যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৭৪

সংখ্যা: ২০১তম সংখ্যা | বিভাগ:

[ মূলত যুগে যুগে মিথ্যাবাদী আর মুনাফিকরাই হক্বের বিরোধিতা করেছে, হক্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মুনাফিকদেরকে ‘কাযযাব’ বা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেছেন। যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “আল্লাহ পাক সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী।” (সূরা মুনাফিকুন-১)
উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা মুনাফিক তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আবার যারা মিথ্যাবাদী তারাই মুনাফিক। কেননা হাদীছ শরীফ-এ মুনাফিকের যে আলামত বা লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে তন্মধ্যে একটি হলো মিথ্যা কথা বলা।
মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার যারা বিরোধিতাকারী তারা উক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই পূর্ণ মিছদাক। অর্থাৎ তারা একই সাথে মুনাফিক ও কাট্টা মিথ্যাবাদী, তাই তারা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে স্মরনিকা-বার্ষিকী, পত্র-পত্রিকা ও বক্তৃতার মাধ্যমে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়।]
(ধারাবাহিক)

মিথ্যাবাদী তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক শামছুল হকের মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জাওয়াব

২। প্রসঙ্গ: বিদয়াতী

মিথ্যাবাদী, বিদয়াতী, জাহিল, তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু…. আরো লিখেছে, “তাঁর আল বাইয়্যিনাত পত্রিকা পড়লে জানা যায় যে তিনি একজন পাক্কা বিদয়াতী।” নাঊযুবিল্লাহ!

“খণ্ডনমূলক জবাব”

তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক শামছু মিয়ার মিথ্যাচারিতা, জিহালতী ও প্রতারণাময় চেহারা এখানেও প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। কারণ সে রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনাকে ‘বিদয়াতী’ বলে মিথ্যা তোহমত দিয়েছে, অথচ তার কোন্ কাজটা বিদয়াত তা উল্লেখ করেনি বা করতে পারেনি।
মূলত তথাকথিত মুফতী শুধু নয় তার সকল গোষ্ঠীর প্রতি চ্যালেঞ্জ রইল তারা যদি রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার একটি কাজও কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের দৃষ্টিতে বিদয়াত বা বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ প্রমাণ করতে পারে, তবে তাদেরকে “একশ কোটি টাকা” পুরস্কার দেয়া হবে। কিয়ামত পর্যন্ত কোশেশ করেও তারা তা প্রমাণ করতে পারবেনা। ইনশাআল্লাহ।
উল্লেখ্য, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি মাথার তালু মুবারক থেকে পায়ের তলা মুবারক পর্যন্ত অর্থাৎ পোশাক-পরিচ্ছদ, ছূরত-সীরত, চলা-ফেরা, উঠা-বসা, কথা-বার্তা, ইবাদত-বন্দেগী সর্বক্ষেত্রেই সুন্নতের পরিপূর্ণ ইত্তিবা করেন। শরীয়ত বা সুন্নতের খিলাফ কোন কাজই করেন না। তিনি যা করেন তার প্রত্যেকটার পিছনেই নির্ভরযোগ্য অসংখ্য দলীল-আদিল্লাহ রয়েছে।
তিনি নাজায়িয বা বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ আমল নিজেও যেরূপ করেন না, তদ্রুপ জন সাধারণকেও নাজায়িয ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ আমল থেকে ওয়াজ মাহফিলে, লিফলেট ছড়িয়ে, কিতাব লিখে, সর্বোপরি দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মাধ্যমে বিশেষভাবে সতর্ক করে থাকেন। যেমন- তিনি ফতওয়া দিয়েছেন ও প্রচার করে থাকেন যে, মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহ যাওয়া বা ঘর থেকে বের হওয়া মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। তাহাজ্জুদ নাযায জামায়াতে পড়া নাজায়িয মাকরূহ ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। ফজর নামাযে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা হারাম ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। ইসলামের নামে হরতাল, লংমার্চ, গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচন করা কুশপুত্তলিকা দাহ করা, ছবি তোলা, টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করা হারাম ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ। অনুরূপ আরো বহু বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ আমল সম্পর্কে তিনি দলীলের দ্বারা সতর্ক করে থাকেন।
সুতরাং যিনি সর্বদা বা দায়িমীভাবে শরীয়ত তথা সুন্নতের অনুসরণ করেন ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বা শরীয়ত বিরোধী কাজের বিরোধিতা করেন, উনাকে ‘বিদয়াতী’ বলে তোহমত দেয়া চরম মিথ্যাচারিতা, জালিয়াতি, প্রতারণা, জিহালতী ও কুফরী নয় কি?
আসলে যে যেরূপ সে অন্যকে তদ্রুপই মনে করে থাকে। তথাকথিত মুফতী “শামছু…”  ও তার গোষ্ঠীরাই মূলত পাক্কা বিদয়াতী তাই তারা অন্যকেও বিদয়াতী মনে করে। কারণ তাদের টুপি, কোর্তা, ছূরত-সীরত, আমল-আখলাকে প্রচুর বিদয়াত রয়েছে। যেমন তারা কিস্তি, পাঁচ কল্লি, জালি টুপি মাথায় দেয়, কোণা ফাড়া কোর্তা পরিধান করে, মাথার চুল, মোচ মুণ্ডন করে যা সুন্নত নয়। সাথে সাথে মহিলাদের জামায়াত, তাহাজ্জুদের জামায়াত, কুনূতে নাযেলা, হরতাল, লংমার্চ, গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচন, কুশপুত্তলিকাদাহ করা, ছবি তোলা টিভি, চ্যানেলে প্রোগ্রাম করা, বেপর্দা হওয়াসহ বহু বিদয়াত ও শরীয়ত বিরোধী কাজে তারা দায়িমীভাবে মশগুল।
অতএব, প্রমাণিত হলো যে, তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু….র বক্তব্য ডাহা মিথ্যা ও প্রতারণামূলক। মুলত কথিত মুফতী, মিথ্যাবাদী “শামছু…” ও তার সমগোত্রীয়রাই পাক্কা বিদয়াতী। যা আমরা নির্ভরযোগ্য দলীল দ্বারা প্রমাণ করতে সক্ষম। ইনশাআল্লাহ।

