‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবেনা’ এ রায়কে প্রত্যাখান করে ‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবে’- এ রায় প্রদান করা প্রসঙ্গে

সংখ্যা: ২০১তম সংখ্যা | বিভাগ:

মাননীয় প্রধান বিচারকের জন্য এটাই কী প্রধান ইতিবাচক দিক হবে না যে, অনাধিকার চর্চাকারী, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর উপর আঘাতকারী, সংবিধান লঙ্ঘনকারী, ১৬ কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাতকারী

বিচারক শামসুদ্দীন ও বিচারক জাকিরের ‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবেনা’ এ রায়কে প্রত্যাখান করে ‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবে’-এ রায় প্রদান করা।

 

সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম।

উচ্চতর আদালতেও আইনজীবিরা যেভাবে উচ্চস্বরে কথাবার্তা বা সত্যিকার অর্থে ঝগড়াঝাটি করেন তা বলতে গেলে গভীরভাবে উচ্চতর আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়ে। অনাকাঙ্খিত এবং অবাঞ্ছিত তথা দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বহুদিন ধরে উচ্চতর আদালতের অবস্থা এমনটিই। তবে একথা সত্য যে, অনেক সিনিয়র আইনজীবি নিজেদের স্বার্থেই উচ্চতর আদালতের ভাবমর্যাদা রক্ষার্থে নিজেরা প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালান। অনুজদেরকেও অনুপ্রাণিত করেন। কিন্তু গণ অনুশীন যা হয় তাতে আসলে আদালতের ভাবমর্যাদা প্রতিনিয়ত ক্ষুন্ণ হচ্ছে এমনটি বলাই যায়।

তবে মাছের পচন যেমন মাথা থেকেই হয়- উচ্চতর আদালতেও যে তার নজিরই প্রতিফলিত হয়েছে একথাও নিঃসংকোচেই বলা যায়।

গত ২০/১০/২০১০ প্রবীন আইনজীবি ব্যারিষ্টার রফিক-উল-হকের কথায়ও তাই প্রতিভাত ও পরিস্কার হয়েছে।

ক্ষমতার পালাবদলে বিচারকরাও পাল্টে যায়, রায় বদল হয়ে যায়,

“প্রধান বিচারক হওয়ার লোভে অনেকে আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত রায় দেয়”- ব্যারিষ্টার হকের এসব কথা প্রতীয়মান করে প্রধান বিচারক থেকে অনেক বিচারকই থাকেন প্রলুব্ধ ও প্ররোচিত।

সুতরাং সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালত কী করে তার সর্বোচ্চ ভাবমর্যাদা দাবী করতে পারেন? এর প্রভাবেই যে বর্তমানে উচ্চ আদালতের উচ্চ মর্যাদা বজায় রাখতে আইনজীবিদের মাঝে গাফিল মানসিকতা তৈরি হয়নি? তা কী করে অস্বীকার করা যেতে পারে?

ব্যারিষ্টার রফিক-উল-হক উদাহরণ টেনে বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র হতেই পারে না। গণমাধ্যমের এ স্বাধীনতার কথা বলতে গিয়ে মাহমুদুর রহমানের আজ এ অবস্থা। আদালত অবমাননার এক মামলায় আদালত তাকে ৬ মাসের জেল এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। ১ লাখ টাকা জরিমানা করার ক্ষমতাই নেই আদালতের। এ সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে যে বিচারক সবচেয়ে বেশি তৎপর ছিলেন তিনি পরে প্রমোশন পেলেন না। তাকে সুপারসিড করে অন্য একজনকে প্রধান বিচারক করা হলো। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এ ফাইল ফেরত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি এ রায় দেব না। অন্য একজন বিচারক শাহ আবু নাইম মোহাম্মদ মোমিনুর রহমান মাহমুদুর রহমানকে জেল দেয়ার ব্যাপারে আপত্তি করেছিলেন। দ্বিতীয় আদালত অবমাননার মামলায় একই আদালত শুধু প্রধান বিচারক বদল হওয়ার পর মাহমুদুর রহমানকে ১০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে একদিনের জেল দিলেন। বিচারকদের এ খামখেয়ালিপনা বন্ধ না হলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।”

বলাবাহুল্য, বর্ণিত ঘটনায় যে বিচারক প্রধান বিচারকের প্রমোশনের লোভে আদালতের এখতিয়ার ও ক্ষমতা বহির্ভুত এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন সেই একই কায়দায় বিচারক শামসুদ্দীন ও বিচারক জাকির যে ‘বোরকা পড়তে বা পর্দা করতে বাধ্য করা যাবে না’- রায় দিয়ে তাদের নিজেদের ও আদালতের ক্ষমতা ও ইখতিয়ার বহির্ভুত রায় দিয়েছেন, তা কী কোনভাবেই অস্বীকার করা যেতে পারে?

