যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক

সংখ্যা: ২৪৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা,

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার আলোচনা বা সম্মান মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।”

মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা-মর্তবা মুবারক বর্ণনা করে শেষ করার মতো নয়। উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক ও শ্রেষ্ঠত্বের বর্ণনা করতে গিয়ে সমুদ্রের পানিকে কালিস্বরূপ এবং সমস্ত গাছ-পালাকে কলমরূপে ব্যবহার করে সমস্ত জিন-ইনসান ক্বিয়ামত পর্যন্ত লিখতে থাকলেও সমস্ত কিছুই নিঃশেষ হয়ে যাবে, তবুও উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক বা শ্রেষ্ঠত্বের কিঞ্চিত বর্ণনাও লিখে শেষ করা যাবে না। অর্থাৎ এক কথায় উনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া সমস্ত ছানা-ছিফত মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারী হচ্ছেন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি।

আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুত ত্বীব মুবারক, পবিত্র নূরুশ শিফা মুবারক, পবিত্র নূরুল গইব মুবারক ও পবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক অর্থাৎ উনার পবিত্র জিসিম মুবারক উনার সবই ছিলো সুঘ্রাণময় ও পবিত্র থেকে পবিত্রতম নূরময়; বরং তার চেয়েও লক্ষ-কোটিগুণ বেশি। সুবহানাল্লাহ!

শুধু তাই নয়, উনার জিসিম মুবারক উনার কোনো অংশ মুবারক কারো ভিতরে প্রবেশ করার অর্থই হলো উক্ত ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম হয়ে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাওয়া। যা আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল পবিত্রতা মুবারক উনারই বাস্তব প্রমাণ।

তাজদীদ মুবারক

আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারক উনার জন্য-

যা বলতে হবে

যা বলা যাবে না

পবিত্র নূরুত ত্বীব মুবারক পবিত্র ঘাম মুবারক
পবিত্র নূরুল বারাকাত মুবারক পবিত্র থুথু মুবারক
পবিত্র নূরুশ শিফা মুবারক পবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক
পবিত্র নূরুল গইব মুবারক পবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক

 

পবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক পবিত্র রক্ত মুবারক
পবিত্র নূরুম মুহব্বত পবিত্র অশ্রু মুবারক
পবিত্র নূরুল ফাতাহ মুবারক পবিত্র চুল মুবারক
পবিত্র নূরুন নিয়ামত মুবারক পবিত্র দাড়ি মুবারক

তাই আমাদের সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যথাযথ মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম, ছানা-ছিফত ও সম্মান মুবারক প্রদর্শন করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।

 

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

এই মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ॥ অতএব, অতিসত্বর হারাম খেলাধুলা বন্ধ করা হউক। আশ্চর্যের বিষয়- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে হারাম খেলাধুলা করা হচ্ছে! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান মাসে এক মুশরিক ভারতকে নিয়ে আসার পর ফের আরেক কাফির দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আসছে ক্রিকেট বোর্ড। বেছে বেছে খেলার শিডিউল ফেলা হচ্ছে সকল পবিত্র রাত ও দিনসমূহে। নষ্ট করা হচ্ছে মুসলমান উনাদের ধর্মীয় চেতনা, পবিত্র তারাবীহ’র নামায বিঘ্নিত হচ্ছে চিৎকার চেঁচামেচিতে। ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে হারাম ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি নষ্ট করার নগ্ন চক্রান্ত পুরোপুরি স্পষ্ট, যা বাংলাদেশকে রহমতশূন্য করে গযবের দিকে ঠেলে দেয়ারও কারণ। এ জঘন্য চক্রান্তকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক