প্রসঙ্গঃ বাবরি মসজিদের ভূমির মালিকানা একভাগ মুসলমানদের, দুই ভাগ হিন্দুদের

সংখ্যা: ২০১তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রসঙ্গঃ বাবরি মসজিদের ভূমির মালিকানা একভাগ মুসলমানদের, দুই ভাগ হিন্দুদের।  অথচ বিচারকের মন্তব্যেই এসেছে, ‘বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির ছিলো না।’

কিন্তু তারপরেও এ রায় মেনে নেয়ার আহ্বান করেছে হদস-কমিনী গুরু দেওবন্দী থেকে জামাত-জোটের খালেদা। তবে শুধু দিল্লীর মসজিদের ইমাম বোখারীই নয়; সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানই এ রায়ের বিরুদ্ধে একাট্টা।

সবচেয়ে বড় স্পর্শকাতর হলো, সুপ্রীম কোর্টের দেয়া আগের রায় বাতিল করে হাইকোর্ট বর্তমান রায় দেয় কী করে?

আর যে উগ্রবাদী হিন্দু সংগঠন আগেই সুপ্রীম কোর্টের রায় অমান্য করে বাবরি মসজিদে ভেঙ্গেছে এবারও যে তারা হাইকোর্ট তথা সুপ্রিম কোর্টের রায় অমান্য করবেনা, নতুন দাঙ্গা লাগাবে না তার নিশ্চয়তা কী?

 

সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম।

অযোধ্যায় মন্দির-মসজিদ দুটোই থাকবে বলে রায় দিয়েছেন এলাহাবাদের একটি আদালত। বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটা ৫৫ মিনিটে এ রায় দেওয়া হয়।

এ রায়ে ভারতীয় মুসলমানরা হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তবে বিজেপি ও তাদের সমমনা হিন্দুত্ববাদী দলগুলো এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের ভাষায়, এ রায় স্বস্তিদায়ক।

লক্ষ্মৌর ২১ নম্বর আদালতে ৩ জন বিচারপতি এসইউ খান, সুধীর আগরওয়াল ও ডিভি শর্মা রায় ঘোষণা করেন।

তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত এই বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে বাবরি মসজিদের ভূমির মালিকানাকে সমান তিনভাগে ভাগ করে এর মালিকানা হিন্দু মহাসভা, নির্মহী আখড়া ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের বলে ঘোষণা করা হয়। অপর বিচারক এস ইউ খান তাঁর রায়ে বলেন, অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মূঘল সম্রাট বাবর নির্মাণ করেছিলেন, তবে তা রাম মন্দির ধ্বংস করে নয়।

আদালত এই রায় বাস্তবায়নে আগামী তিনমাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত এই তিন মাস সময়ের মধ্যে এই বিরোধপূর্ণ ভূমিকে তিনভাগে ভাগ করে সীমানা চিহ্নিত করার জন্য সকলের কাছ থেকে মতামত আহবান করেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদের সাউন্ড সিস্টেম ছিল খুবই উন্নত। এ জন্যও এ মসজিদের খ্যাতি ছিল। এ প্রসঙ্গে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিকের স্থপতি গ্রাহাম পিকফোর্ড বলেছিলেন, বাবরি মসজিদের মিহরাবের এক প্রান্ত থেকে সামান্য ফিসফিস শব্দ করলেও ১০০ ফুট দূরত্বের অন্য প্রান্ত থেকে তা শোনা যেত। এ মসজিদের কাছে ছিল একটি অলৌকিক কূয়া যাতে ছিল ঠাণ্ডা শীতল পানি আর মুসলিম-হিন্দু দুসম্প্রদায়ই একে পবিত্র বলে মানত। এ পানির ছিল রোগ নিরাময় করার অলৌকিক ক্ষমতা। এ সবই ফয়জাবাদ জেলা গেজেটে রেকর্ড করা আছে।

ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ নির্মিত হয় প্রথম মোঘল সম্রাট বাবরের শাসনামলে ১৫২৭ সালে। এটি ছিল উত্তর প্রদেশের বৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উগ্র হিন্দুরা মসজিদটি ধ্বংস করে দেয়। কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভারতীয় হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবং আরএসএস-এর নেতৃত্বে দেড় লাখ উগ্র হিন্দু ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ ধ্বংসের উৎসবে মেতে উঠে। মসজিদ ধ্বংসের ১০ দিন পর ১৯৯২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার ঘটনার তদন্তের জন্য গঠন করে লিবারহান কমিশন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০০৯ সালের ৩০ জুন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের নিকট তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে উক্ত কমিশন। তদন্ত রিপোর্টে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তাতে দেখা যায়, তৎকালীন ভারত সরকারের অনেক উচ্চ পদস্থ সদস্য এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতারা বাবরী মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। কর সেবক নামক একটি সাম্প্রদায়িক সংগঠনের ব্যানারে বিজেপি নেতা এলকে আদভানী, বিনয় কাটিয়া, মুরালি মনোহর জোসি, বিজয় রাজ সিনধিয়া বাবরী মসজিদের ধ্বংসযজ্ঞে প্রত্যক্ষভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। রিপোর্টে উত্তর প্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংয়ের ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বাবরী মসজিদ ধ্বংসের সময় তিনি যেসব আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে অযোধ্যায় পাঠিয়েছিলেন, তারা নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রিপোর্টে আরো বলা হয়, ঘটনার সময় আদভানী এবং মুরালি উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে উগ্র হিন্দুদেরকে বাবরী মসজিদ ধ্বংসের জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন।

সংঘাতের ইতিহাস:

১৮৫৩ সালে প্রথম রেকর্ডকৃত সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আওয়াধের নওয়াব ওয়াজিদ আলী শাহের সময়ে নির্মোহিস নামে একটি হিন্দু গ্রুপ দাবি করে, বাবরী মসজিদটি সম্রাট বাবরের আমলে একটি মন্দির ভেঙ্গে তৈরি করা হয়েছে। এরপর দুবছর ধরে বারবার এ নিয়ে সংঘর্ষ হয় এবং প্রশাসন সেখানে মন্দির নির্মাণ অথবা ধর্মস্থান হিসাবে একে ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন।

১৯০৫ সালের ফয়জাবাদ জেলার গেজেটিয়ারের মতে, ১৮৫৫ সালের আগ পর্যন্ত হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায় এ ইমারতটি ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করত। কিন্তু ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সময় থেকে মসজিদের বহির্গমন পথ পর্যন্ত মসজিদের জন্য সংরক্ষণ এবং ভেতর আঙ্গিনায় হিন্দুদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়, বাইরের অঙ্গনকে (চাবুত্রা) হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে সেখানে কোন মন্দির ছিল না।

১৮৮৩ সালে হিন্দুরা চাবুত্রায় মন্দির নির্মাণ শুরু করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ১৮৮৫ সালের ১৯ জানুয়ারি সেখানকার ডিসি মন্দির নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। রঘুবীর দাস নামে এক হিন্দু মহন্ত ফয়জাবাদ সাব-জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পন্ডিত হরিকৃষ্ণ মসজিদের বহিরাঙ্গনে চাবুত্রায় ১৭২১ বর্গফুটের একটি মন্দির নির্মাণের দাবি জানান। কিন্তু মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। ১৮৮৬ সালে মন্দির নির্মাণের আরো ২টি আপিল খারিজ হয়ে যায়। প্রথম পর্যায়ের এই আইনি লড়াইয়ে হিন্দুরা পরাজিত হয়। ১৯৩৪ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মসজিদের চারপাশের দেয়াল এবং একটি গম্বুজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৃটিশ সরকার তা পুনঃনির্মাণ করে দেয়।

১৯৪৯ সালের ২২ ডিসেম্বর মধ্যরাতে পুলিশ প্রহরা থাকা সত্ত্বেও রাম-সীতার মূর্তি মসজিদের ভেতর স্থাপন করে হিন্দুরা।

১৯৪৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর অযোধ্যা পুলিশ স্টেশনে এক এফআইআর দায়ের করা হয়। তাতে বলা হয়, ৫০-৬০ জনের একটি দল মসজিদ আঙ্গিনার দরোজার তালা ভেঙ্গে অথবা দেয়াল টপকে মসজিদের ভেতরে ঢোকে এবং ভগবান মূর্তি ও সীতা-রামের ছবি স্থাপন করে। এরপর ৫-৬ হাজার উগ্রবাদী হিন্দু মসজিদে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে এবং ধর্মীয় শ্লোগান দেয়। সেখানে পুলিশের সাথে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

১৯৫০ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোক আদালতে দু’টি ল স্যুট করেছিলেন। এর মধ্যে একটি করা হয়েছিল ১৯৫০ সালের জানুয়ারি মাসে। এ বিষয়ে বিচারিক আদালত একটি অন্তবর্তী নির্দেশনা দিয়েছিলেন আর তা হলো- যেখানে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল সেখানেই থাকবে তবে, আঙিনা তালাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং সেখানে ভক্তদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

১৯৫৫ সালে এ নির্দেশনা হাইকোর্ট নিশ্চিত করেছিল। এরপর ১৯৮৬ সালে রাজিব গান্ধি সরকারের এক সিদ্ধান্তে মসজিদের আঙিনার তালা খোলা হয় এবং সেখানে ভক্তদের জন্য বার্ষিক পূজা অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হয়।

হাইকোর্টের স্থিতি অবস্থা এবং রাজিব গান্ধি সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা সহজ হয়। কিন্তু, উত্তর প্রদেশ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং বার বার মসজিদ রক্ষার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু, তারা তাদের সেই কথা আর রাখেননি।

পরবর্তীতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার অ্যাকুইজিশন অব সারটেইন এরিয়া অ্যাট অযোধ্যা অ্যাক্ট নামে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এক সময় যেখানে বাবরি মসজিদ অবস্থিত ছিল সেখানকার নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নেয় সরকার।

সুপ্রিমকোর্টও অধিগ্রহণের বিষয়টি সমর্থন করে। এর ফলে, হয়তো অযোধ্যা পরিস্থিতির কিছুটা সামাল দেয়া গিয়েছিল কিন্তু, ভারতের বহু জায়গায় বিশেষ করে মুম্বাইসহ বেশ কিছু জায়গায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে বাবরি মসজিদ মামলা নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনো বেঞ্চের রায় সম্মানের সঙ্গে মেনে নেয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেওবন্দের দারুল উলুম মাদরাসা।

এবং ভারতে অযোধ্যা কমপ্লেক্স সংক্রান্ত রায়ে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের শান্ত ও সংযমী থাকার আবেদন জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।

উল্লেখ্য, এলহাবাদের হাইকোর্টের রায়ে নিশ্চিতভাবে মুসলমানদের ঠকানো হয়েছে যেখানে একজন বিচারপতি স্পষ্টতই বলেছেন যে, বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির ছিলো না। সেখানে দুই ভাগ জমি হিন্দুদের দেয়া বিচারপতির বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক। প্রদত্ত রায় বেশামাল।

কিন্তু তারপরেও এ রায় মেনে নেয়ার আহ্বান করেছে হদস-কমিনী গুরু দেওবন্দী থেকে জামাত-জোটের খালেদা। এ থেকে আরো একবার জামাত জোটের সত্যিকার ইসলামপ্রীতি তথা ভারত বাংলাদেশের দেওবন্দী সিলসিলায় ইসলামের নামে ধর্ম ব্যবসার প্রকট প্রবণতা প্রতিভাত হয়।

এদিকে শুধু দিল্লীর মসজিদের ইমাম বোখারীই নয়; সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানই এ রায়ের বিরুদ্ধে একাট্টা। সবচেয়ে বড় স্পর্শকাতর হলো, সুপ্রীম কোর্টের দেয়া আগের রায় বাতিল করে হাইকোর্ট বর্তমান রায় দেয় কী করে?

আর যে উগ্রবাদী হিন্দু সংগঠন আগেই সুপ্রীম কোর্টের রায় অমান্য করে বাবরি মসজিদে ভেঙ্গেছে, এবারো যে তারা হাইকোর্ট তথা সুপ্রিম কোর্টের রায় অমান্য করবেনা, নতুন দাঙ্গা লাগাবে না তার নিশ্চয়তা কী?

 

-মুহম্মদ ওয়ালীউল্লাহ

প্রসঙ্গ: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য

বাংলাদেশে ৩ কোটি লোক দিনে ৩ বেলা খেতে পারে না। পুষ্টিমান অনুযায়ী খেতে পারে না ৮ কোটি লোক। ক্ষুধাক্লিষ্ট ও পুষ্টিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের নেই কোনো উদ্যোগ!

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং জনৈক সালিকার একখানা স্বপ্ন

ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য রমেশ মজুমদার (আর.সি. মজুমদার) তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে- (১) ঢাকা শহরের হিন্দু অধিবাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ করতো; (২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে এদেশীয় হিন্দু শিক্ষামন্ত্রী, ক্ষমতা পেয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন অনেক কমিয়ে দিয়েছিল; (৩) এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের (গভর্নিং বডির) সদস্য হয়েও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় হিন্দুরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালাতে পিছপা হতো না। সুতরাং বাংলাদেশের আলোবাতাসে লালিত এসব মুশরিকরা যে দেশদ্রোহী, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই এসমস্ত মুশরিকদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, হুজ্জাতুল ইসলাম, রসূলে নু’মা, সুলত্বানুল আরিফীন, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদুর রসূল, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক