বিরোধীতা হওয়া, অপবাদ রটনা হওয়া, মিথ্যা তোহমত যুক্ত হওয়া আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত॥ কুমন্ত্রক ও কায্যাবরাই যে সুন্নত পালনে সহায়তাকারী- ৩

সংখ্যা: ১২৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

কওমী বা খারিজী বলে একটি ধারা এদেশে বিরাজমান। হালে এ ধারাটির তবিয়ত দেখে প্রতিভাত হয় যে, ঐ প্রবাদ এদের জন্য যথাযথভাবে প্রযোজ্য- ‘আলিমরা মাটির নিচে গেছে আর মুর্খরা সব জায়গা দখল করে নিয়েছে।’ উল্লেখ্য, কুরআন শরীফের বিরোধিতাকারীরাও যেমন লুকিয়ে লুকিয়ে কুরআন শরীফ শুনত তেমনি আল বাইয়্যিনাত বিরোধী খারিজী ও ওহাবীরাও ঠিকই চুপে চুপে আল বাইয়্যিনাত পড়ে থাকে। ছাত্ররা তো বটেই উস্তাদরাও খুবই গুরুত্ব সহকারে পড়ে থাকে।  তাতে ওস্তাদরা আগেই বুঝে থাকে যে আল বাইয়্যিনাত-এর দলীল তথা ইলম্ এর কাছে তাদের ইলম সমুদ্রের তুলনায় সুঁচফোটাও নয়। অতএব, সেক্ষেত্রে যা হচ্ছে, ইচ্ছায় অনিচ্ছায় ছাত্ররা আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের দিকে ঝুঁকছে এমনকি তদ্বপ্রেক্ষিতে কেউ কেউ খারিজী আক্বিদার বিপক্ষে প্রশ্নও তুলছে।  বিশেষ করে বাইয়্যিনাত-এর দলীল সমৃদ্ধতা খারিজী উস্তাদদের গুটি কয়েক দলীলের উদ্ধৃতিকে চরমভাবে উপহাস করছে। এমতাবস্থায় খারিজী উস্তাদরা নিজেদেরকে একান্ত অসহায় মনে করছে। এর ফলে তারা স্বীয় মান-মর্যাদা রক্ষার জন্য এখন দুষ্ট বুদ্ধির আশ্রয় নিয়েছে। সূত্র জানায়, এ লক্ষ্যে এখন প্রায় সব খারিজী উস্তাদরা একজোট হয়েছে যে, তারা তাদের ছাত্রদের মাথায়, মনে-মগজে বদ্ধমূলভাবে রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলার নাহক্ব বিরোধিতা ঢুকিয়ে দিবে। আর এজন্য নীতিহীনতা, ভ্রষ্টতা, শঠতা, কুটকৌশল তথা ছলনার, মিথ্যার আশ্রয় নিতে হলেও নির্দ্বিধায় তারা তাই করবে।  অতি সম্প্রতি একটি খারিজী মাদ্রাসার প্রকাশিত বার্ষিকীতে এ বিষয়টিই স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে। সেখানে তারা বলেছে যে, “রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী যে এত এত ফতওয়া দিচ্ছেন কিন্তু যখন সরকার ফতওয়া বন্ধ করে দেবার উপক্রম করছিল তখন তাদের কি ভূমিকা ছিল? তারা তো তখন এর বিরুদ্ধে কিছু বলে নাই।” মূলতঃ এসব কথা বলে তারা তাদের অবুঝ ছাত্রদের রাজারবাগ শরীফের বিরোধী করে নিজেদের দিকে ধরে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের সমস্ত ষড়যন্ত্র যে শুধু মিথ্যার ভিত্তিতেই পরিচালিত। আর মিথ্যা তো কখনও টেকসই হয়না। উল্লেখ্য, ফতওয়া বন্ধের বিরুদ্ধে মুজাদ্দিদে আ’যম, মুফতিউল আ’যম, ইমামুল অ’াইম্মা, রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর বক্তব্য ছিল সবচেয়ে তীব্র ও কার্যকর, প্রজ্ঞাপূর্ণ ও গঠনমূলক। এমনকি তাঁর পত্রিকা আল বাইয়্যিনাত এর সম্পাদকীয়তেও এ বিষয়ে বলা হয়েছিল। আল বাইয়্যিনাত-এর ৯১তম সংখ্যার সম্পাদকীয় নিবন্ধে লেখা হয়েছিল-  “তবে গণতান্ত্রিক সরকারের একটি দাবী হচ্ছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা। সুতরাং সম্পূর্ণ ও অপ্রাসঙ্গিক ফতওয়া প্রদান ও প্রয়োগ নিরুৎসাহিত করণের নামে যেন ফতওয়ার দ্বারকেই রূদ্ধ না করা হয়। অন্যথায় তা কেবল ধর্মীয় স্বাধীনতাতেই হস্তক্ষেপ করা হবেনা বরং তা হবে সুস্পষ্ট ধর্মীয় সংঘাত তৈরীর তাজা রসদ। বলাবাহুল্য, গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় আইনের উৎস যেমন আইনসভা, সুপ্রীম কোর্ট তার অভিভাবক মাত্র, তেমনি প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে কোর্ট ইসলামী আইন তথা ফতওয়ার পর্যালোচনা করছে মাত্র। কিন্তু সুপ্রীম কোর্ট যেমন আইন সভাকে গুরুত্বহীন বলতে পারেনা, তেমনি ইসলামী আইনের উৎস কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজ্মা ও ক্বিয়াসের ধারা বা ফতওয়া তথা যোগ্যতাধারী সংশ্লিষ্ট মহল বা মুফতীদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে পারেনা কোনভাবেই। পাশাপাশি ফতওয়া দানের অধিকারের ক্ষেত্রে অনাবশ্যক সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং এই অধিকারকে সংকীর্ণগন্ডীতে আবদ্ধ করার প্রবণতাও প্রভূত অসন্তোষ ও অরাজকতার অবকাশ ঘটাবে বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।  ফতওয়া নিয়ে উদ্ভূত জটিলতার পেছনে প্রজ্ঞাপুর্ণ শরয়ী ইল্মের ঘাটতিই কেবল নয়, পাশাপাশি কু-প্রবৃত্তি সংশোধনের অভাবের ক্ষেত্রে ইল্মে তাছাউফ শূন্যতাই মূল কারণ। ইতিহাস বলে- সব মুহাক্কিক মুফতীগণই ইল্মে তাছাউফে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।”কাজেই দেখা যাচ্ছে যে, আল বাইয়্যিনাতেই ফতওয়া রদ করা সংক্রান্ত বিষয়ে সবচেয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করা হয়েছে।

অতএব, বলতে হয় যে, অধুনা খারিজী ওহাবী মাদ্রাসার উস্তাদরা যে মিথ্যার প্রক্রিয়ায় তাদের ছাত্রদের রাজারবাগ শরীফ-এর বিরোধী করে রাখতে চাইছে তাতে করে সত্যানুসন্ধানীদের তারা ধরে রাখতে পারবেনা। চাপে পড়ে বা হুজুগে মেতে খারিজী ছাত্ররা সাময়িকভাবে রাজারবাগ শরীফ-এর বিরোধিতা করলেও তারা অন্তরে অন্তরে তাদের উস্তাদদের ঠিকই মিথ্যাবাদী ও ধোকাবাজ মনে করবে এবং এই কারণেই দেখা যায় যে এসব খারিজী ওহাবী মাদ্রাসার ছাত্রদের আদব-কায়দা খুবই কম। প্রায়ই উস্তাদ-ছাত্র লাঠা-লাঠি, মারামারি করে। স্মর্তব্য, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর কাফিররা যখন মুসলমানদের সাথে সামনা সামনি উঠা-বসা করতে পারল তখন তাদের এতদিনের ভ্রান্ত বিশ্বাস সহজেই দূরীভূত হল। তেমনি আল বাইয়্যিনাতের দলীলের প্রবাহে খারিজী উস্তাদদের মিথ্যার প্রচারণার দেয়াল ভেঙ্গে যখন সত্যানুসন্ধানীরা বেরিয়ে আসবে তখন ধোকা শঠতা, ছলনা, প্রতারণা, অপবাদ আর অপপ্রচারে মিথ্যায় ভরপুর খারিজীদের বার্ষিকী, সাময়িকী তাদের জন্যই বুমেরাং হয়ে দাঁড়াবে। কুমন্ত্রক কায্যাব উদ্দীন ও সুলায়মান গং তখন তাদের মিথ্যার বেসাতীতে তৈরী ছাত্রদের দ্বারাই ধরাশায়ী ও লাঞ্ছিত হবে। (চলবে)

-খন্দকার মুহম্মদ সাখাওয়াত হুসাইন

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে

মাহিউদ্দীনের দেয়া মদনপাল আর প্রিন্সিপালের উপমা কাফিরদেরই উপমার মত ওরা আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত নয়, আশরাফ আলী থানভীর উম্মত হতে চায়

এ বৎসরের শুরুতে ভারতের কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য চেয়ে ফর্ম বিলি পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ। ভারতে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ভারতে কাশ্মিরী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের খবর বিচ্ছিন্ন নয়। অব্যাহত এবং ভয়াবহ কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন

মতামত ইরান ফিলিস্তিনে ইসরাইলী হামলার জন্য বিশেষভাবে দায়ী সালাফী-লা মাযহাবী ওহাবী মালানারা কারণ তারাই সৌদি ইহুদী শাসকদের প্রশংসা করে, পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের দোষ-ত্রুটি এবং মুসলমান বিদ্বেষী ও ইসলাম বিরোধী কাজ চুপিয়ে রাখে বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে তাদের কুফরী আক্বীদা প্রচার করে অথচ সৌদি তথা আরব শাসকরাই ট্রাম্পকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। আর তা দিয়েই ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণী দেশ- আমেরিকা নিজে বাঁচে কুখ্যাত ট্রাম্প মুসলমানদের শহীদ করার অস্ত্র নিজে বানায় আর ইসরাইলকেও দেয় বিশ্ব মুসলমানের তাই শুধু কুখ্যাত ট্রাম্প আর নিয়াহুর বিদ্বেষী হলেই হবে না পাশাপাশি সৌদি তথা আরবের ইহুদী শাসক সহ সালাফী লা মাযহাবী, ওহাবী মালানাদেরও মূলোৎপাটন করতে হবে ইনশাআল্লাহ!