এই মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ॥ অতএব, অতিসত্বর হারাম খেলাধুলা বন্ধ করা হউক। আশ্চর্যের বিষয়- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে হারাম খেলাধুলা করা হচ্ছে! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান মাসে এক মুশরিক ভারতকে নিয়ে আসার পর ফের আরেক কাফির দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আসছে ক্রিকেট বোর্ড। বেছে বেছে খেলার শিডিউল ফেলা হচ্ছে সকল পবিত্র রাত ও দিনসমূহে। নষ্ট করা হচ্ছে মুসলমান উনাদের ধর্মীয় চেতনা, পবিত্র তারাবীহ’র নামায বিঘ্নিত হচ্ছে চিৎকার চেঁচামেচিতে। ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে হারাম ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি নষ্ট করার নগ্ন চক্রান্ত পুরোপুরি স্পষ্ট, যা বাংলাদেশকে রহমতশূন্য করে গযবের দিকে ঠেলে দেয়ারও কারণ। এ জঘন্য চক্রান্তকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক

সংখ্যা: ২৪৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

এই মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ॥

অতএব, অতিসত্বর হারাম খেলাধুলা বন্ধ করা হউক।

আশ্চর্যের বিষয়- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে হারাম খেলাধুলা করা হচ্ছে! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র রমাদ্বান মাসে এক মুশরিক ভারতকে নিয়ে আসার পর ফের আরেক কাফির দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আসছে ক্রিকেট বোর্ড।

বেছে বেছে খেলার শিডিউল ফেলা হচ্ছে সকল পবিত্র রাত ও দিনসমূহে।

নষ্ট করা হচ্ছে মুসলমান উনাদের ধর্মীয় চেতনা, পবিত্র তারাবীহ’র

নামায বিঘ্নিত হচ্ছে চিৎকার চেঁচামেচিতে।

৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে হারাম ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি নষ্ট করার নগ্ন চক্রান্ত পুরোপুরি স্পষ্ট, যা বাংলাদেশকে রহমতশূন্য করে গযবের দিকে ঠেলে দেয়ারও কারণ।

এ জঘন্য চক্রান্তকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান মাস উনাকে সম্মানিত মাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ পবিত্র মাসখানার প্রথম দশদিন হচ্ছে সম্মানিত ‘রহমত’ উনার, দ্বিতীয় দশদিন হচ্ছে সম্মানিত ‘মাগফিরাত’ উনার এবং সর্বশেষ দশ দিন হচ্ছে সম্মানিত ‘নাজাত’ উনার।

এ পবিত্র মাসের সম্মানার্থে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলিস শয়তানকে আবদ্ধ করে রাখেন, এ পবিত্র মাস উনার মধ্যে নাযিল হয়েছেন পবিত্র কুরআন শরীফ, এ পবিত্র মাস উনার মধ্যে রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর, এ পবিত্র মাস উনার মধ্যেই রয়েছে পবিত্র তারাবীহ উনার নামায।

এ পবিত্র মাসেই মুসলমান উনারা সবচেয়ে বেশি কুরআন শরীফ খতম করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবে এ পবিত্র মাস উনার মধ্যে মুসলমান উনাদের পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি জজবা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মসজিদের জামায়াতের সময় এত মুসল্লী হয় যে, অনেক সময় স্থান সংকুলান হয় না।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ৯৮% মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত বাংলাদেশে মুসলমান উনাদের পবিত্র মাসে একের পর এক হারাম খেলাধুলার আয়োজন করা হচ্ছে। বিশেষ করে দেখা গেছে, রমাদ্বান মাসের চাঁদ উঠার প্রথম পবিত্র রাতে (যেইদিন প্রথম তারাবীহ শুরু হয় ১৮ জুন-২০১৫)

বাংলাদেশ-ভারত হারাম ক্রিকেট খেলার প্রথম শিডিউল ফেলা হয়। নাউযুবিল্লাহ!

