খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৬

সংখ্যা: ১৯৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-

انما انا قاسم والله يعطى

‘আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বণ্টনকারী আর আল্লাহ পাক দানকারী।’ আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাকে হাদিয়া করে দিয়েছেন। তিনি বণ্টনকারী। তিনি সেখানে থেকে বণ্টন করে দিলেন। সুলত্বানুল হিন্দ খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি কোথায় হিদায়েতের কাজ করবেন, যে আপনি আজমীর শরীফ চলে যান সেটাই আপনার হিদায়েতের কেন্দ্রস্থল। সত্যি তিনি এখানে আসলেন, হিদায়েতের কাজ করলেন। উনার ওসীলায় এক কোটিরও বেশি বিধর্মী ঈমান এনে মুসলমান হলো। সুবহানাল্লাহ!

তা হলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এখনো আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বণ্টনকারী রয়েছেন বিদায় নেয়ার পরও। তিনি শুধু পর্দার আড়ালে।

এরপর আরো ওয়াক্বিয়া রয়েছে, একটা মাশহূর ওয়াকিয়া হচ্ছে, হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি বিশ্বখ্যাত আল্লাহ পাক-উনার ওলী, বুযুর্গ, তিনি যখন মদীনা শরীফ-এ থেকে পড়াশুনা শেষ করলেন, হাদীছ শরীফ-এর উপর পড়া-লেখা শেষ করেছেন, গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন, ইলম অর্জন করেছেন, মুহাক্কিক, মুদাক্কিক তিনি হলেন, ইলমে তাছাউফ চর্চায় মশগুল। প্রতিদিন তিনি আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছোহবত ইখতিয়ার করেন রওযা শরীফ-এ মুরাকাবায় বসে। যখন ইলম চর্চা শেষ হয়ে গেলো তখন আল্লাহ পাক-উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার তরফ থেকে বলা হলো, হে আব্দুল হক্ব! আপনার তো মদীনা শরীফ অবস্থানের স্থান নয়, আপনি এখান থেকে হিন্দুস্থান চলে যান। দিল্লি যান। আপনার হিদায়েতের কেন্দ্র হচ্ছে দিল্লি। আপনাকে সেখানে চলে যেতে হবে। এটা শুনে হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হে আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা কঠিন ব্যাপার আমি আপনাকে ছেড়ে চলে যাবো, এটা আমি বরদাশত করতে পারবো না। আপনার জুদায়ির কারণে আমার পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না। আমি নির্ঘাত ইন্তিকাল করবো সেখানে গেলে। আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, চিন্তার কোন কারণ নেই আপনার হিদায়েতের কেন্দ্রস্থল দিল্লি, আপনি সেখানে যান। প্রতিদিন রাত্রিবেলায় আপনি মুরাকাবায় বসে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!

সত্যি তাই হলো। তিনি মদীনা শরীফ থেকে দিল্লি চলে আসলেন। প্রতিদিন রাত্রিবেলায় তিনি মুরাকাবায় বসে সরাসরি আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাক্ষাতে চলে যান। সেখানে ছোহবত ইখতিয়ার করে সময় কাটিয়ে আবার চলে আসতেন। এরকম হাজারো লক্ষ কোটি ওয়াক্বিয়া রয়েছে, দৃষ্টান্ত রয়েছে যে, আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রত্যেককে স্থান নির্দিষ্ট করে দেন। কোথায় যেতে হবে কোথায় হিদায়েতের কেন্দ্রস্থল হবে সেটা বলে দেন। যেহেতু তিনি বণ্টনকারী।

কাজেই, আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে যারা বলে থাকে উনার বিদায়ে ইবলিস খুশি প্রকাশ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এখানে তো ইবলিসের খুশি প্রকাশ করার কিছুই নেই। নবীদের নবী রসূলদের রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন এবং বিছাল শরীফ প্রত্যেকটাই ইবলিসের জন্য কঠিন। কারণ তার যত শয়তানি চক্রান্ত, সেটা ভেঙে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, চুরমার হয়ে যাচ্ছে যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশে হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম-উনারা সারা দুনিয়াতে দ্বীনের খিদমত সেটা আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। কাজেই, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর সময় ইবলিস খুশি প্রকাশ করেছে, সেজন্য অন্য কোন মানুষের পক্ষে খুশি প্রকাশ করা জায়িয নেই, একথা বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এর থেকে ইসতিগফার-তওবাহ করতে হবে। আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গিয়েছেন আল্লাহ পাক খুশি হয়েছেন আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও খুশি হয়েছেন, আমাদেরও খুশির বিষয় রয়েছে। এজন্য অনেকে বলে থাকে, কেউ যদি ইন্তিকাল করে, বিদায় হয় তাহলে তো শোক করতে হয়। কিছু লোক রয়েছে বদ মাযহাব, বদ আক্বীদা যারা বলে থাকে, মানুষ ইনতিকাল করলে শোক প্রকাশ করতে হয়, তাহলে আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় নিয়েছেন তাহলে কি করে খুশি প্রকাশ করা যেতে পারে? এটা হচ্ছে এদের শয়তানী কথা। ইবলিস একটা না পারলে আরেকটা, আরেকটা না পারলে আরেকটা বলে থাকে। যখন একটার পর একটা জবাব দেয়া হয় তখন একটার পর একটা সে প্রশ্ন তুলে থাকে। এটা তাদের একটা শয়তানী ওয়াসওয়াসার কথা। যেহেতু ইনতিকাল করলে এটার শোক প্রকাশ করতে হয় তাহলে কি করে এটার খুশি প্রকাশ করা যেতে পারে। কিন্তু মূর্খ লোক যারা রয়েছে আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ইলম-কালামের অভাব রয়েছে, কিল্লতে ইলম কিল্লতে ফাহম কম জ্ঞান কম বুঝ এরা জানে না শরীয়তের মাসয়ালা হচ্ছে, কেউ বিদায় নিলে মাত্র তিনদিন শোক প্রকাশ করতে হয় যদি দুনিয়াবী কোন মানুষ হয়, আত্মীয়-স্বজন হলে তিনদিন। সেটা কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-

ان لانحد على ميت فوق ثلاث

ফিক্বাহর কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, যা আদেশ করা হয়েছে, কোন ব্যক্তি ইনতিকাল করলে তার জন্য তিনদিন শোক প্রকাশ করতে হবে, তবে স্ত্রীর জন্য স্বামী ব্যতিত। স্ত্রীর জন্য স্বামী ইনতিকাল করলে চার মাস দশদিন এটা হচ্ছে সাধারণ মানুষের বেলায় শোক প্রকাশ করার হুকুম। কিন্তু হযরত নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যে বিষয়টা রয়েছে এটার সাথে এটা সংশ্লিষ্ট নয়। হযরত নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা যারা রয়েছেন উনাদের আসা এবং বিছাল শরীফ প্রত্যেকটাই রহমত, বরকতের কারণ। যেটা আমরা কুরআন শরীফ-এ দেখতে পাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বলা হয়েছে-

سلام عليه يوم ولد ويوم يموت ويوم يبعث حيا

আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে যে উনার প্রতি সালাম, রহমত, বরকত, সাকীনাহ

يوم ولد

যেদিন তিনি যমীনে আগমন করেছেন।

ويوم يوموت

যেদিন তিনি আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাতে চলে গেছেন।

ويوم يبعث حيا

এবং যেদিন তিনি আবার পুনরুত্থিত হবেন। উনাকে আবার তোলা হবে হাশরের ময়দানে সেদিনও উনার জন্য রহমত, বরকত, সাকীনাহ রয়েছে।

ঠিক একইভাবে হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম তিনি নিজে বলেন যে দেখ, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের হুকুম আলাদা-

السلام على يوم ولدت ويوم اموت ويوم ابعث حيا

তিনি নিজে বলতেছেন যে দেখ, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের হুকুম আলাদা

السلام على يوم ولدت

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বলতেছেন, সালাম, রহমত, বরকত আমার প্রতি যেদিন আমি এসেছি।

ويوم اموت

যেদিন আমি আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাতে চলে যাবো।

ويوم ابعث حيا

যেদিন আমি আবার হাশরের দিন উঠে আসবো। এর প্রত্যেকটি দিনই হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য রহমত, বরকত, সাকীনার কারণ।

এখন হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনাদের আগমন, বিছাল শরীফ এবং সেই হাশরের দিন যদি রহমত, বরকত, সাকীনার কারণ হয় তাহলে উনারা যার উম্মত- আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো হচ্ছেন সমস্ত নবীদের নবী, রসূলদের রসূল। হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি আখিরী যামানায় আসবেন হযরত মাহদী আলাইহিস সালাম উনাকে সাহায্য করার জন্য, দাজ্জালকে হত্যা করার জন্য, খিলাফতকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, খিলাফত জারি করার জন্য উম্মত হয়ে আসবেন। আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হচ্ছেন হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম। এখন উনার আগমন, উনার বিছাল শরীফ এটা যদি রহমত, বরকত, সাকীনার কারণ হয়ে থাকে তাহলে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার আগমন বিছাল শরীফ-এর দিন কি হবে? লক্ষ কোটি গুণ বেশি রহমত, বরকত সাকীনার কারণ। সেটাই আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেছেন

حياتى خيرلكم ومماتى خيرلكم

যে আমার অবস্থান তোমাদের জন্য বরকতময়। আমি চলে যাওয়াটা সেটাও বরকতময়। কোনটাই বরকত থেকে খালি নয়। সুবহানাল্লাহ!  (অসমাপ্ত)

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৫

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৭

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয-৪৮

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে

খলীফাতুল্লাহ্, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্্ইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সুলত্বানুল ওয়ায়িজীন, গউছে আ’যম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে (১০)