বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-৩২

সংখ্যা: ২০১তম সংখ্যা | বিভাগ:

হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস, ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

বর্তমানে ইসলামের নামে বা মুসলমানের ছূরতে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে বা মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করণে ইহুদী-নাছারাদের খাছ দালাল বা এজেন্ট হয়ে যারা কাজ করছে তারা হলো-   ১. কাদিয়ানী ২. শিয়া, ৩. ওহাবী।

 

ওহাবী বাতিল ফিরক্বা

বর্তমানে ইসলামের ছূরতে মুসলমানের ঈমান-আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যে দলটি, সেটি হচ্ছে- ‘ওহাবী ফিরক্বা’। অর্থাৎ ইবনে ওহাব নজদীর অনুসারীরা। আমাদের আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া মুতাবিক ওহাবীরা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। কারণ তাদের আক্বীদা ও আমল আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের খিলাফ।

ইবনে ওহাব ইহুদী দালাল ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপারের স্বীকারোক্তি

শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিস্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা যার মূলে থাকে খ্রিস্টীয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ সৃষ্টির মূলে থাকে একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপার। মিসর, ইরাক, ইরান, হেজাজ ও তুরস্কে তার গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য। “Confession of British Spy and British enmity against Islam” গ্রন্থ হচ্ছে হেমপারের স্বীকারোক্তিমূলক রচনা। মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মতামত বিভাগে ১২৪তম সংখ্যা থেকে ১৭৭তম সংখ্যায় তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হলো-

 

নজদীর নতুন মতবাদ প্রচার:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
আমি তাকে বললাম: নুবুওওয়াতের প্রাথমিক দিনগুলোতে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার দুশমন আপনার দুশমনের চাইতে বেশি শক্তিশালী ছিল। কিন্তু তিনি তাদের সৃষ্ট সমস্যা ও বিপদাপদগুলোকে অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে সহ্য করতে থাকেন। এ কষ্ট, অপবাদ, দুর্নাম রটনাকারীদের সহ্য করা ছাড়া কোন দীর্ঘ পথ অতিক্রম ও উচ্চ মর্যাদা লাভ করা দুরূহ ব্যাপার। আমার সফলতার অন্যদিক হল- শায়খের বিরোধীদের থেকে অর্থের বিনিময়ে তাদের চক্রান্তগুলো জেনে নেয়া। একবার শায়খের বিরোধী পক্ষের ১২৬ ব্যক্তি শায়খকে হত্যা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। আমি দ্রুততার সাথে হস্তক্ষেপ করে তাদের চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দেই। এমনকি তাদের এমনি লজ্জিত করি যে, তারা শায়খের অনুকুল হয়ে যায়। আর অনেকেই চক্রান্তকারীদের সহযোগিতা পরিত্যাগ করে। অবশেষে ইবনে আব্দুল ওহাব আমাকে শান্তনা দিলো যে, পনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া ছয় দফা প্রোগ্রামকে কার্যকরী করার জন্য নিজের পূর্ণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। তবে দুটি দফা সম্পর্কে তিনি আশানুরূপ আশ্বাস দেননি। তন্মধ্যে একটি হল- মক্কা বিজয়ের পর কাবা ঘর ধ্বংস করা, শায়খের নিকট এ কাজটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ছিল। কেননা মুসলমানগণ এত তাড়াতাড়ি তাকে মানতে রাজী ছিলনা। আর এ অবস্থায় হজ্জকে মূর্তি পূজা বলে গণ্য করার চেষ্টা নিহিত ছিল। দ্বিতীয় কাজটি তার সাধ্যের বাইরে ছিল, তাহলো নতুন কুরআন শরীফ লিপিবদ্ধ করা। সে কুরআন শরীফ-এর মোকাবিলা করতে গররাজী ছিলো। এছাড়াও সে মক্কা ও ইস্তাম্বুলের শাসকদের অত্যন্ত ভয় করতো। সে বলতো- আমি যদি কাবা ঘর ধ্বংস করি, নতুন কুরআন শরীফ তৈরি করি, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে যে, উসমানী সরকার আমার বিরুদ্ধে সৈন্য পাঠাবে। আমি এদের সাথে এটে উঠতে সক্ষম হবনা। আমি তার কৈফিয়ত যুক্তি সঙ্গত মনে করলাম। আর অনুমান করলাম- এ সময়ের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিবেশ এ কাজের অনুপযুক্ত।

-মুহম্মদ আবুল হাসান, বাসাবো , ঢাকা।

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক