সুওয়াল: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের ঈমানদার ও জান্নাতী হওয়ার বিষয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা কি?

সংখ্যা: ২৪৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ মাহবূব হাসান, আড়াইহাজার, নূরানীগঞ্জ


সুওয়াল: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের ঈমানদার ও জান্নাতী হওয়ার বিষয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা কি?

জাওয়াব: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বা হযরত আব্দুল্লাহ যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম এবং উনার সম্মানিতা আম্মা হযরত আমিনাহ আলাইহাস সালাম উনারা হচ্ছেন ঈমানের মালিক এবং জান্নাতেরও মালিক। অর্থাৎ উনাদের প্রতি সুধারণা পোষন না করা পর্যন্ত কেউ ঈমানদার বলে গণ্য হবে না। আর উনারাই হচ্ছেন জান্নাতের মালিক অর্থাৎ উনাদের যিনি একমাত্র আদরের সন্তান উনার উসীলায় জান্নাত সৃষ্টি হয়েছে।

কাজেই যেই সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের প্রিয় সন্তান নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উসীলায় জান্নাত সৃষ্টি হয়েছে উনারই আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনারাই যদি জান্নাতী না হন তাহলে আর কারো পক্ষেই জান্নাতী হওয়া সম্ভব নয়।

অতএব, উনাদের ঈমানদার ও জান্নাতী হওয়ার ব্যাপারে কোন মুসলমানের কোন সংশয় সন্দেহ থাকতে পারে না। যারা কাফির পথভ্রষ্ট কেবল তারাই উনাদের ঈমানদার ও জান্নাতী হওয়ার ব্যাপার সন্দেহ বা চু-চেরা করতে পারে।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ৮২তম সংখ্যা পাঠ করুন।

সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগ

সুওয়াল: যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে আমাদের এলাকায় এক ওয়াজ মাহফিলে জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টিকে অস্বীকার করে এবং বলে যে, “ছায়া ছিলনা” সম্পর্কিত বর্ণনাসমূহ নাকি মিথ্যা ও বানোয়াট। নাউযুবিল্লাহ! এখন জানার বিষয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া না থাকার বিষয়টি যারা অস্বীকার করবে তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার কি ফায়ছালা? আর ছায়া ছিল না সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহ কোন পর্যায়ের? বিস্তারিতভাবে দলীলসহকার জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়াকে কেউ কেউ ফরয বলেন, কেউ কেউ সুন্নত বলেন, আবার অনেককে মুস্তাহাব বলতেও শোনা যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনটি সঠিক? দলীল সহকারে জানিয়ে বাধিত করবেন।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রƒপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।

সুওয়াল: উছমান গণী ছালেহী মৌলুভী নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন দিন সবুজ পাগড়ী পরিধান করেননি এবং সবুজ পাগড়ী সম্পর্কে কোন হাদীছ শরীফও বর্ণিত নেই। উক্ত মৌলভীর বক্তব্য কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।