মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনাকে জড়িয়ে এনটিভি’র চরম মিথ্যা, বানোয়াট প্রতিবেদন প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে পঠিত বক্তব্য (প্রথম ভাগ) স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ৩য় তলা। তারিখ: ২৭/০২/১৪৪১ হিজরী, ২৮/০৫/১৩৮৭ শামসি, ২৭/১০/২০১৯ খ্রিঃ, সময়: বেলা ১১ ঘটিকা। আয়োজনে : রাজারবাগ দরবার শরীফ, ঢাকা।

সংখ্যা: ২৭৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ!

আপনারা অবগত রয়েছেন, কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ ফালু এবং জামাত-শিবির ঘরানার সাংবাদিক দ্বারা পরিচালিত এনটিভি বিগত ০৮-১৩/১০/২০১৯ তারিখে “সমতল থেকে পাহাড়ে” শীর্ষক একটি বানোয়াট মিথ্যা ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রচার করে। প্রতিবেদনে কোন প্রমাণ ছাড়া এবং পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার দায়িত্বশীল কারো সাথে যোগাযোগ না করে, কোন বক্তব্য না জেনে, পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার বিরুদ্ধে জঘণ্য মিথ্যাচার, তথা রাজারবাগের সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামে মহাতথ্য সন্ত্রাস চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে আপনাদের সম্মুখে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের ৩য় তলা কনফারেন্স রুমে উপস্থিত হয়েছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

প্রথমেই যে বিষয়টি আলোচিত হওয়ার দাবী রাখে সেটি হলো- মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মধ্যে কার্যক্রম কী।

এখানে প্রথমেই বলতে হয়-

* ৬০ লাখের বেশি মুরীদ এবং কোটি কোটি ভক্ত।

* রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করেন। কিন্তু কেন করেন? এর ব্যাখ্যা কি? সেখানে সফিক শাহীনের ভূয়া মন্তব্যের মূল্যায়ন কোথায়?

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে এসে-

* লাখ লাখ বেনামাজী নামাজ পড়ছেন।

* লাখ লাখ বেরোজাদার রোযা রাখছেন।

* অনেক ঘুষখোর ঘুষ খাওয়া ছেড়েছেন।

* অনেক দুর্নীতিবাজ দুর্নীতি ছেড়েছেন।

* অনেকে পবিত্র পর্দা শুরু করেছেন।

* অনেকে হাফেজ, ক্বারী, মাওলানা, মুফতী তথা আল্লাহওয়ালা হয়েছে।

* পবিত্র রাজারবাগ শরীফে অপচয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা দেয়া হয়। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি অপচয় রোধ করে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণে একটা সক্রিয় মনোজগত তৈরী করা হচ্ছে।

* স্বদেশের প্রতি মুহব্বত, মাতৃভাষার প্রতি মুহব্বত ঈমানের অঙ্গ বলে দৃঢ়চেতনা দিয়ে একটা দেশহিতকর জনগোষ্ঠী তৈরী করা হচ্ছে।

* পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ হিসেবে দৃঢ় তালীম দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ডেঙ্গু দমনে পবিত্র দরবার শরীফ উনার লোকেরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।

* পবিত্র দরবার শরীফে শিক্ষা নিয়ে অনেক ভেজালকারী ভেজাল দেয়া বন্ধ করেছে, ওজনে কম দেয়া বন্ধ করেছে সত্যিকার ইসলামী জীবন-যাপন আরম্ভ করেছে।

* পবিত্র দরবার শরীফ উনার পক্ষ থেকে সব সময় ইলম অর্জনের বিষয়ে তাগীদ দেয়া হয়।

* পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ উনার মধ্যে তুলনামূলক অনেক বেশি কিতাবী ইলম এবং কম্পিউটার সাইন্স-এর মতো সব অত্যাধুনিক বিষয় সমন্বয়ে সহীহ ইলম শিক্ষা দেয়া হয়।

বিশেষ করে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি প্রতিদিন উপস্থিত মুরীদ মোত্তাক্বিদদের পরনিন্দা, লোভ, হয়রানি, মিথ্যা লোক দেখানো ধোঁকা, আত্মসাৎ পরের হক্ব নষ্ট ইত্যাদি বিষয়ে অত্যান্ত মূল্যবান নসীহত পেশ করেন। অনেকেই এসব নসীহত নিজ জীবনে বাস্তবায়নের ধন্য হয়েছেন। সেক্ষেত্রে শফিক শাহীনের মত অর্বাচীনের ভূয়া মিথ্যা মন্তব্যের অস্তিত্ব কোথায়?