স্বাধীনতা উত্তর ৩৯ বছর পার হয়ে গেলো। এ ধরনের রায়ের কোন প্রেক্ষাপট,

পটভূমিকা তৈরি হলো না, প্রয়োজন দেখা দিলো না,

হঠাৎ করে বিচারক শামসুদ্দীন ও জাকির সাহেবের কী প্রয়োজন হয়ে পড়লো, যে তারা এ ধরনের রায় দিলেন?

জানা গেছে, তাদের একজনের বাসায় প্রায়ই বিশেষ সাংস্কৃতিক জলসার আসর বসান। বিচারক হয়ে নিজ গৃহে এধরনের আসর বসানো কতটুকু বিচারিক সংস্কৃতি সঙ্গত? এ প্রশ্ন যেমন গুরুত্বর, তেমনি

কোন সংস্কৃতি গুরুর নির্দেশে?  অথবা কোন মহলের প্ররোচনায়? অথবা কীসের প্রলোভনে? তারা রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে এরূপ ইসলাম বিরোধী রায় দিলেন?  এসব গুরুত্ববহ ও স্পর্শকাতর প্রশ্নের তারা কী জবাব দিবেন?

তারা বিচারক হতে পারেন?  সংস্কৃতি মনস্ক হতে পারেন? কিন্তু ইসলামের উপর হাত দেয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে কী?

ইসলাম সম্পর্কে তারা যে কিছুই জানেন না; সেটা কী তারা বুঝেন?

অন্য সব ধর্মের সাথে তারা ইসলামকে গুলিয়ে ফেললেন!  আদালতের রায়ের নামে কুরআন শরীফ-এর উপর, হাদীছ শরীফ-এর উপর আঘাত করলেন- এত বড় স্পর্ধা তাদেরকে কে দিলো?

তারা যে খোদ সংবিধানের বিরুদ্ধেই রায় দিয়েছেন, এটা কী তারা উপলব্ধি করতে পারেন? সংবিধানে কী রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নেই?

সংবিধানে কী যার যার ধর্ম পালনের অধিকার নেই? পর্দা পালনে বাধ্য করা যে ইসলামের নির্দেশ। পর্দা পালনে বাধ্য করা যে মুসলমানের ধর্মীয় অধিকার এ কথা কী তারা জানেন?

তিনি কী ‘সূরা নূর’-এর ৩০-৩১  নম্বর আয়াত শরীফ

‘সূরা বনী ইসরাইল’-এর ৩৮ নম্বর আয়াত শরীফ

‘সূরা আহযাব’-এর ৫৩ নম্বর আয়াত শরীফ

‘সূরা নিসা’-এর ১৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ‘পর্দা পালনে বাধ্য করার নির্দেশ’ সম্বলিত আয়াত শরীফগুলো পড়েছেন?

বিচারক হয়েই কী তারা ধারাকে সরা জ্ঞান করবেন? তারা কী নিজেদের প্রধানমন্ত্রীরও উপরে মনে করবেন?

তারা, ‘পঞ্চম সংশোধনী উঠে যাওয়ায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম না থাকায় বাংলাদেশের কোথাও বোরকা পড়া যাবেনা’- তা বলে এ রায় দিয়েছেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী গত পরশু বলেছেন, ‘পঞ্চম সংশোধনীর রায়ের কোথাও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে লেখা নেই। কাজেই রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ রেখেই সংবিধান পুনঃমুদ্রণ করা হবে।”

ব্যারিষ্টার হক বলেছেন, “হাওয়া বদলের সঙ্গে বদল হয়ে যায় আদালতের রায়।” দেখা যাচ্ছে, হাওয়া বদলের সঙ্গে শুধু আদালতের রায় বদল হয়না, বিচারক শামসুদ্দীন এবং

জাকিরের মত বিচারকরা হাওয়ায় উড়েও।

বাংলাদেশের ৯৬ ভাগেরও বেশি জনগোষ্ঠী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিকে তুচ্ছ জ্ঞান করে  খোদ ইসলামকে নিয়ে খেলা করে

কুরআন শরীফ-এর উপর আঘাত হেনে

হাদীছ শরীফ-এর উপর হামলে পড়ে

ইসলাম ও মুসলমান বিরোধীদের তারা খুশী করতে চায়

অথচ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ‘কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না।’ তারপরেও কথিত বিচারকরা কী করে পর্দা বিরোধী রায় দিতে পারলো?