৩. প্রসঙ্গ: ইলমে লাদুন্নী

ভণ্ড, গোমরাহ, মিথ্যাবাদী, তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক ‘শামছু…’ লিখেছে, “… . ইলমে লুদুনীর দাবি করে ….. তার ইলমে লুদুনীর দাবি মিথ্যা।”
খণ্ডনমূলক জবাব
গণ্ড মূর্খ, তাছাউফ শূন্য, ফাসিক, মিথ্যবাদী, কথিত ও স্বঘোষিত মুফতী “শামছু” যে লিখেছে, “…. ইলমে লুদুন্নীর দাবি করেন।” তার এ বক্তব্যটি শুধু মিথ্যাই নয়, বরং ডাহা মিথ্যা ও সাজানো। সে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সময়েও প্রমাণ করতে পারবেনা যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী স্বয়ং নিজেকে উদ্দেশ্য করে হুবহু অনুরূপ কথা বলেছেন। তথাকথিত মুফতী “শামছু….”র প্রতি তা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ রইল।
তবে হ্যাঁ হক্কানী ওলীআল্লাহ মাত্রই ইলমে লাদুন্নীর অধিকারী। অর্থাৎ হক্কানী ওলীগণ উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক ইলমে লাদুন্নী বা খোদায়ী ইলম দান করে থাকেন। তার প্রমাণ পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এই রয়েছে। যেমন- মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এর “সূরা কাহাফ”-এর ৬৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন,

وعلمناه من لدنا علما

অর্থাৎ- “আমি উনাকে (আমার ওলী হযরত খিযির আলাইহিস্ সালাম উনাকে) ইলমে লাদুন্নী বা খোদায়ী ইলম দান করেছি।”
অনুরূপ পূর্ববর্তী অনুসরণীয় সকল আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম-উনাদের জীবনী মুবারক-এই ইলমে লাদুন্নীর প্রমাণ পাওয়া যায়।
অতএব, মহান আল্লাহ পাক যদি কাউকে ইহসান বা দয়া করে ইলমে লাদুন্নী বা খোদায়ী ইলম দান করেন। আর তিনি যদি ইলমে লাদুন্নীর দাবি করেন। ভণ্ড, গোমরাহ, মিথ্যাবাদী, জাহিল, কথিত ও স্বঘোষিত মুশরিক শামছুল হক কি দলীল দ্বারা প্রমাণ করতে পারবে যে, উনার উক্ত ইলমে লাদুন্নীর দাবি করাটা শরীয়তের খিলাফ? কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের কোথাও কি ইলমে লাদুন্নীর দাবি করা অসম্ভব, শরীয়ত বিরোধী ও নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ আছে? কোথাও নেই। যদি তাই হয়ে থাকে তবে কথিত ও স্বঘোষিত মুফতী “শামছু”…র উক্ত সমালোচনার কি মূল্য থাকতে পারে!
দ্বিতীয়ত জাহিল “শামছু…” লিখেছে, “… তার ইলমে লুদুন্নীর দাবি মিথ্যা।”
আবূ জাহিল, আবূ লাহাবসহ সকল কাফিরেরাও বলতো যে, “আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ইলমে ওহীর দাবি মিথ্যা। তিনি নিজে বানিয়ে ও জ্বিনের কাছ থেকে শেখা কথাগুলোই ইলমে ওহী বলে প্রচার করছেন।” নাঊযুবিল্লাহ! কাফিরেরা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ইলমে ওহীকে মিথ্যা বলার পিছনে বহু কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে অন্যতম প্রধান ও মূল কারণ হচ্ছে কাফিরেরা ইলমে ওহী, ইলমে ওহীর ধরন ইত্যাদি সম্পর্কে ছিল নেহায়েতই অজ্ঞ। অর্থাৎ ‘ইলমে ওহী’ সম্পর্কিত কোন জ্ঞান বা অনুভূতিই তাদের ছিলনা। তাই তারা সেটাকে অস্বীকার করেছে বা মিথ্যা সাব্যস্ত করতে চেয়েছে।
তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক, ফাসিক মুফতীর অবস্থাও ঠিক সেই কাফিরদেরই মত। অর্থাৎ সে মুখে ‘ইলমে লুদুন্নী, ইলমে লুদুন্নী’ বলে ফেনা তুললেও ইলমে লাদুন্নী কি? ইলমে লাদুন্নী কিভাবে হাছিল হয়, কোন ব্যক্তির হাছিল হয়, কখন হাছিল হয় ইত্যাদি সম্পর্কে সে নেহায়েতই অজ্ঞ ও মূর্খ। অর্থাৎ “ইলমে লাদুন্নী” সম্পর্কিত কোন জ্ঞান বা অনুভূতিই তার নেই। আর থাকবেই বা কি করে। কারণ সে তো সম্পূর্ণরূপেই ‘ইলমে তাছাউফ ও রূহানিয়াত শূন্য’। অথচ ‘ইলমে লাদুন্নী’ সম্পূর্ণরূপেই ইলমে তাছাউফ ও রূহানিয়াতের সাথে সম্পর্কযুক্ত। অর্থাৎ ইলমে তাছাউফ ও রূহানিয়াত যিনি যত বেশি হাছিল করতে পারবেন বা মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাথে যাঁর যত বেশি রূহানী সম্পর্ক থাকবে তিনি তত বেশি ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত হবেন বা তার ইল্মে লাদুন্নীর ব্যাপকতা ও প্রখরতা হবে ততবেশী।
