পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি যত্ন শীল না হলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিপন্ন বলে আওয়াজ উঠবে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দানকারীরা সুযোগ নিবে। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতা করে কোনো মঞ্চ বা রাষ্ট্রযন্ত্র টিকে থাকতে পারবে না।

সংখ্যা: ২৭৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

সম্প্রতি মহজোট সরকারের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর হাত দিলে দেশে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে।’

প্রসঙ্গত আলোচিত হতে পারে যে, সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বীয় রাজনৈতিক স্বার্থে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পক্ষে এসব কথা বলেছে। কিন্তু দেখার বিষয় হচ্ছে যে- এসব কথা ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করছে। আনন্দিত হচ্ছে। উল্লসিত হচ্ছে। তাদের প্রাণের কথা প্রতিধ্বনিত হয়েছে বলে মনে করছে। প্রতিভাত হচ্ছে- এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী সর্বাগ্রে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে চায়। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে মনে-প্রাণে লালন করে। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধারণ করে। বহন করে। বিস্তার করে।

অনেক সময় সুরত-শেকেলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নিদর্শন না থাকলেও অন্তরে ঠিকই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বীজ লুকায়িত থাকে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জজবা অটুট থাকে।

এ কারণে দেশে হারাম সংস্কৃতির বেসামাল পরিবেশে অনেকে ভেসে গেলেও এক সময় তারা তটস্থ হয়। কাজেই নাট্যমঞ্চ বা সংষ্কৃতি মঞ্চের সামনে ভীড়, সিনেমা হলগুলিতে প্রচুর দর্শক, টিভি সেটগুলোর সামনে অগণিত দর্শক ইত্যাদি দেখে কল্পনা করার কারণ নেই যে- তারা সব পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে ছেড়ে দিয়েছে। একথা ঠিক যে, তারা অনৈসলামী কাজ করেছে। কিন্তু একথাও যুগপৎভাবে প্রযোজ্য যে, প্রতিটি মুসলমান মাত্রই কোনো পাপ কাজের পর তাদের অন্তরে অনুভব হয় যে- তারা গুনাহর কাজ করেছে। তাদের অন্তরে উদয় হয় “মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন ক্ষমা করে দেন।” অথবা তারা এসব গুনাহর কাজ স্মরণ করেই প্রায়ই বলে থাকে- ‘সারা জীবন অনেক গুনাহ করেছি’। নাঊযুবিল্লাহ! এছাড়া এরপরে তারা নামায পড়ে থাকে অথবা কমপক্ষে জুমুয়ার দিন পবিত্র জুমুয়া উনার নামায বা পবিত্র ঈদ উনার নামায পড়ে থাকে। এসব নামাযে উপস্থিতি মূলত তাদের বিগত গুনাহ থেকে তওবা করার বিষয়টাও সংযুক্ত বা মুখ্য থাকে। কাজেই দেশের মানুষ অনৈসলামী কাজে লিপ্ত থাকলেই যে এখান থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উঠে গেছে- একথা মনে করার কোনো অবকাশ নেই। প্রসঙ্গত, কথিত তরুণ প্রজন্ম এলোমেলো চললেও পবিত্র দ্বীন ইসলাম তারা ঠিকই অন্তরে ধারন করে। এজন্য শাহবাগ চত্বর থেকেও বারবার উচ্চারিত হয়েছে আমরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিপক্ষে নই। প্রমাণিত ও প্রতিভাত হচ্ছে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিপক্ষে স্থান নিলে যেমন শাহবাগ চত্বরের অস্তিত্ব থাকতো না, তেমনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিপক্ষে অবস্থান নিলে রাষ্ট্রযন্ত্রও টিকে থাকতে পারবে না।

সম্প্রতি সরকারের অতি উৎসাহী কিছু মুখপাত্র রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে উঠিয়ে দেয়া হবে এমন কথা ছড়াচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!। তাহলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিপন্ন একথাও বহুগুণ সম্প্রসারিত হবে এবং দেশের ৯৮ ভাগ ধর্মপ্রাণ মুসলমান ফুঁসে উঠবে। কথিত তরুণ প্রজন্ম দেশের ভিত্তি নয়। আবার তরুণ প্রজন্মের নামে সবাই পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে নয়। আর দেশের মূলভিত্তি দেশের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। তাদেরকে অবহেলা করলে সরকার নিজের পায়ে কুড়াল মারবে। সরকারকে অবিলম্বে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। এবং নাস্তিক্যবাদী শিক্ষানীতিসহ সব অনৈসলামিক তৎপরতা বন্ধে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। সদিচ্ছা ও সক্রিয়তার প্রমাণ দিতে হবে।

-আল্লামা মুহম্মদ তা’রীফুর রহমান, ঢাকা।

ব্রিটিশ গুপ্তচরের স্বীকারোক্তি ও ওহাবী মতবাদের নেপথ্যে ব্রিটিশ ভূমিকা-৫০

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৩ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫১

‘থার্টিফাস্ট নাইট, ভালেন্টাইন ডে আর পহেলা বৈশাখের’ নামে হুজ্জোতির জন্য ধর্মব্যবসায়ীদের কৌশলগত নিষ্ক্রীয়তা, স্বার্থবাদী মৌসুমী রাজনৈতিক তৎপরতা এবং সংস্কৃতি বিপননকারীদের দূরভিসন্ধিতা ও মধ্যবিত্তের  তত্ত্ব-তালাশহীন প্রবণতা তথা হুজুগে মাতা প্রবৃত্তিই দায়ী

অবশেষে জামাতীরা স্বীকার করিল যে, মুক্তি পাইতে চাহিলে মুরীদ হইতে হয়। আল্লাহ পাক-এর ওলী বা দরবেশ হইতে পারিলে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু জামাতীরা তাহা নয় বলিয়াই আখিরাত তো দূরের কথা দুনিয়াতেই তাহারা দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার। আর মইত্যা রাজাকারের ফতওয়া অনুযায়ী তো- তাহাকেই কতল করা ওয়াজিব।