহলে এই সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ মুবারক উনার পর উনাকে খলীফা হতে হবে অথবা সম্মানিত সভাসদগণ উনারা এবং অন্যান্য লোকেরা উনাকে অবশ্যই খলীফা মনোনীত করতে চাইবেন। যার কারণে তিনি তখন নিজেকে গোপন রাখার লক্ষ্যে সম্মানিত মদীনা শরীফ থেকে সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবেন।

এখান থেকে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে যে, আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম উনার সাথে হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার অবশ্যই অবশ্যই রক্ত মুবারকগত বা নছব মুবারকগত দিক থেকে সম্পর্ক থাকবে। আর আলোচ্য সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত সম্মানিত হযরত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনি যেহেতু সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক বংশধর হবেন। তাই এখান থেকেও অত্যান্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনিও আবুল খুলাফা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক বংশধর হবেন। সুবহানাল্লাহ!

সুতরাং উপরোক্ত সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের থেকে দিবালোকের ন্যায় অত্যান্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনিতো অবশ্যই অবশ্যই সারা পৃথিবীতে, সারা কায়িনাতে মহাসম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠা করবেনই এবং সুদীর্ঘ বছর যাবত সারা পৃথিবীব্যাপি, সারা কায়িনাতব্যাপি সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনা করবেনই; শুধু তাই নয়, উনার পর উনার সুমহান আওলাদ খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল খলাফা, আবুল খুলাফা, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত শাহযাদাহ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি খলীফা হবেন এবং তিনিও সুদীর্ঘ বছর যাবত সারা পৃথিবীব্যাপি, সারা কায়িনাতব্যাপি সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনা করবেন। অতঃপর সেই সম্মানিত খিলাফত মুবারকই উনার পরবর্তী মুবারক বংশধর আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে পর্যায়ক্রমে ১২তম খলীফা হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার পর্যন্ত যেয়ে পৌঁছবে। সুবহানাল্লাহ!

হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি সেই মুবারক ধারাবাহিকতায়ই খলীফা হবেন। উনাকে নতুন করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক জারী করতে হবে না। উনার সময় যে ফিতনটা প্রকাশ পাবে তিনি শুধু সেটাকে মিটিয়ে দিবেন। আর তিনিও হবেন সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক বংশধর আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!

তাই প্রত্যেকের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক হাতে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বায়াত গ্রহণ করা এবং উনাকে ইতায়াত তথা অনুসরণ-অনুকরণ করা।

সুমহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক উসীলায় আমাদের সবাইকে কবূল করুন। আমীন!

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।