এরপর ৩রা রমাদ্বান শরীফ (২১ জুন-২০১৫) ফেলানো হলো আরেকটি হারাম খেলার শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ!

এরপর পবিত্র ৬ই রমাদ্বান শরীফ (২৪ জুন-২০১৫)। নাউযুবিল্লাহ! ৬ই রমাদ্বান শরীফ হলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার আদরের বিনতু অর্থাৎ আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আছ ছালিছা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত বিছাল শরীফ উনার দিবস; আর সেদিনই ফেলা হলো ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার তৃতীয় হারাম খেলার শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ!

দেখা যাচ্ছে, এ হারাম খেলার কারণে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শান-মান খেলাফ কাজগুলো ঘটে যাচ্ছে। অনেকে তারাবীহ নামায তরক করছে। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি তারাবীহ নামাযের সময় হুজুগে মাতাল বাংলাদেশীদের হারাম খেলা নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচিতে মুসল্লীদের নামায পর্যন্ত বিঘিœত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! মানুষ সারা দিন ইবাদত-বন্দেগীর কথা বাদ দিয়ে হারাম খেলার স্কোর নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করছে, অনেক ক্ষেত্রে এ পবিত্র মাসে জড়িয়ে পড়ছে পারস্পরিক সংঘর্ষে। নাউযুবিল্লাহ!

তবে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, পবিত্র রমাদ্বান মাসে এক মুশরিক ভারত যেতে না যেতে আরেক কাফির দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ (৫ জুলাই-২০১৫), যে দিন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম এবং ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস। তাছাড়া সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ অর্থাৎ বদরের জিহাদ সংঘটিত হয় এবং পবিত্র মক্কা শরীফও বিজয় হয় এদিবসে। সেই মহাপবিত্র দিনে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার হারাম খেলার প্রথম শিডিউল।

১৯ রমাদ্বান শরীফ (৭ জুলাই-২০১৫) ফেলা হয়েছে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিাকার হারাম খেলার দ্বিতীয় শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ!

২২ রামদ্বান শরীফ দিন ও ২৩ রমাদ্বান শরীফ রাতে (১০ জুলাই-২০১৫) ফেলা হয়েছে আরেকটি হারাম খেলার শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ২৩ রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন বেজোড় রাত্রি বা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার তালাশ করার দিন।

এরপর ২৪ রামদ্বান শরীফ দিন ও ২৫ রমাদ্বান শরীফ রাতে (১২ জুলাই-২০১৫) ফেলা হয়েছে আরেকটি হারাম খেলার শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ২৫ রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন বেজোড় রাত্রী বা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার আরেকটি দিন।

এরপর পবিত্র ২৭ রমাদ্বান শরীফ দিনের বেলায়ও রাখা হয়েছে হারাম খেলার শিডিউল। নাউযুবিল্লাহ! অথচ আগের রাতে সারারাত ইবাদত-বন্দেগী করার কারণে ২৭ রমাদ্বান শরীফ দিনের বেলায় সরকারি ছুটি পর্যন্ত দেয়া হয়।

এটা স্পষ্ট যে, এ পবিত্র মাসের মান-ইজ্জত নষ্ট করার জন্য এভাবে হারাম খেলার শিডিউল ফেলা হয়েছে, যেন মুসলমানগণ উনারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার থেকে দূরে সরে যায়। এখানে সবাইকে মনে রাখতে হবে, এ পবিত্র মাস হচ্ছেন পবিত্র রহমত হাসিল করার মাস। কিন্তু হারাম খেলার মাধ্যমে পুরো দেশকে রহমতশূন্য তথা গযবের দিকে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে।

৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের মুসলমান উনাদের ধর্মীয় অনুভূতি নষ্ট করার জন্য এ জঘন্য ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে যারা এ ঘৃণ্য ও নগ্ন ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত তাদের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অপরাধে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

-মুহম্মদ আমিনুর রহমান, ঢাকা

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক