আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদন: আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ হাক্বীক্বী মুত্তাকী হওয়ার তথা পরিপূর্ণ তাক্বওয়া ও পরহেযগারী হাছিলের মজলিশ। পাশাপাশি এ মজলিশ ইলম, আমল এবং ইখলাছ হাছিলেরও মজলিশ।
ইমামুল আইম্মা, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুযাদ্দিদুয যামান, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর কেন্দ্রীয় মজলিশে আলোচনায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যে যত বেশি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতের ইত্তিবা করবে, সে ততবেশি মুত্তাকী হতে পারবে।
তিনি বলেন, এ মজলিশ আল্লাহওয়ালা উনাদের মজলিশ। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উঠা-বসা করতে চায় তাহলে সে যেন আল্লাহওয়ালা উনাদের সাথে উঠা বসা করে। তাহলেই প্রকৃত পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উঠা-বসার শামিল হবে।
তিনি বলেন, তুক্ষণ পর্যন্ত কোন মানুষের পক্ষে মহান আল্লাহ পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিল করা সম্ভব নয়; যতক্ষণ না সে যিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাছিল করেছেন উনার ছোহবত এখতিয়ার করে।
তিনি বলেন, কারো বাপ-দাদা, মুরুব্বীর ব্যক্তিগত কথা তুক্ষণ পর্যন্ত শোনা যাবেনা, যতক্ষণ না তা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস সম্মত হবে।
তিনি বলেন, মাসিক আল বাইয়্যিনাত এমন এশটি পত্রিকা, যে পত্রিকার মধ্যে কুরআন, হাদীছ শরীফ, ইজমা-ক্বিয়াস শরীফ থেকে আলোচনা করা হয়ে থাকে। কাজেই কেউ যদি (আনুজমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিশ-এর মাধ্যমে) মাসিক আল বাইয়্যিনাত- নিয়মিত পড়ে তাহলে তার পক্ষে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি হাছিল করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উত্তরবঙ্গে তিন দিনের এক সংক্ষিপ্ত সফর করেন। প্রথম দিন ৫ আগস্ট, রোববার রংপুর টাউন হলের সামনে, ৬ আগস্ট, সোমবার মাহিগঞ্জ এবং ৭ আগস্ট মঙ্গলবার পাবনার সাধুপাড়া ঈদগাঁ মাঠে ওয়াজ, দোয়া ও মীলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এয়াড়া এসব মাহফিল এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী অনেকলোক স্থানীয় আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতে যোগদান করে এবং বায়াত গস্খহণ করে নিজেদের ধন্য করেন।