মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিনসমূহ সারা কায়িনাতের স্মরণ করা উচিত। সরকার রাষ্ট্রীয় খরচে বাংলাদেশের নিজস্ব ৪৭টি দিবস এবং জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে ৮৮টি আন্তর্জাতিক দিবসের ব্যাপক প্রচারণায় বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা ও বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। অথচ সরকারের উচিত ছিল ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে এদেশের ইসলামী দিবস সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা এবং জজবা ও মুহব্বত তৈরি করা এবং উক্ত দিবসগুলো পালনে সরকারিভাবে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করা এবং বেসরকারিভাবে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা।

সংখ্যা: ২৪৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিনসমূহ সারা কায়িনাতের স্মরণ করা উচিত। সরকার রাষ্ট্রীয় খরচে বাংলাদেশের নিজস্ব ৪৭টি দিবস এবং জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে ৮৮টি আন্তর্জাতিক দিবসের ব্যাপক প্রচারণায় বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা ও বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। অথচ সরকারের উচিত ছিল ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে এদেশের ইসলামী দিবস সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা এবং জজবা ও মুহব্বত তৈরি করা এবং উক্ত দিবসগুলো পালনে সরকারিভাবে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করা এবং বেসরকারিভাবে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা।


সাধারণত জাতিসংঘ কর্তৃক চালু করা ও উদযাপিত দিবসগুলোই “আন্তর্জাতিক দিবস” হিসেবে উদযাপিত হয়ে থাকে। জাতিসংঘের অন্যতম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এই দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকে বলে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হয়। অথচ একদিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম; অপরদিকে এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। কিন্তু এদেশের সরকার মুখে দাবি করলেও কার্যতঃ মুসলমানদের পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে পালনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা করে না। সরকার রাষ্ট্রীয় খরচে বাংলাদেশের নিজস্ব ৪৭টি দিবস এবং জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে ৮৮টি আন্তর্জাতিক দিবসের ব্যাপক প্রচারণায় বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা ও বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে এবং অনেক দিন ছুটিও দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে মুসলমানদের ধর্মীয় ঐচ্ছিক ছুটি ৫ দিন অথচ খ্রিস্টান ও হিন্দুদের ৮ দিন। নাঊযুবিল্লাহ!

অথচ সরকারের উচিত ছিল- ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে এদেশের ইসলামী দিবস সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা এবং জজবা ও মুহব্বত তৈরি করা এবং উক্ত দিবসগুলো পালনে সরকারিভাবে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করা এবং বেসরকারিভাবে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান- “মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসসমূহকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মারইয়াম শরীফ উনার পবিত্র ১৫ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক ফরমান- “উনার প্রতি শান্তি-সালাম অবারিত ধারায় বর্ষিত হোক, যেদিন তিনি বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন ও যেদিন তিনি বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন; আবার যেদিন তিনি জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবেন।” সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না। (আর তোমাদের পক্ষে তা দেয়াও সম্ভব নয়) তবে যেহেতু তোমাদের ইহকাল ও পরকালে নাজাত লাভ করতে হবে, মুহব্বত-মা’রিফাত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে হবে, সেহেতু তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- আমার নিকটজন তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদ আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রতি তোমরা সদাচারণ করবে।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)

এসব পবিত্র আয়াত শরীফ থেকে প্রত্যেক ঈমানদার মুসলমানসহ কায়িনাতের সকলের জন্যই উপলব্ধি করা জরুরী যে, হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিলাদত ও বিছাল শরীফ উভয়টিই উম্মতের তথা কায়িনাতের জন্য বেমেছাল ফযীলত, ইতমিনান ও রহমত হাছিল এবং নিয়ামত মুবারক হাছিলের কারণ।

প্রসঙ্গত, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কতিপয় বিশেষ দিন উল্লেখ করা হলো। প্রত্যেক মুসলমানেরই উচিত এসব দিনের ফযীলত ও বরকত হাছিলে অগ্রণী হওয়া-

১ মুহররমুল হারাম শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস।

২ মুহররমুল হারাম শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।

৫ মুহররমুল হারাম শরীফ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত নানী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।

৮ মুহররমুল হারাম শরীফ: বিনতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।

১০ মুহররমুল হারাম শরীফ: পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ।

২৫ মুহররমুল হারাম শরীফ: ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাত দিবস।

* পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ: পবিত্র ছফর মাসের শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার হলো পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ- এই দিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিহহাতী শান মুবারককে গ্রহণ করেন।

২৮ ছফর শরীফ: ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাত দিবস এবং ক্বাইয়্যুমে আউওয়াল, আফযালুল আউলিয়া, বুরহানুদ্দিন, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।

