প্রসঙ্গঃ শাইখুল হদসের দরসে বুখারীর পঞ্চাশ বছর পূর্তি নামধারী জাহিরী আলিমদের ডামাডোলের বিপরীতে মুজাদ্দিদুয্ যামানের পরিচয়-৪

সংখ্যা: ১১৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

কাহিনী বর্ণনা করা আল্লাহ্ পাক-এর সুন্নত, আল্লাহ্ পাক-এর রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত। ইসলামের আলোচনা তাই অনেক ক্ষেত্রেই কাহিনী নির্ভর। “মুসলিম শরীফে” বর্ণিত একজন আলিমের কাহিনী এখানে উল্লেখ্য, যাকে ইল্ম দান করা হয়েছে এবং সে তা অন্যকে শিক্ষা দিয়েছে এবং কুরআন শরীফ ছহীহ্-শুদ্ধভাবে পড়তে শিখেছে। ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্ পাক তাকে বলবেন, ‘হে আলিম বা ক্বারী ছাহেব! তোমাকে এত ইল্ম দেয়া হয়েছিল, শুদ্ধ করে কুরআন শরীফ পাঠ করতে শিক্ষা দেয়া হয়েছিল, তুমি কি করলে?’ সে ব্যক্তি বলবে, ‘আল্লাহ্ পাক! আমি আপনার জন্য ইল্ম শিক্ষা করেছি এবং তা অন্যকে শিক্ষা দিয়েছি, আর আপনার জন্যই আমি কুরআন শরীফ শুদ্ধ করে পাঠ করেছি।’ আল্লাহ্ পাক বলবেন,‘মিথ্যা কথা। বরং মানুষ তোমাকে বড় আলিম বা বড় ক্বারী ছাহেব বলবে, সেজন্যেই তুমি ইল্ম অর্জন করেছ, কুরআন শরীফ শুদ্ধ করে তিলাওয়াত করতে শিখেছ। কাজেই মানুষ তোমাকে বড় আলিম, বড় ক্বারী ছাহেব বলেছে (তোমার বদলা তুমি পেয়েছ)।’ তখন আল্লাহ্ পাক ফেরেশ্তাদেরকে বলবেন, ‘হে ফেরেশ্তারা, তোমরা এ লোকটাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ কর।’ তখন  তাকে চুলে ধরে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

অতএব, বলতে হয় যে, বুখারী শরীফের তথাকথিত দরস শিক্ষাদানের পঞ্চাশ বছর পূর্তির জন্য গণসংবর্ধনার অনুষ্ঠান পালন করা, নফসানিয়াতের জন্য উৎফুল্লের হলেও আসলে খুলুছিয়তের দৃষ্টিতে, ইসলামের আলোকে তা গ্রহণযোগ্য নয়।   কারণ, প্রথমতঃ পঞ্চাশ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানই কুরআন-সুন্নাহ্ সমর্থিত নয়। যেহেতু তা ইহুদী, খ্রীষ্টানদের ধর্মীয় চেতনাভিক্তিক তাদের ধর্ম ও রাষ্ট্রের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। যা মাসিক আল বাইয়্যিনাতের ১১২তম সংখ্যায় ৭৬টি দলীল-আদীল্লাহ্ দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে।  আর বিশেষ করে উল্লেখ্য যে, পঞ্চাশ বছর পূর্তি পালন হল খ্রীষ্টান পাদ্রীদের সম্মান দেয়ার মত অনুষ্ঠান। খ্রীষ্টান পাদ্রীদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্মান দেয়া হয় বা জুবিলী পালন করা হয়। যেমন করা হয়েছিল পোপ পাইয়াসের ক্ষেত্রে।

উল্লেখ্য, পোপ পাইয়াস ছাড়াও, পঞ্চাশ বছরের মূল্যায়ন করা হয়েছিল বাদশাহ্ আকবরের আমলের মূল আলিমে ‘ছূ’ মোল্লা মোবারক নাগরীর ক্ষেত্রেও। তার প্রসঙ্গে তাবাকাত-ই আকবরীতে বলা হয়, “পঞ্চাশ বৎসরকাল তিনি আগ্রায় শিক্ষাদান কার্যে এবং শিষ্যগণকে উপদেশ দানে নিয়োজিত ছিলেন।”   কাজেই দেখা যাচ্ছে যে, পঞ্চাশ বছরের মূল্যায়ন করা উলামায়ে ‘ছূ’দের ক্ষেত্রে নুতন কিছু নয়। তবে এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, ফাসিকের প্রশংসা করলে আল্লাহ্ পাক-এর আরশ কাঁপে। প্রসঙ্গতঃ দরসে বুখারীর পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে যে গণসংবর্ধনা দেয়া-নেয়া হল তাতে মূলতঃ একজন প্রকাশ্য আলিমে ‘ছূ’কে সংবর্ধনা দেয়া হল, তাও আবার ইহুদী-খ্রীষ্টানদের অনুকরণে পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

সুতরাং বলা যায় যে, সে সংবর্ধনা দ্বারা মূলতঃ আল্লাহ্ পাক-এর আরশ কাঁপানোর মতই কাজটি হয়েছে। যেহেতু হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই সৃষ্টির মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট হল আমল থেকে বিচ্যূত পথভ্রষ্ট আলিম।”

মূলতঃ তথাকথিত শায়খুল হদস যে পথভ্রষ্ট ও আমল বিচ্যূত হয়েছে তার নিজস্ব দলীল তথা বুখারী শরীফের আলোকেই তা উল্লেখ করা যায়। নিম্নে তথাকথিত এই শাইখুল হাদীসের গণসংবর্ধনা অনুসারে বিভিন্ন অসঙ্গতি ও আপত্তিকর দিকসমূহ তুলে ধরা হলো- দরসে বুখারীর তথাকথিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বুখারী শরীফের অবমাননা তথাকথিত শাইখুল হাদীসকে কি ইহুদী-খ্রীষ্টানের মত মনে হয়নি? তথাকথিত শাইখুল হাদীস তার বঙ্গানুবাদ ‘বুখারী শরীফের’ ৪৮০ পৃষ্ঠায় নিন্মোক্ত হেডিং-এ ১১৩১ নং হাদীস শরীফের নিম্নোক্ত বঙ্গানুবাদ করেছে – বিধর্মীদের সাদৃশ্য গ্রহণ নিষিদ্ধ ১১৩১ হাদীসঃ “হযরত আবু ইমরান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক জুমুয়ার দিনে হযরত আনাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু লোকজনের গায়ে খায়বরের ইহুদীদের মত চাদর দেখে বললেন, এ মুহূর্তে তাদেরকে খায়বরের ইহুদীদের মত মনে হচ্ছে।”

এ হাদীস শরীফের প্রেক্ষিতে তাই প্রশ্ন জাগে, নিজ হাতে তা লিখে নিজেই যখন তথাকথিত শাইখুল হাদীস ইহুদী-খ্রীষ্টানদের গোল্ডেন জুবিলী তথা সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের মত অনুষ্ঠান করেন তখন তাকে কি খায়বরের ইহুদীর মত অথবা ৫০ বছর পূর্তি পালনকারী খ্রীষ্টান পাদ্রীদের মতই মনে হয়না?  দরসে বুখারীর ৫০ বছর পূর্তির নামে এ স্ববিরোধীতা, মিথ্যাবাদীতা, ধোকাবাজী ও প্রতারণার আশ্রয় কেন?  স্বীয় বুখারী শরীফের অনুবাদে ২১৯৪ নং হাদীসে তথাকথিত শাইখুল হাদীস যে হাদীসটি অনুবাদ ও সন্নিবিষ্ট করেছে তাতে বলা হয়েছে- “হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেলান দিয়েছিলেন, অতঃপর বসে পড়লেন এবং বললেন, মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাক। একথা তিনি বার বার বলতে থাকেন।” বুখারী শরীফের এ হাদীস শরীফের আলোকে উল্লেখ্য যে, তথাকথিত শাইখুল হাদীসের পত্রিকায় গত কয়েক সংখ্যা ধরে এবং বিভিন্ন পত্রিকায় ও পোষ্টার ব্যানারে প্রচার করা হয় যে, দরসে বুখারীর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান।  কিন্তু বাস্তব কথা হলো, বর্তমান যে সময়; সে হিসাবে তার দরসে বুখারীর পঞ্চাশ বছর সময়টি ঠিক নয়। আর এ প্রসঙ্গে তাদের বর্ণিত দলীলই বিস্তর। যেমন, ৫০ বছর  পূর্তির গণসংবর্ধনা উপলক্ষে যে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ পায় তার সম্পাদকীয়তে বলা হয় “… আজিজুল হক … সুদীর্ঘ অর্ধ শতাব্দীর অধিক কাল যাবৎ বুখারী শরীফের দরস দিচ্ছেন।” (স্মাঃ গ্রঃ/১৪) “…. তার মধ্যে বুখারী শরীফের দরসই দিচ্ছেন দীর্ঘ তিপান্ন বছর যাবত।” (স্মাঃ গ্রঃ/১০৮) “…. যিনি পঞ্চাশের অধিক বছর যাবত বুখারী শরীফ পড়াচ্ছেন।” (স্মাঃ গ্রঃ/১৪৪) এবং এ ব্যাপারে খোদ শায়খুল হদস বলে, প্রশ্নঃ বুখারী শরীফ কখন থেকে পড়ানো আরম্ভ করেন? শাঃ হাঃ ২৯ শে শাওয়াল ১৩৭২ হিঃ লালবাগ মাদ্রাসায় সর্ব প্রথম বুখারী শরীফ পড়ানোর সৌভাগ্য অর্জন করি।    উল্লেখ্য, তথাকথিত দরসে বুখারীর পঞ্চাশ বছর পূর্তি পালন উপলক্ষে অনুষ্ঠান করা হয় গত ২৭শে মার্চ ২০০৩। অথচ সঠিক হল- ইংরেজী হিসেবে ৫০ বছর পূর্তি হবে ১৩-০৭-২০০৩ এ। আর আরবী হিসেবে ৫০ বছর পূর্তি হয় ২৯-১০-১৪২২ হিজরী (ইংরেজী ১৪-১-২০০২)         কিন্তু তখন তা না করার কারণ হলো যে তখনও ক্ষমতার ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয় নাই। সুতরাং তখন এই ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান করে তার জনসমর্থনের নমুনা সরকারকে দেখানোরও আবশ্যক হয় নাই। কিন্তু তারপরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে যখন ২০০৩ সালেও তিনি কাঙ্খিত মন্ত্রীত্ব পেলেন না তখন তথাকথিত দরসে বুখারী প্রায় ৫৩ বছর পূর্তির সঠিক সময় হলেও সে সময়কেই ৫০ বছর পূর্তি বলে চালালেন।   তথাকথিত দরসে বুখারীর অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের  সলিমুল্লাহ্র  চপেটাঘাত তথাকথিত শাইখুল হাদীস অনুবাদকৃত বুখারী শরীফের অনেক স্থানে ছবি তোলা যে নাজায়িয, ক্বিয়ামতের দিনে সবচেয়ে কঠিন শাস্তির কারণ, ইত্যকার ভাব সম্পৃক্ত হাদীস শরীফ লিখেও নিজেই সে আমল থেকে সরে এখন হরদম ছবি তোলার মত হারাম কাজে ব্যস্ত। তার কৃত বুখারী শরীফের বঙ্গানুবাদ ৫০২, ১৬০০, ২০০৩, ২৭০৩, ২৭০৪নং হাদীস শরীফে স্পষ্ট ও শক্তভাবে ছবি তোলার বিরুদ্ধে বলা হয়েছে। এমনকি ১৯৯৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক বিচিত্রায় সে নিজেও বলেছিল যে, “বর্তমান সময়ে হজ্ব, চাকুরি ছাড়া অন্য কোন কারণে ছবি তোলা জায়িয নেই।”   কিন্তু এখন নিজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেই বৃষ্টি বর্ষণের মত অবিরামভাবে জ্বলেছে ক্যামেরার ফ্লাশ, ভি.ডিওর চিত্রগ্রহণ।

আরো উল্লেখ্য যে, এবারে শুধু সাংবাদিকরা নয়, এ ছবি তুলেছে, ভি.ডি.ও করেছে তার নিজস্ব বাহিনী। কিন্তু নিজ থেকে ছবি তোলার অনুমতি না দিলে যে কোন সাংবাদিকই ছবি তুলতে পারেনা তার প্রমাণ এই অনুষ্ঠানেই তারা পেয়েছে। উল্লেখ্য, ছবি তোলা নাজায়িয, এটা মূলতঃ ইমামুল আইম্মা, মুহ্ইস্ সুন্নাহ্, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয্ যামান, আওলার্দু রসূল ঢাকা রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর নিজস্ব কোন কথা নয় বরং এটা হাদীস শরীফেরই কথা। সুতরাং আল্লাহ্ পাক-এর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মানলে এই হাদীস শরীফ পালন করতে বাধ্য। যেমন, তথাকথিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের হাক্বীক্বত না জেনে পাকিস্তানের অতিথি সলিমুল্লাহ্ খান যখন দেখলেন যে এভাবে ছবি তোলা হচ্ছে তখন তিনি কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকেন। এরপর বৃক্ততা দেয়ার আগে তিনি পরিচালকের দ্বারা মাইকে ঘোষণা দেয়ান, ‘তার ছবি যাতে না তোলা হয়।’  তার দৃঢ়তার কারণে মাইকে সে ঘোষণা দেয়া হলে কোন সাংবাদিক, ফটোগ্রাফার সেদিন সে অনুষ্ঠানে তার ছবি তোলেনি। এক্ষেত্রে তাই বলতে হয় যে, আগত অতিথি সলিমুল্লাহ্ খান কি প্রমাণ করলেন? ল মূলতঃ তার ঘোষণা দ্বারা এই প্রতিভাত হলো যে, খোদ তথাকথিত শাইখুল হাদীসসহ, আহমক শফী এবং অন্যান্য মুফতী, মাওলানারা সবাই ছবি তুলতে দিয়ে, ভি.ডিও করতে দিয়ে হারাম ও নাজায়িয কাজ করেছে।  ল তিনি এই প্রমাণ করলেন যে, এই সমস্ত শাইখুল হাদীস গং মূলতঃ এযাবৎ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাদের ছবি পেপার-পত্রিকায় ছাপিয়েছে।  ল তিনি আরো প্রমাণ করলেন যে, কোথাও অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ ছবি  তুলতে চাইলেও সেখানে বাধা দেয়া উচিৎ, মুখে বলা উচিৎ এবং মুখে বললে, বাধা দিলে তখন সাংবাদিক, ফটোগ্রাফার কেউই ছবি তুলতে পারেনা বা তোলেনা। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, আগত মেহ্মান হয়ে যদি তিনি এই ঘোষণা দিতে পারেন তাহলে এই অনুষ্ঠানের হোতা খোদ শাইখুল হদসের কি করা উচিৎ ছিল? সে যদি মুখে বলে দিত তাহলে শুধু সলিমুল্লাহ্র নয় পুরো অনুষ্ঠানেরই ছবি, ভি.ডিও সব বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু সে বিষয়ে টু-শব্দ মাত্র না করে সে, সেই হাদীস শরীফেরই মিছদাক হলো, “যে কোন অন্যায় কাজ সংঘটিত হতে দেখেও চুপ থাকে সে বোবা শয়তান।”

-মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান, ঢাকা।

খতমে নুবওওয়াত প্রচার কেন্দ্র খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারীরা কাফির ইসলামী শরীয়তের হুকুম মুতাবিক যারা মুসলমান থেকে খতমে নুবুওওয়াত অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয় (যেমন- কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি) (তাদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩দিন। এরপর তওবা না করলে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড)

রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারকের পূর্বে র্ববহৃত লক্বব বা উপাধি এবং তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ

ইলমে আকলিয়ার দৈন্য এবং বিলায়েতের অনুপস্থিতির কারণে প্রকৃত আলিমে দ্বীন তৈরি হচ্ছে না।

একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স,আ, ত, ম আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে

মানব ক্লোনিং- পরিণতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা