ধারাবাহিক
দ্বীন ইসলাম বলছে, “প্রাণীর ছবি তৈরী করা বা করানো হারাম।” (বুখারী, মুসলিম, ফতহুল বারী, শরহে নববী, হিদায়া)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “জায়িয।” তাই তারা ও তাদের ভাড়াটিয়া বিদেশী পীরেরা অহরহ পেপার পত্রিকায় ছবি উঠায়, তাদের মাহফিলগুলো ভিডিও করা হয়। (রেযাখানী মুখপত্র)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “নফল নামায (তারাবীহ, ইস্তিস্কা ও কুসূফ ব্যতীত) জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী।” (ফতহুল ক্বাদীর, মাবছূত, হিদায়া)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “জায়িয।” (রেযাখানী মুখপত্র)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “আত্মশুদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে একজন কামিল পীর ছাহেবের নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয।” (ফতহুর রব্বানী, ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন, মাকতুবাত শরীফ)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “মুস্তাহাব।” (রেযাখানী মুখপত্র)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।” (হাদীস শরীফ, হিদায়া, মারাকিউল ফালাহ)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “ভঙ্গ হবে না।” (মিরআতুল মানাজীহ)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “দাফনের পর কবরের উপর আযান দেয়া বিদয়াত।” (হাদীস শরীফ, শামী)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “সুন্নত।” (জা’আল হক্ব)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “ছানী আযান মসজিদের ভিতরে দিবে যা ইজমায়ে আযীমত দ্বারা প্রমাণিত। সুন্নতে ছাহাবা।” (আহকামুল কুরআন, আইনী, ফতহুল ক্বাদীর)
দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “ছানী আযান মসজিদের ভিতর দেয়া মাকরূহ।” (আহকামে শরীয়ত)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “ফরয নামাযের দু’সিজদার মাঝে ‘আল্লাহুম্মাগফিরলী … ” দোয়া সম্পূর্ণ পড়া যাবেনা।” (হিদায়া, শামী, বেকায়া)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “ফরয-নফল সব নামাযে উক্ত দোয়াটি সম্পূর্ণ পড়া যাবে।” (রেযাখানী মুখপত্র)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরের তৈরী।” (কুরআন শরীফ, মসনদে আব্দুর রাযযাক, মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া)
আর দ্বীনে রেযাখানী বলছে, “তিনি মাটির তৈরী।” (ফতওয়ায়ে আফ্রিকা)
দ্বীন ইসলাম বলছে, “পর্দা করা ফরয। বেগানা মহিলার দিকে দৃষ্টি দেয়া হারাম কবীরা গুণাহ।” (কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ, ফিক্বাহ-এর কিতাবসমূহ)
আর দ্বীনে রেযাখানীতে পর্দার কোনই গুরুত্ব নেই। তাই তারা এমনকি তাদের আমদানীকৃত পীর ছাহেবরা পর্যন্ত বে-পর্দা হয়। (বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা)
এমনিভাবে আরো বহু বিষয়েই তারা দ্বীন ইসলামের বিপরীত মত পোষণ করে থাকে। স্থান সংকুলান হেতু সবগুলো এখানে উল্লেখ করা সম্ভব হলোনা। প্রয়োজনে পরবর্তীতে উল্লেখ করা হবে। (ইনশাআল্লাহ)
রেযাখানীরা যখন দ্বীন ইসলাম বাদ দিয়ে কুফরী আক্বীদাযুক্ত ‘দ্বীনে রেযাখানী’ প্রচারে লিপ্ত; ঠিক তখনি মুজাদ্দিদুয যামান, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর পৃৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত তাজদীদী মুখপত্র আল বাইয়্যিনাতে সেগুলোর দাঁতভাঙ্গা জবাব আসতে থাকে।
রেযাখানীরা তা দলীলের দ্বারা খন্ডন করতে না পেরে মনগড়া, বানোয়াঁ, প্রতারণামূলক ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করছে আর বলছে, রাজারবাগীদের কাছে দ্বীন নিরাপদ নয়। অবশ্যই নিরাপদ নয় তবে দ্বীন ইসলাম নয় বরং দ্বীনে রেযাখানী। যা রেযাখানীরা ভালভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, আল বাইয়্যিনাতের কারণে রেযাখানীদের বাতিল ও কুফরী মতবাদগুলো অচিরেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আর এটাই তো আল্লাহ পাক উনার ঘোষণা,
وقل جاء الحق وزهق الباطل ان الباطل كان زهوقا.
“হে হাবীব (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি বলুন, সত্য এসেছে, মিথ্যা দূরীভূত হয়েছে। আর মিথ্যা দূরীভূত হওয়ারই যোগ্য।”
-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইছহাক, বাসাবো, ঢাকা।
ইলমে আকলিয়ার দৈন্য এবং বিলায়েতের অনুপস্থিতির কারণে প্রকৃত আলিমে দ্বীন তৈরি হচ্ছে না।
একই অঙ্গে বহু রূপে সজ্জিত স,আ, ত, ম আলাউদ্দিনের বিকৃত রুচি সম্পন্ন লিখার প্রতিবাদে