এতে তারা যে সংবিধান অনুযায়ী শপথ করেছে; সে সংবিধানের সাথে বেঈমানী করেছে তা কী তারা উপলব্ধি করবে?

তারা কী জানে, তারা কত গভীর ও ব্যাপকভাবে এদেশের শতকরা ৯৭ ভাগেরও বেশি জনগোষ্ঠী মুসলমান অথবা ১৬ কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে? এদেশের ৯৬ ভাগ এর বেশী জনগণের ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিশ্বাসে, আদর্শে, চেতনার মর্মমূলে অচিন্তনীয় ক্ষত তৈরি করেছে। এদেশের জনগন দরজায় লাথি মারা বিচারক দেখেছে। কিন্তু বিচারক শামসুদ্দিন ও বিচারক জাকির এদেশের ১৬ কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে লাথি মেরেছে। (নাউযুবিল্লাহ)

মুসলমান মাত্রই জানে- হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “বেহেশতের দরজায় লেখা রয়েছে, দাইয়্যূস বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না।”

হাদীছ শরীফ-এর ভাষায় “দাইয়্যূস ঐ ব্যক্তি, যে তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করতে বাধ্য করে না।”

কথিত দুই বিচারক যে রায় দিয়েছে তাতে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ইসলাম থাকে না। অথবা মুসলমান ইসলাম পালনের অধিকার ও সুযোগ পায় না।

তদুপরি উক্ত রায় আমল করতে গেলে- কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী প্রত্যেক মুসলমানকে দুনিয়ায় থাকতেই নিশ্চিত জাহান্নামী বলে নিজেদের গণ্য করতে হবে, গণ্য হতে হবে। (নাউযুবিল্লাহ)

কাজেই ব্যারিষ্টার রফিক-উল-হক বিবৃত ‘মাহমুদুর রহমানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করার ক্ষমতা নেই আদালতের’- শুধু এতটুকু বিবেচনাযোগ্য নয়;

পাশাপাশি ‘পর্দা, ইসলাম তথা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এর নির্দেশের উপর কোন রুলিং দেয়ারই ক্ষমতা নেই’- আদালতের একথা সবিশেষভাবে আমলে নিতে হবে সবাইকে। তথা খোদ সরকারকে।

বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, সরকার যদি এটাকে আমলে না নেয়, তাহলে তার ‘কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না’-এ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারবে না।  রক্ষা করতে পারবে না, ৯৬ ভাগ এরও বেশী জনগোষ্ঠী ও ১৬ কোটি মুসলমানের অন্তর। কারণ, কথিত বিচারকদের রায়ে ১৬ কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে যে আঘাত লেগেছে, তাতে তাদের অন্তর ক্ষত-বিক্ষত হয়ে বিপর্যস্থ হয়েছে। সে আঁচ অনুভব করতে হবে সরকারকে তার নিজস্ব উদ্যোগেই। নিজস্ব প্রয়োজনেই।

এদিকে ব্যারিষ্টার হক প্রধান বিচারকের প্রশংসা করেছেন এবং আগামী ৭ মাসে তিনি অনেক ইতিবাচক দিক দেখাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সেক্ষেত্রে মাননীয় প্রধান বিচারকের জন্য এটাই কী প্রধান ইতিবাচক দিক হবে না যে, অনধিকার চর্চাকারী, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর উপর আঘাতকারী, সংবিধান লঙ্ঘনকারী, দেশের ৯৬ এরও বেশী ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান তথা ১৬ কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাতকারী বিচারক শামসুদ্দীন ও বিচারক জাকিরের ‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবে না’- এ রায়কে প্রত্যাখান করে ‘পর্দা পালন করতে বাধ্য করা যাবে’- এ রায় প্রদান করা।

মূলতঃ এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে ইসলামী অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার নেক ছোহবতে তা খুব সহজেই পরিপূর্ণ হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)

 

-মুহম্মদ জিসান আরীফ

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক