বাইয়্যিনাত প্রতিবেদন: আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ আল্লাহ্ ওয়ালা হওয়ার মজলিশ। আর আল্লাহ্ ওয়ালা হওয়ার জন্যে‘ হুস্নে যন’ বা ‘সু-ধারণা’ মূল। ইমামুল আইম্মা, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুযাদ্দিদুয্ যামান, আওলার্দু রসূল, হাবীবুল্লাহ্ ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সাপ্তাহিক মজলিশে আলোচনা কালে একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক মুরীদের জন্য স্বীয় পীর ছাহেবের প্রতি হুসনে যন (বা নেক ধারণা তথা বিশুদ্ধ আক্বীদা) রাখা ফরয। তাছাউফের কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, কোন মুরীদ যদি স্বীয় পীর ছাহেবের প্রতি হুসনে যন না রাখে তবে সে ক্বিয়ামত পর্যন্ত কোশেশ করেও তাছাউফ হাছিল তো দূরের কথা তাছাউফের গন্ধও পাবেনা। তিনি বলেন, আঞ্জুমান শব্দের অর্থ হচ্ছে মজলিশ। এ মজলিশ করার উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ্ পাক এবং তাঁর হাবীব, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সন্তুষ্টি-রেযামন্দী হাছিল করা।
তিনি বলেন, আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ করে মাসিক আল বাইয়্যিনাত পড়ে, পড়িয়ে এসব কুফরী হতে নিজেও হিফাযত হতে হবে, মানুষকেও হিফাযত করতে হবে। তিনি বলেন, মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মূল বক্তব্য হচ্ছে, আল্লাহ্ পাক-এর মতে মত হওয়া এবং আল্লাহ্ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পথে পথ হওয়া। যেটা “আতিউল্লাহা ওয়া আতির্উ রসূলা ওয়া উলিল আমরি মিনকুম” এটা তাছাউফের ভাষায়, “ফানা ফিশ্ শায়খ, ফানা র্ফি রসূল, ফানা ফিল্লাহ।” কাজেই প্রত্যেককে তা হাছিলের কোশেশ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ১ জানুয়ারী হতে ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত ইমামুল আইম্মা, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদুর রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী দেশের পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চল সফর করেন। ১ জানুয়ারী, মঙ্গলবার, খাগড়াছড়ি, ২, ৩ জানুয়ারী, বুধবার ও বৃহস্পতিবার, কুতুবদিয়া, ৪ জানুয়ারী, শুক্রবার, বাঁশখালী জুমুয়ার নামায পড়ান, ৫, ৬ জানুয়ারী, সোমবার, চট্টগ্রামের হালিশহরে, ৮, ৯ জানুয়ারী, মঙ্গলবার ও বুধবার চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ওয়াজ, দোয়া ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব মাহ্ফিলে বিপুল সংখ্যক লোক হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর মুবারক হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন এবং আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্ট করেন।