আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী। উনার প্রতি অপবাদকারী যালিম গং নিঃসন্দেহে গুমরাহ, বাতিল, লা’নতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়া উনার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা (১৪)

সংখ্যা: ২২০তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় পাঠক!  গত পর্ব থেকে আমরা এই প্রবন্ধে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিতারা, যুগের ইমাম, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার সুমহান ঈমানদীপ্ত অবিস্মরণীয় জীবনী মুবারক হতে সংক্ষেপে আলোকপাত করে আসছিলাম। উল্লেখ্য, উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উনার তারিখ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক আল্লামা চৌধুরী গোলাম রসূল মেহের ছাহিব সাধ্যমতো অনুসন্ধান তথা তাহক্বীক করে উল্লেখ করেছেন, ৬ই সফর শরীফ, ১২০১ হিজরী শরীফ মুতাবিক ২৯ নভেম্বর ১৭৮৬ ঈসায়ী। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র নসবনামা মুবারক

বলার অপেক্ষা রাখেনা, তামাম আলমের সবচাইতে পবিত্র, মযার্দাশীল, বেমেছাল নূরানী বংশধারা তথা আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিলসিলায় যুগের ইমাম, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি আগমন করেন। উনার নূরানী পূত-পবিত্র ঊর্ধ্বতন পূর্ব-পুরুষ উনারা হাসানী সাইয়্যিদী খান্দান হিসেবে মশহুর ছিলেন। বিশেষ করে উনার অন্যতম পূর্ব-পুরুষ শায়খুল ইসলাম, কুতুবুল আরেফীন, আমীরুল মুজাহিদীন হযরত সাইয়্যিদ কুতুবদ্দীন মুহম্মদ আল হাসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৬০৭ হিজরীর কোন একসময় স্বপ্নযোগে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে মুবারক ইযাজত লাভ করেন হিন্দুস্থানে এসে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসার করার জন্য। মুবারক জিয়ারত শরীফ-এ তিনি একই সাথে বিজয় এবং কামিয়াবীর সুসংবাদপ্রাপ্ত হন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দীর্ঘদিন “শায়খুল ইসলাম” পদে নিয়োজিত থেকে দিল্লির সকল উলামা-মাশায়িখ ও সুলতানগণ উনাদেরকে তা’লীম-তরবিয়ত দান করেছেন। পরবর্তীতে তিনি দিল্লি হতে হিজরত করে কড়া নামক স্থানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেন। ১০৩৩ হিজরী সনের ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ বিলাদত শরীফ লাভ করে ধন্য উনার অধঃস্তন অন্যতম পুরুষ সাইয়্যিদুল আউলিয়া, কুতুবুল আলম হযরত সাইয়্যিদ শাহ ইলমুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিই কড়া হতে হিজরত করে রায় বেরলীর সাই নদীর তীরে দায়েরায়ে শাহ আলামুল্লাহ স্থাপন করেন। সেখানে থেকেই তিনি মানুষকে ইলমে শরীয়ত এবং ইলমে তরীক্বত উনাদের দরস মুবারক দান করতেন। উনার বেমেছাল কারামত বুযূর্গীর কথা জনসমাজে খুবই প্রসিদ্ধ। এগুলো অনেক ঐতিহাসিকদের কিতাবপত্রসমূহে সবিস্তারে বর্ণিত রয়েছে। তিনি সুলতানুল আউলিয়া সাইয়্যিদ হযরত আদম বিন নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম প্রধান খলীফা ছিলেন। তিনি আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার বুযূর্গ পিতা উনার সম্মানিত উর্ধ্বতন পিতামহ। সুবহানাল্লাহ! সুপ্রসিদ্ধ ও সুবিখ্যাত কিতাব মুবারকসমূহে যুগের ইমাম, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র নসবনামা মুবারক নিম্নোক্তভাবে বর্ণিত রয়েছে।

যেমন- হযরত সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইরফান ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ নূর ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ হুদা ইবনে সাইয়্যিদ ইলমুল্লাহ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ফুদায়েল ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুয়াযযান ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে কাজী সাইয়্যিদ মাহমুদ ইবনে সাইয়্যিদ আলাউদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়িদ সদরুদ্দীন সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়নুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ আলী ইবনে সাইয়্যিদ কিয়ামুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ সদরুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ কাজী রুকুনুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আমীর নিযামুদ্দীন ইবনে সাইয়্যিদ আমীর কবীর ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ আল হাসানী ইবনে সাইয়্যিদ রশীদউদ্দীন আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ ইউসূফ ইবনে সাইয়্যিদ  ঈসা ইবনে সাইয়্যিদ হাসান ইবনে সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলী ইবনে সাইয়্যিদ আবু জাফর মুহম্মদ ইবনে সাইয়্যিদ কাসিম ইবনে সাইয়্যিদ আবু মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে সাইয়্যিদ হাসান আল আনওয়ার আল জাওয়াদ ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ সামী ইবনে সাইয়্যিদ আবু মুহম্মদ আবদুল্লাহ আল আশতার ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ সাহিবুন নাফসিজ যাকিয়া ইবনে সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আল মাহদী ইবনে সাইয়্যিদ হাসান মুসান্না ইবনে সাইয়্যিদুনা ইমামুল হুমাম আউয়াল হাসান আলাইহিস সালাম ইবনে সাইয়্যিদাতুনা ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদুনা কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! কত সুন্দর সুবিন্যস্ত মাদানী নববী নিসবত মুবারক-এর জাত এবং সত্তাগত অধিকারী ছিলেন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সিতারা, যুগের ইমাম, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম। আল্লাহ আকবর! এমন মাদারজাত ওলী উনার সুমহান শানে অপবাদ আরোপকারী, বিরোধিতাকারী সুন্নী নামের কলঙ্ক রেযাখানীদের পক্ষে কি করে সম্ভব রহমতের মধ্যে থাকা, কি করে সম্ভব হক্বের মধ্যে থাকা? তাই তো তারা আজ তাবৎ হারাম কুফরী-শিরকী আমল-আক্বীদা করতে করতে বাতিল ফিরক্বা হিসেবে সমাজে চিহ্নিত হয়েছে।

– মুহম্মদ সালামাতুল্লাহ ইসলামাবাদী।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)