১ রবীউল আউওয়াল শরীফ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মক্কা শরীফ হতে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে মুবারক হিজরত দিবস।

৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ: সাইয়্যিদাতুন নিসা, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন, হাবীবাতুল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১০ রবীউল আউওয়াল শরীফ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ গ্রহণ দিবস এবং সাইয়্যিদুনা ইবনু রসূলিল্লাহ হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ গ্রহণ দিবস।

১১ রবীউল আউওয়াল শরীফ: ফখরুল উলামা, ইমামুছ ছরফ, সুলতানুল আরেফিন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ রুকনুদ্দীন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ।

১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ: কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১৩ রবীউল আউওয়াল শরীফ: আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস এবং সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস।

১১ রবীউছ ছানী শরীফ: গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস বা পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম।

১৯ রবীউছ ছানী শরীফ: লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ: শাহদামাদে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

২০ জুমাদাল উখরা শরীফ: লখতে জিগারে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামিন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, বতুল, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

২২ জুমাদাল উখরা শরীফ: আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস।

১ রজবুল হারাম শরীফ: দোয়া কবুলের পাঁচটি পবিত্র রাতের মধ্যে একটি অন্যতম পবিত্র রাত।

* পবিত্র রজব মাস উনার ১ম জুমুয়ার রাত: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ মুবারক রাতে উনার আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র রেহেম শরীফ উনার মধ্যে তাশরীফ গ্রহণ করেন। এই দিনটিকে লাইলাতুর রাগায়িব শরীফ বলা হয়।

৬ রজবুল হারাম শরীফ: সপ্তম হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, হাবীবুল্লাহ, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি আযমিরী সানজেরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ দিবস।

১৩ রজবুল হারাম শরীফ: ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।

১৪ রজবুল হারাম শরীফ: ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম জা’ফর ছদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস এবং আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি আজমিরী সানজেরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিলাদত শরীফ দিবস।

২৭ রজবুল হারাম শরীফ: পবিত্র শবে মি’রাজ শরীফ এবং হযরত মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র লাইলাতুর রাগায়িব শরীফ দিবস।

৫ শা’বান শরীফ: ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস এবং ইমামুর রাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১৫ শা’বান শরীফ: ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস এবং লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা পবিত্র শবে বরাত।

২৯ শা’বান শরীফ: শাহ নাওয়াসীয়ে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম, লখতে জিগারে হযরত নক্বীবাতুল উমাম ও হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিমাস সালাম, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনাদের পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১ রমাদ্বান শরীফ: গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

৩ রমাদ্বান শরীফ: লখতে জিগারে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামিন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, বতুল, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ দিবস।

৬ রমাদ্বান শরীফ: লখতে জিগারে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামিন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলছুম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ দিবস।

৯ রমাদ্বান শরীফ: লখতে জিগারে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহসি সালাম ও উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল হযরত খলীফাতুল উমাম আল-মানছুর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১৭ রমাদ্বান শরীফ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস, পবিত্র বদর জিহাদ দিবস ও পবিত্র ফতেহ মক্কা দিবস।

১৮ রমাদ্বান শরীফ: লখতে জিগারে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামিন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুকাইয়া আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ দিবস এবং সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র খিলাফত গ্রহণ দিবস।

২৭ রমাদ্বান শরীফ: পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ।

১ শাওওয়াল  শরীফ: লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর। এছাড়াও হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ দিবস।

১৯ শাওওয়াল শরীফ: ইমামুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্রতম নিকাহ মুবারক দিবস।

২১ শাওওয়াল শরীফ: উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ মুবারক দিবস।

২২ শাওওয়াল শরীফ: লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্রতম নিকাহ মুবারক দিবস।

২৫ শাওওয়াল শরীফ: উম্মু মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বায়িম মক্বামে হযরত সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আওলাদে রসূল, হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ দিবস।

১১ যিলক্বদ শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।

১৪ যিলক্বদ শরীফ: শাহদামাদে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদত শরীফ।

৭-১৩ যিলহজ্জ শরীফ: পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চতুর্থ স্তম্ভ পবিত্র হজ্জ শরীফ সম্পাদন।

৯ যিলহজ্জ শরীফ: পবিত্র আরাফা উনার দিন বা ইয়াওমে আরাফাহ।

১০ যিলহজ্জ শরীফ: পবিত্র ঈদুল আদ্বহা শরীফ।

৯-১৩ যিলহজ্জ শরীফ: আইয়ামে তাশরীক।

১৮ যিলহজ্জ শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ দিবস।

২৫ যিলহজ্জ শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ  আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস।

২৭ যিলহজ্জ শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ দিবস।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক