ইমামুল আ’লাম, জামিউ বাইনায্ যাহির ওয়াল বাতিন, মুফাখ্খরুল আমাছিল ওয়াল আবরার, ফরীদুল আওয়ান, বারাকাতুল আনাম, যাইনুদ্ দ্বীন, সুলতানুয্ যাহিদীন, কুদওয়াতুল হাদীইন, রঈসুল মুতাওয়াক্কিলীন, ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা, ইমাম- রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৯

সংখ্যা: ১১৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

-হযরত মাওলানা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম

আলহামদুল্লিাহ্! আল বাইয়্যিনাত ইসলামের সেই সঠিক ও ছহীহ্ দিক নির্দেশনা বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরে। কাজেই একথা বিনা দ্বিধায় বলা যায় যে, যারা বাইয়্যিনাতের একান্ত পাঠক এবং তার দিক নির্দেশনা মত জীবন যাপনকারী তারা অতি সহসাই হিদায়েতের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্।” কারণ, আল বাইয়্যিনাত সেই আয়াত শরীফেরই মিছদাক যে আয়াত শরীফে আল্লাহ্ পাক বলেন,

افمن شرح الله صدره للاسلام فهو على نور من ربه.

অর্থঃ- “মহান আল্লাহ পাক যার অন্তরকে ইসলাম উনার নিমিত্তে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন সে স্বীয় রব তায়ালা উনার নূরের উপর রয়েছে।” (সূরা যুমার/২২)

আর ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়া-ই-কিরামগণের অভিমত হচ্ছে, আল্লাহ্ পাক যাকে হিদায়েত বা সঠিক পথে পরিচালিত করতে চান, কিংবা স্বীয় মা’রিফাত-মুহব্বত দান করতে চান, তাকে কোন বিশুদ্ধ কিতাব কিংবা হক্কানী-রব্বানী আলিম, পীর-মাশায়িখগণের সন্ধান দান করেন। পাশাপাশি আউলিয়া-ই-কিরামগণের মুহব্বত-ভালবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তার অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। পক্ষান্তরে যারা গোমরাহীর মধ্যে নিবিষ্ট তাদের অন্তর থেকে আউলিয়া-ই-কিরামগণের মুহব্বত, শ্রদ্ধাবোধ উঠে যায়। ফলে শুধু তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ এবং বিরোধীতার মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তে থাকে, ফলে তারা ঈমান হারা হয়ে মৃত্যু মুখে পতিত হয়।    মহান আল্লাহ্ পাক হাদীসে কুদসীতে বলেন,

من عادى لى وليا فقد اذنته بالحرب.

অর্থঃ- “যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করে আমি (আল্লাহ্ পাক) তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।” (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ/১৯৭) মুলতঃ আল্লাহ্ পাক যার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন সে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে দুনিয়া হতে বিদায় নিতে পারবেনা।

স্মর্তব্য যে, আউলিয়া-ই-কিরামগণ যা বলেন বা লিখেন কিংবা প্রচার করেন তা আল্লাহ্ পাক এবং তাঁর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মদদে তথা ইলহাম-ইলকা (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশ) এর মাধ্যমে করে থাকেন।

সুতরাং আউলিয়া-ই-কিরামগণের রচিত কিতাবাদীর মর্যাদা, গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা সেরূপই হয়ে থাকে যেরূপ তাদের মর্যাদা-মর্তবা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

বর্ণিত রয়েছে, ইমার্মু রাসিখীন, সাইয়্যিদুশ্ শুয়ারা, শাইখুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর রচিত “মসনবী শরীফ” যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ পাঠ করে কিংবা শুনে ততক্ষণ পর্যন্ত তার নাম ওলীআল্লাহ্গণের মধ্যে তালিকাভুক্ত থাকে; যদিও তিনি ওলীআল্লাহ্ না হন।   আরো বর্ণিত আছে যে, শাইখুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর সমসাময়িক বিশিষ্ট বুযূর্গ, আল্লাহ্ পাক-এর বিশিষ্ট ওলী, মাহবুবে ইলাহী, কুতুবে রব্বানী, শায়খ ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি যার অমূল্য রচনা “মান্িিতকুত্ ত্বয়ির” মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহিকে “মসনবী শরীফ” রচনার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল। সেই মাহবুবে ইলাহী, শায়খ ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর সমীপে কেউ সদ্য রচিত “মসনবী শরীফ” উপস্থিত করলেন। তিনি তা হাতে নিয়ে আনমনাভাবে রেখে দিলেন। কয়েকদিন পর তিনি অবসরে সময় কাটানোর জন্য মসনবী শরীফখানা হাতে নিয়ে পড়তে লাগলেন। পড়তে পড়তে এমনভাবে অভিভূত হয়ে গেলেন যে, সহসাই তিনি বিস্ময়ের সাথে বলে উঠলেন।

مثنوئے مولوئے معنوی

بست قراں در زبان پہلوی.

অর্থঃ- “হযরত মাওলানা রূমী (রহমতুল্লাহি আলাইহি)-এর “মসনবী শরীফ” যেন ফার্সী ভাষায় কুরআন শরীফ।”

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীবুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ, মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৪

আশরাফুল আউলিয়া, খতীবে আ’যম, ফখরুল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন,  মুহীববু নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাহবুবে রাব্বুল আলামীন, শায়খু কালীমুল্লাহ, কুদ্ওয়াতুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাখদুমে আলম, সিবগাতুল্লাহ, আহলুল্লাহ,মাশগুলুল হক, শামছুল আরিফীন, তাজুল আসফিয়া,  সাইয়্যিদুনা, ইমাম রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধী এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ – ৫

সাইয়্যিদুশ্ শাকিরীন, শাইখুল মুজাহিদীন, সুলত্বনুত্ ত্বহিরীন, ইমামুর রাশিদীন, মুর্শিদু উইলদে আদম, ইমামুস্ সুন্নাহ্, ছহিবে আসরার, যুবদাতুল আরিফীন, মাহ্বুবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, কাবিরুল আউলিয়া, ইমামুল আ’যম, বদরুদ্দীন, হাদীয়ে আকরাম, জারুল্লাহ্, সাইয়্যিদুল আবরার, সাইয়্যিদুনা, ইমাম – রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম  মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৬

রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭

ইমামুল আলম, জামিউ বাইনাল বাতিন ওয়াজ্ জাহির, মুফাখ্খরুল আমাসিল ওয়াল আবরার, ফরীদুল আওয়ান, বারাকাতুল আনাম, জাইনুদ্ দ্বীন, সুলতানুজ্ জাহিদীন, কুদওয়াতুল হাদীইন, রঈসুল মুতাওয়াক্কিলীন, আরকানুল ইসলাম, হুজ্জাতুল আউলিয়া, হাকিমুল আরিফীন,আবুল ফয়েজ ওয়াত্ তাওয়াজ্জুহ্, সাইয়্যিদুনা, ইমাম- রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নাম মুবারকের পূর্বে ব্যবহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ-৭