আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

সংখ্যা: ৩০২তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল বাইয়্যিনাত শরীফ প্রতিবেদন : রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই নিজের শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক প্রকাশ করেছেন। খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তিরমিযী শরীফ ও মিশকাত শরীফ কিতাবে একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কতিপয় ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এক স্থানে বসে (অতীতের হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে) আলোচনা করছিলেন।

এ সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের নিকটবর্তী স্থানে পৌঁছে (আড়াল থেকে) উনাদের কথাবার্তা-আলোচনাগুলো শুনলেন। উনাদের একজন বললেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনাকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আরেকজন বললেন, হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি এমন ছিলেন যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। অপর একজন বললেন, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন কালীমাতুল্লাহ ও রূহুল্লাহ এবং আরেকজন বললেন, হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ছফিউল্লাহ বানিয়েছেন অর্থাৎ উনাকে কুদরতী হাত মুবারক-এ সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

এ সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে বললেন, আমি আপনাদের কথাবার্তা-আলোচনা শুনেছি এবং আপনারা যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাও আমি জেনেছি। নিশ্চয়ই হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি যে খলীলুল্লাহ ছিলেন ইহা সত্যই।

হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে কথা বলেছেন ইহাও সত্য কথা।

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি যে রূহুল্লাহ ও কালীমাতুল্লাহ ছিলেন ইহাও সত্য। এবং হযরত আদম আলাইহিস সালাম তিনি যে মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত ছিলেন অর্থাৎ উনাকে কুদরতী হাত মুবারক-এ সৃষ্টি করেছেন ইহাও সম্পূর্ণ সত্য।

তবে সাবধান! আমার সম্পর্কে আপনারা জেনে রাখুন, আমি হলাম মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব। এতে আমার কোনো ফখর নেই। ক্বিয়ামতের দিন প্রশংসার পতাকা আমার হাত মুবারক-এ থাকবে আর উক্ত পতাকার নিচে হযরত আদম আলাইহিস সালাম তিনিসহ অন্যান্য সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা অবস্থান করবেন। এতেও আমার কোনো ফখর নেই। ক্বিয়ামতের দিন আমিই হবো সর্বপ্রথম শাফায়াতকারী এবং সর্বপ্রথম আমার সুপারিশ কবুল করা হবে। এতে আমার কোনো ফখর নেই। এছাড়া আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজায় কড়া দিবো, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার জন্য তা খুলে দিবেন এবং আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর আমার সাথে থাকবেন কতিপয় মু’মিন-মুসলমান। এতে আমার কোনো ফখর নেই। সর্বোপরি আমিই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের চেয়ে বেশি সম্মানিত। এতেও আমার কোনো ফখর নেই। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ থেকে এটাই ছাবিত হলো যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই নিজের পবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করেছেন। নিজেই নিজের শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক ঘোষণা করেছেন।

খুশি প্রকাশ করে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন।

আর এ জন্যই পুরো সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মাসব্যাপী সরকারি-বেসরকারি সর্বমহলে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে অত্যন্ত খুশির সাথে, ব্যাপক আয়োজনে, বিপুল উৎসাহে, গভীর মূল্যায়নে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন বা উদযাপন করা আবশ্যক। সুবহানাল্লাহ!

ইতিহাসে নজীরবিহীন ৯০ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল মুবারক উদ্বোধন

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহি্হর, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি আসন্ন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসমারোহে ও ব্যাপক শান শওকতে পালনের লক্ষ্যে প্রতিদিন অনুষ্ঠিত অনন্তকালব্যাপী মাহফিলের পাশাপাশি ১৪৪৪ হিজরী থেকে জারীকৃত ৯০ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিলের ন্যায় ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৭ হিজরী থেকে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফে ৯০ দিন ব্যাপী মাহফিলের উদ্ভোধন ঘোষণা করেন।

কতিপয় অনুষ্ঠান সূচী:

মাহফিলের ১ম ৪০ দিন ‘ফাস্তাবিকুল খাইরাত’ বা প্রতিযোগীতা মাহফিল।

২য় ২ দিন পবিত্র সামা’ শরীফ মাহফিল

৩য় ৪৫ দিন বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ শরীফ মাহফিল এবং

৪র্থ ৩ দিন পবিত্র সামা’ শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সুবহানাল্লাহ।

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ দিনের বেলা ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল, যা অন্তরজাল বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বে এক যোগে স¤প্রচারিত হবে এবং কোটি কোটি মানুষ অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সারা বিশ্ব হতে সেখানে অংশগ্রহণ করবে। সুবহানাল্লাহ।

কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফের পর শহর প্রদক্ষিণ করে ঢাকা মহানগর জুড়ে বিতরণ হবে হাজার হাজার তাবারুকের প্যাকেট। একই সাথে দেশের প্রতি জেলায় এবং বিশ্বের বহু দেশে তাবারুক বিতরণ করা হবে। সুবহানাল্লাহ।

সর্বোপরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক আক্বীক্বাহ উপলক্ষে সারা মাসব্যাপী দেশের সবচেয়ে বড় গরু, মহিষ, খাসী, ভেড়াসহ শত শত গরু এবং খাসী আক্বীকা মুবারক করা হবে। সুবহানাল্লাহ।

একইভাবে অনন্তকাল ব্যাপী জারীকৃত মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার বিশেষ শান মুবারক ‘৯০ দিন ব্যাপী মাহফিল’ মহাসমারোহে ও মহাআয়োজনে পালনের লক্ষ্যে ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতা ও তত্ত্বাবধানে সারাদেশ থেকে আগত সালিকা, মুরীদা ও মুহিব্বীন মহিলাদের উদ্দেশ্যে মুবারক নছীহত ও মুবারক তালীমী  ‘ফালইয়াফরাহু মাহফিল’, ‘ফাস্তাবিকুল খাইরাত’ প্রতিযোগীতা মাহফিলসহ আরো অনেক বিষয়ের আয়োজন করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য নিয়মিত এ মুবারক ফালইয়াফরাহু শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছেন।

এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় মাহফিলে শাহদামাদে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, বাহরুল উলুম ওয়াল হিকাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম এবং শাহদামাদে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, বাহরুল উলুম ওয়াল হিকাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনারাও মুবারক তাশরীফ রাখেন।

এ সময় শিশু, কিশোর, ছাত্র, মহানগর, যুব ও বয়স্ক আনজুমানের আমীলগণ নানা ধরনের বিশেষ আয়োজন মুবারক খিদমতে প্রদর্শন করেন।

এছাড়া নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক কুল কায়িনাতে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে লক্ষ লক্ষ বড় প্রচারপত্র, ছোট প্রচারপত্র, আঠাঁলো কাগজ, দৃষ্টি নন্দন তোড়ণ, দেয়াল লিখনের মাধ্যমে এবং তথ্যজালিকা ছিরাতুল মুসতাকিম সহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, উপদেষ্ঠা, সেনাপ্রধানসহ তিন বাহিনী প্রধানের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদসহ অর্থাৎ প্রশাসনের সর্বস্তরে যাতে ব্যাপকভাবে মহাসমারোহে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করা হয় এবং ১২টি বিষয় জারী করা হয় সেজন্য সংবাদ সমে¥লন এবং স্মারকলিপি প্রদান ও অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

একই সাথে সারা বিশ্বে প্রত্যেক মুসলিম দেশে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বা মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ মহাসমারোহে পালনে নির্দেশনা ও বার্তা প্রেরণ  করা হয়।

আসন্ন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই শরীফ উপলক্ষ্যে বিশ্বের সকল দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো

১২টি বিষয় পালন করা ও জারী করা

১. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে প্রত্যক্ষভাবেই হোক আর পরোক্ষভাবেই হোক অর্থাৎ যেভাবেই হোকনা কেন; যেই মানহানীকর বিষয় প্রচার, প্রসার করবে অথবা প্রকাশ করবে তাদেরকে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের শাস্তিই মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। এটাই সম্মানিত ও পবিত্র শরীয়ত উনার হুকুম। তাই জারি করতে হবে।

২. সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ ব্যাপকভাবে পালনে সরকারীভাবে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করতে হবে।

৩. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবিউল আউওয়াল শরীফ মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী ছুটি ঘোষণা করতে হবে। একই সাথে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসকে বিশ্ব ছুটির দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

৪. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম, মহাপবিত্র রবিউল আউওয়াল শরীফ মাসে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাপকভাবে মাসব্যাপী বিশেষ মাহফিলের আয়োজন করতে হবে।

৫. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে সর্বপ্রকার অশ্লীল ও অশালীন কাজ বন্ধ করতে হবে।

৬. সব শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুমহান জীবনী মুবারক বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৭. সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ-মাদরাসায় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসে বিশেষ এন্তেজামে বিশেষভাবে মীলাদ শরীফ মাহফিল ও বিশেষ তাবারুকের আয়োজন করতে হবে।

৮. সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ ব্যাপকভাবে পালনে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সরকারীভাবে আবশ্যিক নির্দেশনা জারী করা, সরকারী-বেসরকারী স্থাপনাসমূহ মনোরম সাজে সজ্জিত করা, রাষ্ট্রপতি, উপদেষ্টা এবং নিজ নিজ এলাকায় পদস্থ সরকারী দায়িত্বশীল কতৃর্ক সর্বস্তরের জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করা, বছরব্যাপী ইসলামী অনুষ্ঠানসূচী ঘোষণা করা, বই প্রদর্শনী, সামরিক প্রদর্শনী, পতাকা উত্তোলন, অস্বচ্ছল ও বেকারদের চাকুরী এবং গৃহহীনদের গৃহ দেয়ার ঘোষণা দেয়াসহ বিভিন্ন শরঈ কর্মসূচী বাস্তবায়িত করতে হবে।

৯. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানে ছাড় দিতে হবে এবং বিশেষ পণ্য সামগ্রী তৈরী করতে হবে।

১০. সর্বস্তরে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জারী করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো স্বতন্ত্র শক্তিশালী গবেষণা কেন্দ্র এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

১১. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে ‘পবিত্র না’তু উম্মি রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনাকে জাতীয় না’ত শরীফ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। দেশের সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ-মাদরাসায় তা প্রতিদিন পাঠের আয়োজন করতে হবে।

১২. দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সম্মানিত ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ প্রতিযোগীতার আয়োজন করতে হবে।

ছাত্র আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে- আলোচনা সভা ও ইফতার মাহ্ফিল

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

মাহ্ফিল ও আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