বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-৪

সংখ্যা: ২৭১তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাাহ পাক তিনি মহা পবিত্র কালামুল্লাাহ শরীফ উনার মাঝে মহাপবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)

তারই প্রতিফলন ঘটেছে বাস্তবে বার বার বহুভাবে। যেমন, বর্তমানে বাংলাদেশে ইহুদী মালিকানাধীন বহুজাতিক নব্য নীলকর কোম্পানিগুলি গোল্ডেন রাইস এবং বিটিবেগুন এর মতো জেনেটিক্যালী মডিফাইড ফুড আমদানী করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শতকরা ৬৯ ভাগ চাষযোগ্য অনাবাদী জমি রয়ে গিয়েছে। এই জমিগুলি যদি সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে আবাদ করা হয় তবে এমনিতেই প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি ফলন উপহার নিয়ে আসতে পারে। তাহলে কেন নব্য নীলকরেরা বাংলাদেশে নীলচাষের আধুনিক রুপ জি এম ও ফুডের প্রচলন ঘটাতে চাইছে?

(৬)

এভাবে জেনেটিক্যালি মডিফাই করা কোন কোষের মাঝে যে ট্রান্সজেনিক লাইন (ঞৎধহংমবহরপ ষরহব) থাকে তার স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা যতক্ষণ কোষটির মাঝে এই ঞৎধহংমবহরপ ষরহবটি অবিকৃত থাকবে, ততক্ষণ কোষটি উদ্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের প্রোটিন তৈরি করবে (হতে পারে এটি কোন নির্দিষ্ট জীবাণু বা কীটপতঙ্গের প্রতিষেধক)। ঐ জিএম কোষটি থেকে পরবর্তিতে যে নতুন কোষগুলো প্রজননের মাধ্যমে তৈরি হয় তার ঞৎধহংমবহরপ ষরহব যে মাতৃকোষের মতো হবে তার কোন নিশ্চয়তা এখন পর্যন্ত জিএম প্রযুক্তি দিতে পারেনি, কেননা বিভিন্ন উৎস হতে আসা বিভিন্ন ডি.এন.এ এর জয়েন্ট বা জোড়াগুলো থাকে খুবই দূর্বল, বিশেষ করে যখন কলি ফ্লাওয়ার মোজাইক ভাইরাস থেকে তৈরি ঈধগঠ ৩৫ঝ ঢ়ৎড়সড়ঃবৎ ব্যবহার করা হয় (বর্তমানে এটাই সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত)। কেননা এটা সবারই জানা যে এই ঢ়ৎড়সড়ঃবৎটির বিভাজ্যকরণ ও পুনর্গঠনের প্রবণতা রয়েছে।

এতদিন এই ওপেন সিক্রেট কে সযতে এড়িয়ে গিয়ে শুধু মেনডেলিন রেশিওর মাধ্যমে জেনেটিক স্থায়িত্বের প্রমাণ দেয়া হতো যা মোটেই স্থায়িত্বের প্রমাণ দেয়না। যে কারণে বিজ্ঞানী ও পরিবেশবাদী- যারা এখনও কর্পোরেট কোম্পানীর কাছে নিজেদের মস্তিস্ক বিক্রি করেননি, তাদের চাপে অবশেষে ২০০১ ইউরোপিয়ান ডিরেকটরিতে (২০০১/১৮/ইসি) ঞৎধহংমবহরপ ষরহব এর স্থায়িত্বের প্রমাণের প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যদিও ২০০৩ সালের আগ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে এর কোন গবেষণা হয়নি। ২০০৩ সালে ফ্রেঞ্চ সরকারের কয়েকজন বিজ্ঞানী মনসান্টোর গড়হ৮১০ ভূট্টা, জড়ঁহফ টঢ় জবধফু সয়াবিন, এঅ২১ ভূট্টা, বেয়ারের (আগের আবহঃরং) ঞ২৫ ভূট্টা এবং সিনজেনটার ইঃ ১৭৬ ভূট্টা এর বিষয়ে এক গবেষণায় দেখতে পান প্রত্যেক ক্ষেত্রেই গুলো পুনর্বিন্যস্ত হয়ে গিয়েছে। বেলজিয়ামের গবেষকগণ উল্লোখিত শস্যগুলো ছাড়াও ইঃ ১১ ভূট্টার ক্ষেত্রেও পুনর্সজ্জিত দেখতে পান। এখানে উল্লোখ করা যেতে পারে, উভয় দেশের বিজ্ঞানীদের দেখতে পাওয়া পুনর্বিন্যাসের মাঝে আবার কমবেশি অমিল রয়েছে, যা এর অস্থিতিশীলতা ছাড়াও এর বিষমরূপতারও প্রমাণ।

মহান আল্লাাহ পাক তিনি মহা পবিত্র কালামুল্লাাহ শরীফ উনার মাঝে মহাপবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)”

তারই প্রতিফলন ঘটেছে বাস্তবে বার বার বহুভাবে। যেমন, বর্তমানে বাংলাদেশে ইহুদী মালিকানাধীন বহুজাতিক নব্য নীলকর কোম্পানিগুলি গোল্ডেন রাইস এবং বিটিবেগুন এর মতো জেনেটিক্যালী মডিফাইড ফুড আমদানী করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শতকরা ৬৯ ভাগ চাষযোগ্য অনাবাদী জমি রয়ে গিয়েছে। এই জমিগুলি যদি সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে আবাদ করা হয় তবে এমনিতেই প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি ফলন উপহার নিয়ে আসতে পারে। তাহলে কেন নব্য নীলকরেরা বাংলাদেশে নীলচাষের আধুনিক রূপ জি এম ও ফুডের প্রচলন ঘটাতে চাইছে?

-মুহম্মদ আব্দুল জাব্বারিউল আউওয়াল।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)