মুলত ইল্মে লাদুন্নীর ব্যাপারে কথিত ও স্বঘোষিত মুফতী “শামছু…”র ক্ষেত্রে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার সেই আলোড়ন সৃষ্টিকারী বাণীই প্রযোজ্য। তিনি বলেছেন, “এ ঘর রঙিন আর তুমি নাবালক।” অর্থাৎ বাসর ঘর সম্পর্কে যেরূপ নাবালকের কোন জ্ঞান বা অনুভূতি নাই। তদ্রুপ ইলমে লাদুন্নী, ইলমে তাছাউফ ও রূহানিয়াত সম্পর্কেও তথাকথিত মুফতী “শামছু…” র কোন জ্ঞান বা অনুভূতি নেই। কারণ সে এ ব্যাপারে শুধু নাবালকই নয় বরং সদ্যপ্রসূত।
তাছাড়া মিথ্যাবাদী, স্বঘোষিত মুফতী ‘শামছু…” যে লিখলো “তার ইলমে লাদুন্নীর দাবি মিথ্যা” তার এ কথার দলীল কোথায়? সে কি কখনো রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার সাথে এ ব্যাপারে বাহাছ করেছে? বাহাছ করা তো দূরের কথা মিথ্যাবাদী মুফতী শামছু কখনো ভয়ে উনার সামনেই দাঁড়ায়নি। তাহলে সে কিসের ভিত্তিতে ‘মিথ্যা’ বললো? বিনা দলীলে কারো ব্যাপারে কোন মন্তব্য করা জিহালতী, গোমরাহী ও মিথ্যাচারিতা নয় কি?
স্বঘোষিত মুফতী “শামছু  …”র মতে তো রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী আলিম নন। কিতাব পড়েননি তাঁর ইলমে লাদুন্নী নেই। তাহলে সে জানিয়ে দিক কবে, কখন, কি বিষয় নিয়ে সে বাহাছ করবে? যদি সে ভয় পায় তবে তার কথিত মাওলানাকে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে নিয়ে আসুক। তখনই মূলত প্রমাণিত হবে যে, কে আলিম, কে কিতাব পড়েছে, কে ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত। যদি সে আমাদের এ চ্যালেঞ্জ গ্রহন না করে তবে প্রমাণিত হবে যে, সে মিথ্যাবাদী, প্রতারক, জাহিল ও ভণ্ড। কাজেই যৎসামান্য ইলমে জাহিরের কারণে বড়ত্ব জাহির করতে যেয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া কখনই জ্ঞানী লোকের কাজ নয়। কারণ তথাকথিত মুফতীর ইলমই শেষ ও চূড়ান্ত ইল্ম নয়। এরপরও আরো ইল্ম রয়েছে। যার  ধারে কাছেও স্বঘোষিত মুফতী যেতে পারে নাই।
মূলত স্বঘোষিত মুফতী “শামছু”র অবস্থা হয়েছে, “কুয়োর ব্যাঙের মত।” কুয়োর ব্যাঙ কুয়োতে থেকে মনে করে এটাই বুঝি মহাসমুদ্র। অথচ মহাসমুদ্র কতদূরে। কারণ কুয়োর পর ডোবা, নালা, বিল, পুকুর, দিঘি, খাল, নদ-নদী রয়েছে এরপর উপসাগর তার পর সমুদ্র এরপর মহা সমুদ্র। কাজেই কুয়োর ব্যাঙের নিকট মহা সাগরের অস্তিত্বের দাবি যেরূপ মিথ্যা। তদ্রুপ কুয়োর ব্যাঙরূপী  যৎসামান্য ইলমে জাহিরের দাবিদার স্বঘোষিত ও ভুয়া মুফতী “শামছু…র” নিকট হক্কানী ওলীআল্লাহর ইল্মে লাদুন্নীর অস্তিত্বও সেরূপ যে মিথ্যা হবে এটাই স্বাভাবিক।

-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইসহাক, বাসাবো, ঢাকা।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক