কচু একটি সুন্নতি সবজি

সংখ্যা: ২৮৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ কচুর উপকারিতা কে বা না জানে। কিন্তু কচু খাওয়াও যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত, তা জানা রয়েছে কী? মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জর্ডানের একমাত্র উপকূলীয় শহর আকাবা থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কচু হাদিয়া করা হয়েছিলো এবং তিনি তা গ্রহণ করেছিলেন।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

وَقَالَ الدُّوْلَابـِيُّ: أَهَدٰى أَهْلُ أَيْلَةَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْقُلْقَاسَ فَأَكَلَهٗ وَأَعَجَبَهٗ، وَقَالَ: مَا هٰذَا؟ فَـقَالُوْا: شَحْمَةَ الْأَرْضِ فَـقَالَ: اِنَّ شَحْمَةَ الْأَرْضِ لَطَيِّبَةٌ

অর্থ: হযরত দূলাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আইলা (আকাবা) এর অধিবাসীরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কচু হাদিয়া হিসেবে পেশ করেন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা খেলেন এবং আশ্চর্য হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, এটা কী? মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, মাটিতে উৎপন্ন (সবজি)। তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই মাটিতে উৎপন্ন (সবজি) অতি উত্তম। সুবহানাল্লাহ! (ইমতাউল আসমা, সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ)

অপর বর্ণনায় এসেছে-

سَعِيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: قَدِمَ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفْدُ أَيْلَةَ بِـجِزْيَةٍ وَهَدِيَّةٍ فِيْهَا الْقُلْقَاسُ فَـقَبِلَ صُلْحَهُمْ وَجِزْيَـتَـهُمْ وَهَدِيَّـتَـهُمْ وَأَكَلَ الْقُلْقَاسَ وَقَالَ: “مَا هٰذَا؟ ” قَالُوْا: “شَحْمَةُ الْأَرْضِ”، قَالَ: “إِنَّ شَحْمَةَ الْأَرْضِ لَطَيِّبَةٌ”

অর্থ: হযরত সায়ীদ ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আইলা থেকে প্রতিনিধি দল জিযিয়া এবং হাদিয়া নিয়ে আগমন করলেন। এর মধ্যে কচু ছিলো। তাদের থেকে তাদের শান্তি চুক্তি, জিযিয়া এবং হাদিয়া গ্রহণ করা হলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কচু খেলেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, এটা কী? উনারা বললেন, মাটির নিচে উৎপন্ন (সবজি)। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই মাটির নিচে উৎপন্ন (সবজি) অতি উত্তম। (আল আছারুল মারউয়িয়্যাতু ফিল আত্বয়ামাতিস সারিয়্যাহ)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করার নিয়তে অত্যন্ত সহজলভ্য সবজি কচু খেলে একটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা হবে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করার ফযীলত হাসিল করা যাবে এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে একটি নিসবত মুবারক স্থাপন হবে। সুবাহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার  মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِـىْ فَـقَدْ اَحَبَّنِـىْ وَمَنْ اَحَبَّنِـيْ كَانَ مَعِىَ فِـى الْـجَنَّةِ

অর্থ: যে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলো সে আমাকেই মুহব্বত করলো আর যে আমাকে মুহব্বত করলো সে আমার সাথেই সম্মানিত জান্নাতে অবস্থান করবে। সুবহানাল্লাহ!

-মুহম্মদ আবু ছাফওয়ান।

 

সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ক্বায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম

যুল ওয়াসীলাহ, খইরুল আলামীন, সাইয়্যিদুছ ছাক্বলাইন, ছাহিবুল কাওছার, যিক্রুল্লাহ, খইরু খলক্বিল্লাহ, আস সিরাজুল মুনীর, ইমামুল মুত্তাক্বীন, মালিকুল কায়িনাত, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াক্বেয়াহ মুবারক

পবত্রি দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে কোন রোগ নাই “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বশ্বিাস করা শরিক”

সম্মানিত শরীয়ত উনার ফাতাওয়া অনুযায়ী “সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দুরে থাকার ব্যাপারে” ইফার ফাতাওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্নরূপে ভুল, মনগড়া, কুফরী ও শিরকীপূর্ণ

কতপিয় সম্মানতি সুন্নতী আমল, যা জানা থাকলে সহজইে আমল করা যায়