কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে- ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সীরাত মুবারক’ প্রতিযোগিতা- ১৪৪১ হিজরী পুরষ্কার: কমপক্ষে ১ কোটি টাকা

সংখ্যা: ২৭৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

বিষয়সমূহ:

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক)।

* নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক)।

* মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ১৩ জন। উনাদের প্রত্যেকের পৃথক পৃথক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক)।

* নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ আলাইহিমুস সালাম (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ৪ জন এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ৪ জন) উনাদের প্রত্যেকের পৃথক পৃথক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক)।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী ও শর্তসমূহ:

১. এই প্রতিযোগিতা সবার জন্য উন্মুক্ত।

২. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক ৬৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত হবে। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ববতী ঘটনা মুবারকসমূহ বা আলোচনা মুবারক এবং পরবর্তী দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৬৩ বছর হায়াতে জিন্দেগী মুবারক ৬৩টি অধ্যায়। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হায়াতে জিন্দেগী মুবারক মাসভিত্তিক সাজাতে হবে, তারপর সাপ্তাহিক এবং পরে প্রতিদিনের বর্ণনা মুবারক সংযোজিত থাকবে। অর্থাৎ প্রথমতঃ বছরভিত্তিক, অতঃপর মাসভিত্তিক, তারপর সপ্তাহভিত্তিক, এরপর দিনভিত্তিক সাজিয়ে লিখতে হবে।

৩. আরবী, বাংলা, উর্দু, ফার্সী ও ইংরেজীসহ যে কোনো ভাষায় লিখিত ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জীবনী মুবারক’ গ্রহণযোগ্য।

৪. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নিসবাতে ‘আযীম শরীফ (নিকাহ মুবারক) দিবস মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় হিজরত মুবারক উনার দিবস মুবারক, সম্মানিত জিহাদ মুবারকসমূহ উনাদের সন, তারিখ, বার, সময় সঠিকভাবে লিখতে হবে। একাধিক মত থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

৫. লেখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব প্রদর্শন করতে হবে। যেমন- ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আলাইহিস সালাম-আলাইহাস সালাম, রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু, রহমতুল্লাহি আলাইহি পরিপূর্ণভাবে লিখতে হবে। নাম মুবারকের ক্ষেত্রে লক্বব মুবারকসহ উল্লেখ্য করতে হবে। আদবের খিলাফ লেখা গ্রহণযোগ্য নয়।

৬. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক) (A-4) কাগজে (solaimanlipi) ফন্টে ১৪ সাইজে কমপক্ষে ১০,০০০ (দশ হাজার) পৃষ্ঠা হতে হবে। তার কম গ্রহণযোগ্য নয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সবার পৃথক পৃথক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক) (A4) কাগজে (solaimanlipi) ফন্টে ১৪ সাইজে কমপক্ষে ১,০০০ (এক হাজার) পৃষ্ঠা করে হতে হবে। তার কম গ্রহণযোগ্য নয়।

আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ আলাইহিমুস সালাম এবং আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আবনাউ রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বানাতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের) সবার পৃথক পৃথক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ ‘উমরী মুবারক (জীবনী মুবারক) (A4) কাগজে (Solaimanlipi) ফন্টে ১৪ সাইজে কমপক্ষে ৫০০ (পাঁচশত) পৃষ্ঠা করে হতে হবে।

৭. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীস শরীফ উনাদের সম্মত হতে হবে। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীস শরীফ উনাদের খিলাফ অথবা দলীল বহির্ভূত কোনো লেখা গ্রহণযোগ্য নয়।

৮. সম্মানিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদাসম্মত হতে হবে। সম্মানিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদার খিলাফ কোনো লেখা গ্রহণযোগ্য নয়।

৯. দলীল উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কিতাবের পুরো নাম, প্রকাশকাল, প্রকাশনা, অধ্যায়ের নাম, খণ্ড এবং পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

১০. সফ্ট কপি এবং হার্ড কপি উভয় কপি জমা দিতে হবে।

১১. লেখা জমা দেয়ার শেষ তারিখ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) ১৪৪২ হিজরী। পুরস্কার প্রদানের তারিখ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) ১৪৪৩ হিজরী।

১২. পুরস্কারের বিবরণ- সর্বাধিক এবং সর্বশ্রেষ্ঠ লেখার লেখককে পুরষ্কৃত করা হবে। পুরষ্কারের পরিমাণ- কমপক্ষে এক কোটি টাকা।

লেখা জমা দেয়ার ঠিকানা :

গবেষণাকেন্দ্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ,

৫/১ আউটার সার্কুলার রোড,

রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা- ১২১৭।

ফোন: ০১৭১১৩৯৫২০১, ০১৭১২৬৪৮৪৫৩, ০১৭১১২৩৮৪৪৭

Web site : al-baiyinaat.net

E-mail : dailyalihsan@gmail.com, contact@al-baiyinaat.net,

 

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)