আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

সংখ্যা: ১২৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদনঃ: আনজুমোনে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিস আল্লাহ পাক-এর মুহব্বত-মা’রিফত, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তাওয়াল্লুক নিছবত; আল্লাহওয়ালাগণের ছোহবত ইখতিয়ার করার মজলিস। কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং ক্বিয়াস থেকে আলোচনার মজলিস। ইমামুল আ’ইম্মা, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লূহুল আলী আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতের মজলিসে আলোচনায় একথা বলেন। তিনি বলেন, কুরআন  শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং ক্বিয়াসের আলোচনা যেখানে হয় সেখানে আল্লাহ পাক-এর রহমত নাযিল হয়ে থাকে।  তিনি আরো বলেন, মাসিক আল বাইয়্যিনাতে যেহেতু কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং ক্বিয়াস থেকে আলোচনা করা হয়ে থাকে সেহেতু মাসিক আল বাইয়্যিনাতের আলোচনার অপর নাম হচ্ছে, কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং ক্বিয়াসের আলোচনা। তিনি  বলেন, মাসিক আল বাইয়্যিনাত মানুষকে আল্লাহ পাক-এর তায়াল্লুক, নিছবত, মুহব্বত-মা’রিফত, আল্লাহ পাক-এর হাবীবের মর্যাদা-মর্তবা এবং তায়াল্লুক নিছবত, আল্লাহওয়ালাদের ছোহবতের গুরুত্ব-তাৎপর্য ইত্যাদি বিষয়গুলোকে স্পষ্ট করে দেয়। আল্লাহ পাক-এর মতে মত হওয়া, আল্লাহ পাক-এর হাবীবের পথে পথ হওয়ার বিষয়টাকে স্পষ্ট করে দেয়। কুরআনুল  কারীমের আয়াত শরীফের আলোকে তিনি বলেন, আল্লাহ পাক এবং তাঁর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেটাকে হারাম করেছেন সেটাকে যারা হারাম জানবেনা এবং যে দ্বীন নাযিল করা হয়েছে সে দ্বীন অনুযায়ী চলবেনা আল্লাহ পাক তাঁর হাবীবকে নির্দেশ দিয়েছেন তাকে হত্যা করতে। কুরআন শরীফের আয়াত শরীফ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, সে মহান আল্লাহ পাক যিনি তাঁর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠিয়েছেন সত্য দ্বীন এবং হিদায়েত সহ, পিছনের সমস্ত ধর্মকে (তর্জ-তরিকা, নিয়ম-নীতিকে) বাতিল ঘোষণা করে যার সাক্ষী স্বয়ং আল্লাহ পাক। আর রসূল হচ্ছেন মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন, পিছনের ধর্ম, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা যা রয়েছে সমস্ত কিছুকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, কাজেই বর্তমানে যারা ইসলামের নাম দিয়ে বাতিলকৃত ধর্মের অনুসরণে, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকার আলোকে ব্লাসফেমী আইন তলব, হরতাল, লংমার্চ, মৌলবাদ, গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচন, বেপর্দা হওয়া, নারী নেতৃত্ব, ছবি তোলা, টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করা ইত্যকার হারাম কাজকে হালাল জেনে আমল করছে তারা মুলতঃ মুসলমানের লেবাসে কাফিরের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে তিনি আল্লাহ পাক-এর ঘোষণা উল্লেখ পূর্বক বলেন, “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে যে দ্বীন দিয়েছি, যে হিদায়েত দিয়েছি সে অনুযায়ী যারা নিজেদের গড়ে না তুলবে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করুন, তাদেরকে কতল করুন, তাদেরকে মৃত্যু দণ্ড দান করুন।” কাজেই আলোচ্য আয়াত শরীফের আলোকে খিলাফত কায়িম থাকলে উপরোক্ত হারাম আমলকারীদের একমাত্র শাস্তি ছিল মৃত্যু দণ্ড। তিনি সকলকে নিয়মিত মাসিক আল বাইয়্যিনাত পড়ে, আঞ্জুমানে  আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিস করে এসব হারাম আমল থেকে বেঁচে ঈমান, আক্বীদা বিশুদ্ধ করে সঠিক ইসলাম জেনে সে অনুযায়ী আমল করে আল্লাহ পাক-এর মতে মত এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীবের পথে পথ হওয়ার  আহবান জানান।

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহ্ফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহ্ফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