আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

সংখ্যা: ৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

মৌলবাদী, ধর্মব্যবসায়ী তথাকথিত শাইখুল হদস গং ও চরমোনাই গংদের দ্বারা মসজিদে নূরে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জনৈক সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করায়  মাসিক আল বাইয়্যিনাত, দৈনিক আল ইহ্সান ও আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক মুজাদ্দিদুয্ যামান, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের  হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা  মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর

তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন

          জনৈক শাইখুল হাদীস উপাধিধারীর উপস্থিতিতে ও সমর্থনে তার তথাকথিত ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের দ্বারা মসজিদে নূরের মেহরাবে, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জনৈক পুলিশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত, ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত।

          মূলতঃ এর দ্বারা ইসলামের লেবাসধারী ব্যক্তিদের এবং মসজিদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। বিশেষ করে মসজিদের মেহরাবের ভিতরে পুলিশকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে মসজিদকেও এখন দাঙ্গা-হাঙ্গামার স্থলে পরিগনিত করা হলো এবং এর দ্বারা আবারো প্রতীয়মান হলো যে, মৌলবাদী, ধর্মব্যবসায়ী শাইখুল হাদীস গংদের কাছে মসজিদও নিরাপদ নয়।

          আরো উল্লেখ্য যে, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে হরতাল একটা প্রথা হতে পারে কিন্তু ইসলামের নামে, ইসলাম রক্ষার নামে হরতাল করা কখনও জায়েয নেই। ইসলামের বিধি-বিধান ও হরতালের ইতিহাস তাই প্রমাণ করে। হরতাল শব্দের অর্থ বিশৃঙ্খলা, অত্যাচার, স্বেচ্ছাচার, অবাধ্যতা, অরাজকতা, প্রতিবন্ধকতা, প্রতিরোধ ইত্যাদি।

          হরতালের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বিক্ষোভ প্রকাশের জন্য যানবাহন, হাটবাজার, দোকানপাট, অফিস-আদালত ইত্যাদি বন্ধ করা। হরতাল গুজরাটি শব্দ। ‘হর’ অর্থ প্রত্যেক। ‘তাল’ অর্থ তালা। অর্থাৎ প্রতি দরজায় তালা।

          মূলতঃ স্ট্রাইক শব্দের প্রবর্তক হলো- ইহুদী-নাছারা। আর হরতাল শব্দের প্রবর্তক হলো- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। আমাদের দেশে যে হরতাল করা হয়, তা শরীয়ত সম্মত নয়। এ হরতাল ইসলামের নামে নাজায়েয, হারাম।

হরতাল হারাম হওয়ার উৎস ও কারণ হলো-

১.  বিজাতীয়দের উদ্ভাবিত পন্থা। ২. জন-জীবনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি। ৩. জান-মালের ক্ষতি। ৪. একজনের অন্যায়ের শাস্তি অন্যকে দেয়া। ৫. হারাম পন্থায় ইসলাম কায়েমের চেষ্টা।

          হরতাল হচ্ছে- ইসলামী রীতিনীতি বর্হিভূত বিজাতীয় ধ্যান-ধারণা ও অপকৌশল। যাতে শান্তি তো নাই বরং অশান্তির পথকে প্রশস্ত করে।     আল্লাহ্ পাক আরো বলেন,  “যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন (নিয়ম-নীতি, অন্য ধর্ম) তালাশ করে, তা কখনোই তার থেকে গ্রহণ করা হবেনা এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” (বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত আয়োজিত আলোচনা সভায় হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর বয়ান থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ)

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

মাহফিল ও আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

ছাত্র আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর উদ্যোগে- আলোচনা সভা ও ইফতার মাহ্ফিল

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

মাহ্ফিল ও আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