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে আর্থিকসহ সব ধরনের সক্রিয় সহযোগিতা, রূহানী মদদ এবং সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার পর ১৯৭২ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং সব ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে ওয়াজ মাহফিল করাসহ যুগপৎভাবে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ ও ‘দৈনিক আল ইহসান’-চালিয়ে আসছেন এর সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। যা সব গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের সব সহল বিশেষভাবে অবগত।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য ১৯৯১ সাল থেকে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মধ্যে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে এবং ধর্মপ্রাণদের পক্ষে তীব্র জনমত গঠন করা হয়। সেই ১৯৯৩ সালেই মাসিক আল বাইয়্যিনাত এর ১২তম সংখ্যায় ‘রাজাকার জামাত-শিবিরের বিচার করে এদেরকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়।’

এছাড়া সারাদেশে মাহফিলের মাধ্যমে জামাত-শিবির কোণঠাসা হয়ে যায়। যার প্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা সহজ হয়। ১৯৯৬ সালে দৈনিক আল ইহসান শরীফ বের হওয়ার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম আরো বহুগুনে বেগবান হয়। তখন প্রতিদিনই জামাত-শিবির রাজাকার গংদের মুখোশ উন্মোচন করা অব্যাহত থাকে। এতে যুদ্ধাপরাধী মহল পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি আরো ক্ষেপে যায়। ফলে আর্ন্তজাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী সাঈদী ওরফে ইহুদী সাবেক জোট সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকাকালে ১৬.০৪.২০০৬ তারিখে ‘আল বাইয়্যিনাত সদস্যদের গ্রেফতারের আহ্বান জানায়।’ সারাদেশে আমাদের অগণিত মাহফিলে হামলা চালায় রাজাকার জামাত-শিবির। শত শত মাহফিলে আমাদের শতাধিক গাড়ী ভাংচুর চালায় যুদ্ধাপরাধী জামাত-শিবির।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

তারপরও রাজারবাগ শরীফের সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার কার্যক্রম থেমে যায়নি। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে দৈনিক আল ইহসানে জামাত-শিবিরের কার্যক্রম নিয়ে ‘বিশেষ ক্রোড়পত্র’ প্রকাশ করা হয়। যা মহাজোট সরকারের সকল প্রার্থীদের কাছে পাঠানো হয়। এর সুফল দেখা যায় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। মহাজোট সরকার নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার আগে সারাদেশে জনমত তৈরী করতে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের বিচারের দাবিতে সারাদেশে ৬টি বিশেষ পোস্টার লাগানো হয়। (নমুনা সংযুক্ত) এতে আমাদের প্রতি জামাত-শিবিরের ষড়যন্ত্রও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বহুগুণ বিস্তার লাভ করে। স¤প্রতি তাদের সাথে নতুন করে যোগ দিয়েছে জামাত-রাজাকারদের এজেন্ট মোসাদ্দেক আলী ফালু ও তার মালিকাধীন চ্যানেল এনটিভি’র সফিক শাহীনসহ কতিপয় হলুদ সাংবাদিক।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় জালিম কে আছে, যে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপ করে।” (পবিত্র সূরা আনআম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১, পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৭, পবিত্র সূরা ইউনূস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭)

অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপ করে তারা সফলতা লাভ করবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। (পবিত্র সূরা নহল শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)

অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার প্রতি তারা মিথ্যারোপ করেছে। নিশ্চয়ই আপনার পূর্ববর্তী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রতিও মিথ্যারোপ করা হয়েছিলো। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮৪)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আপন চাচা আবু লাহাব এবং আত্মীয়-স্বজন তথা আবু জাহিল গংও, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে অপবাদ রটনা করতো। নাঊযুবিল্লাহ! শুধু তাই নয়, ইমামে আ’যম ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি, গাউসুল আ’যম হযরত বড় পীর সাহেব রহমাতুল্লাহি, ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহিসহ সব বড় ওলীআল্লাহগণের নামেই নানা অপবাদ, অপপ্রচারণা করা হয়েছিল। এমনকী কাফির ফতওয়া পর্যন্ত দেয়া হয়েছিল। নাঊযুবিল্লাহ!

সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা!

সে মহান সুন্নতই পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মহান মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পালিত হলো কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ ফালুর জামাত শিবির সম্পৃক্ত (যা ওপেন সিক্রেট) এনটিভির মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মনগড়া বক্তব্য দিয়ে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার বিরুদ্ধে প্রতারণাপূর্ণ প্রতিবেদনে। তবে এরূপ মিথ্যার বিরুদ্ধে জিহাদ করাও ফরয এবং সুন্নত। আমরা তাই পালন করতে চাচ্ছি।

সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা!

প্রতারক প্রতিবেদক সফিক শাহীন পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনাকে একটা মামলাবাজ সিন্ডিকেট হিসেবে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

প্রকৃত সত্য হলো, পবিত্র রাজারবাগ শরীফ- দেশ বিদেশের ৬০ লাখেরও অধিক মুরীদান এবং কোটি কোটি ভক্তদের সমাহারে একটা মহান পবিত্র দরবার শরীফ। পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম প্রতিদিন বাদ ফজর, যোহর, আছর, মাগরিব তা’লীম-তালক্বীন দেন এবং প্রতিদিন বাদ ইশা সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাহফিলে প্রধান অতিথির মুবারক বয়ান দান করেন। প্রতিদিনই হাজার হাজার ভক্ত মুরীদীন উনার মাহফিলে হাজির হন এবং বিশেষ রান্নাকৃত তাবারুক গ্রহণ করেন। উনার পৃষ্ঠপোষকতায় সারাদেশে প্রায় কয়েক হাজার মসজিদ, মাদরাসা পরিচালিত হচ্ছে। উনার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত দরবার শরীফ উনার লাইব্রেরীতে কোটি কোটি টাকার সব ধরণের কিতাব ও পুস্তকাদি রয়েছে। ঊহপুপষড়ঢ়বফরধ ইৎরঃধহহরপধ, অসবৎরপধহ সহ রয়েছে পাঁচ শতাধিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর ঊহপুপষড়ঢ়বফরধ।

* ১৯৯০ সাল থেকে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে মওদুদী জামাতকে ১ লাখ টাকা চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করে বই ছাপা হয়।

* সারাদেশে রয়েছে হাজার হাজার আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত উনার পাঠক মজলিশ। যা আনজুমানে মফিদুল ইসলামের চেয়ে অনেক বেশি সমাজ হিতৈষী কর্মকা-ে সমৃদ্ধ। (কার্যক্রম কপি সংযুক্ত)

* পবিত্র দরবার শরীফ উনার কার্যক্রমের মধ্যে অনন্য ‘মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন’। যা দেশ বিদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষার এবং ইসলামী বিষয় সমুন্নত রাখার আইনী প্রতিষ্ঠান মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন। যার মাধ্যমে রীট তথা আইনী কার্যক্রম করে এ পর্যন্ত ৫০টির বেশি যুগান্তকারী রায় পাওয়া গেছে।

* পবিত্র দরবার শরীফ উনার কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক রুইয়াতে হিলাল মজলিশ। যা চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে সব সময় সঠিক দিক-নির্দেশনা দেয়। বিগত সময়ে ইফার ভুলের বিপরীতে এ প্রতিষ্ঠানটি সঠিক তথ্য বাস্তবায়নে সোচ্চার ছিল।

* পবিত্র দরবার শরীফ উনার কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ প্রকাশনা। যার মাধ্যমে অনেক দুর্লভ দালীলিক কিতাবাদী প্রকাশ পাচ্ছে। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শান-মান প্রকাশ ও বিধর্মীদের কর্তৃক সৃষ্ট সব ধরণের ফেতনার অবসান ঘটাচ্ছে। সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনছে।

* সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পবিত্র দরবার শরীফ উনার ব্যাপক কার্যক্রমের মধ্যে একটি কার্যক্রম হলো, দইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ এন্ড কো-অপারেশন (ওএঝজঈ)। যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রতিভাকে জাগ্রত করার লক্ষ্যে তাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে তাদের মন ও মেধাকে বিকশিত করা।

* সামগ্রিকভাবে দরবার শরীফ উনার সকল শিক্ষার্থীদেরকে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্ত্বাক্বী করার মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পবিত্র সুন্নাহ শরীফ সম্পর্কে গবেষণা ও সঠিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা।

* রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিদিন প্রকাশিত হচ্ছে দৈনিক আল ইহসান শরীফ। যা অনলাইনে পৃথিবীর সব দেশ থেকে পঠিত হচ্ছে।

* উনার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হচ্ছে সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টিকারী মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ।

* মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও দৈনিক আল ইহসান শরীফ মহান পত্রিকাদ্বয়; যাতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে মৌলবাদ, হরতাল, লংমার্চ, ধর্মব্যবসা, ব্লাসফেমী আইন ইত্যাদির বিরুদ্ধে লেখা হয়।

* ওসামা বিন লাদেন, হরকাতুল জিহাদ, বাংলা ভাই, আইএস সন্ত্রাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে লেখা হয়।

* ১৯৯৬ সাল থেকে দৈনিক আল ইহসান শরীফ উনার মধ্যে যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে তথা কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী মইত্যা রাজাকার, মইজ্জা রাজাকার, কামারুজ্জামান, বাচ্চু রাজাকার ইত্যাদির বিরুদ্ধে ক্ষুরধার লেখনী চালনা করা হয় এবং ধর্মপ্রাণদের মাঝে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের স্বপক্ষে জনমত তৈরী করা হয়।

* প্রতিদিন রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত মীলাদ মাহফিল, হেফযখানায় শত শত ছাত্রের কুরআন হেফজ এবং কিতাব বিভাগে শত শত ছাত্রের পড়াশোনা প্রতারক প্রতিবেদক সফিক শাহীনের চোখে পড়েনি। অর্থাৎ প্রতারক শফিক সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে পবিত্র দরবার শরীফ উনার বিরুদ্ধে পুরোটাই মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে।

* রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মধ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দর। যার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্ত সম্মানিত সুন্নত মুবারক সারা কায়িনাতের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া। এজন্য করা হয়েছে ভ্রাম্যমান সুন্নত মুবারক প্রচার টিম। যা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পবিত্র সুন্নত প্রচার উনার কার্য্যক্রমে সংযুক্ত। এছাড়াও রয়েছে আরো শত শত যুগান্তকারী কার্যক্রম।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

আরো উল্লেখ্য, প্রতারক সফিক শাহীনের প্রবঞ্চনাপূর্ণ প্রতিবেদনে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফে ঢাকা এবং অন্যান্য জেলা থেকে আগত হাজার হাজার লোক এসে যে যিকির আযকার করে, দ্বীনি তা’লীম তালক্বীন নেয় সেসব বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সম্মানিত দরবার শরীফ উনার মধ্যে অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং উনার বিশেষ শান মুবারক “৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল” ছাড়াও বৎসরব্যাপী আরো প্রায় দেড়শ’র মত বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যাতে হাজার হাজার ভক্ত মুরীদান শামিল হন। অর্থাৎ এসব বিষয় প্রতিবেদনে না এনে প্রতারক সফিক শাহীন যে প্রবঞ্চনাপুর্ণ প্রতিবেদন তৈরী করেছে তার পুরোটাই চরম বিদ্বেষপ্রসূত, উদ্দেশ্যমূলক এবং গভীর দুরভিসন্ধিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

এবারে আমরা প্রতারক সফিক শাহীনের প্রবঞ্চনাপূর্ণ প্রতিবেদনের সামান্য কিছু নজীর পেশ করব।

প্রথমতঃ পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামে ষ্ট্যাম্প সাইজকৃত যে ছবি প্রতারক সফিক শাহীন ছাপিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটা প্রমাণ করার জন্য জন্য এনটিভির প্রতি এক হাজার কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করা হলো।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

আমরা দ্ব্যার্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মধ্যে কোনো ধরণের কোন মামলাবাজ সিন্ডিকেট নেই। বা এ ধরণের কোনো চক্রের কথা আমাদের জানাও নেই। আমাদের কথা হলো প্রতারক সফিক শাহীন কী রাষ্ট্র? আইন শৃঙ্খলা বাহিনী? আইন আদালত? না তার চেয়েও বেশি? ভূয়া মামলার ভিকটিম দেখানোর চেয়ে ভূয়া ভিকটিম সাজিয়ে জামাত শিবির প্ররোচিত হয়ে স্বাধীনতার পক্ষের রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ভাবমর্যাদা নষ্ট করাই কী তার আসল উদ্দেশ্য নয়? পাশাপাশি পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ, ধর্মব্যবসা বিরোধী কর্মকা-কে চুপিয়ে নতুন করে সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ ও ধর্মব্যবসায়ীদের প্লাটফরম তৈরীই কি তার উদ্দেশ্য?

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

কোন ভূয়া মামলার ভিকটিম যদি কেউ হয় তার জন্য কি থানা পুলিশ বা আইন আদালত নেই? সেসব তথাকথিত ধনী বা শিক্ষিত লোক দাবীদার ভূয়া মামলার ভিকটিম বলে দাবী করছে এত শিক্ষিত ও ধনী হওয়া পরও তারা আইন আদালতের আশ্রয় নিচ্ছে না কেন? এবং কে কোন ভূয়া মামলার বাদী হলো? তার নাম ঠিকানা প্রকাশ করছেনা কেন? আর কে কোন মামলা করলো তার সাথে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্ক কী?

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পৈত্রিকভাবেই অনেক সম্পদশালী। সম্পদশালী হওয়ার পরও তিনি কিংবা উনার পরিবারের কোন সদস্য উনাদের নামে বাংলাদেশের কোন জায়গায় কোন সম্পত্তি বা সম্পদ করেন নাই কিংবা করার কোন চেষ্টাও করেন নাই। সেখানে এনটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং মিথ্যা ও প্রতারণাপূর্ণ ছাড়া কিছু নয়।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

সারাদেশে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ৬০ লাখেরও অধিক মুরীদান এবং কোটি কোটি ভক্ত রয়েছেন। পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজেও সব সময় সত্যের উপর চলেন এবং মুরীদদেরকেও চলতে বলেন।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যেমন – পুলিশ লাইনস, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), সিআইডি, ডিবি, এনএসআই ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়সমূহ পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার আশপাশেই অবস্থিত। গত ৪৭ বছরে প্রশাসনের কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম খুঁত পায়নি।

অথচ এনটিভি তাদের শেষ পর্বে বলেছে যে তাদের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। অথচ এটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। এনটিভির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আজ পর্যন্ত কোন সংস্থা পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে আসেনি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই এবং দেশবাসী জনগণ!

শফিক শাহীন তার ফেইসবুকে ৮ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৫৪ মিনিটে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছে। সেখানে বলেছে, “দীর্ঘ চার বছরে পরিশ্রমের ফসল স¤প্রচার হচ্ছে এনটিভিতে”। অথচ এই চার বছরে একবারও পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার প্রতিনিধিত্বকারী কারো সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেয়নি। অপরদিকে এনটিভি প্রচার করলো দেড় বছরের পরিশ্রমে এ রিপোর্ট হয়েছে। তাহলে কী প্রমাণ হয়না সফিক শাহীন এবং এনটিভি দুটোই ভন্ড ও মিথ্যাবাদী। অপরদিকে সফিক শাহীন রিপোর্টের পঞ্চম পর্বে প্রচার করেছে সে পবিত্র দরবার শরীফ উনার আইনজীবির সাথে যোগাযোগ করে তার মোবাইল বন্ধ পেয়েছে। প্রশ্ন হলো- সফিক শাহীন তো পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার বিরুদ্ধে মামলা করতে যায়নি। যে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার উকিলের সাথে তার যোগাযোগ লাগবে। সে করেছে রিপোর্ট। রিপোর্ট করতে লাগবে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ। উনাদের কারো বক্তব্য না নেয়াই প্রমাণ করে যে, সে দুরভিসন্ধিমূলকাাবে এ রিপোর্ট করেছে।

পাশাপাশি উল্লেখ্য যে, গত চার বছরে যোগাযোগ না করে আইনজীবিকে না পাওয়া নিতান্তই হাস্যকর ও মিথ্যা। পাশাপাশি আরো উল্লেখ্য, একই স্ট্যাটাসে সফিক শাহীন লিখেছে- “তুচ্ছ-তাচ্ছ্বিল্য সইতে না পেরে মাথার চুল ছিড়েছি। তথ্য পেতে ছদ্মবেশ ধারণ করেছি।” “ভুক্তভোগীদের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে তাদের গালমন্দ, ঘাড়ধাক্কা খেয়েছি।”

লক্ষ্যনীয় যে, সফিক শাহীন পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার বিরুদ্ধে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে ছদ্মবেশ ধারণ, গালমন্দ এমনকী ঘলাধাক্কাও খেয়েছে। কিন্তু কেন এতো উৎসাহ? এত উদ্যম? অথচ তথাকথিত এই উদ্যমী লোকটা গ্রহণযোগ্য রিপোর্ট তৈরীর ক্ষেত্রে চার বছরে একবারও রাজারবাগ দরবার শরীফমুখী হলোনা। সেখানে কী হয় তা প্রত্যক্ষ করলনা। পবিত্র দরবার শরীফ উনার প্রতিনিধিত্বশীল কারো বক্তব্য নিতে উৎসাহ পেলোনা। তাই এই পক্ষপাতদুষ্ট মানসিকতাই কি প্রমাণ করেনা- কত ন্যাক্কারনজকভাবে, কতটা কু-প্ররোচিত হয়ে সে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার বিরুদ্ধে তথা হালুয়া রুটির উদ্দেশ্যে রিপোর্টটা তৈরী করেছে।

আরো উল্লেখ্য সফিক শাহীনের ফেইসবু স্ট্যাটাসে পাওয়া যায়- “একটি ঘটনাকে আরেকটি ঘটনার সাথে জুড়ে দিয়ে একচরিত্রের সাথে অন্যচরিত্রের মেলবন্ধ নিপুন হাতে যে মানুষটি তৈরি করে দিয়েছে, সহজবোধ্য করেছেন তিনি ভধপবনড়ড়শ.পড়স/হধংরসধহরসধঃড়ৎ অর্থাৎ সফিক শাহীনগংদের গভীর ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছি এবং অবিলম্বে এনটিভির পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনাসহ আমাদের যাবতীয় ক্ষতিপূরণের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও দেশবাসী জনগণ!

আপনাদের জানা আছে, ২০০৪ সালেই দৈনিক মানবজমিনসহ অন্যান্য দৈনিকে এসেছে, পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনাকে নাহক্ক প্রমাণ করতে পারলে ১০০ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করা হয়েছিল। আজকে আমরা সে চ্যালেঞ্জকে ১০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করলাম। ইনশাআল্লাহ! এনটিভিসহ যে কোন গোষ্ঠী যদি পারে এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুক।

আহ্বানে

 

(আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম)

মুখপাত্র- রাজারবাগ দরবার শরীফ

সম্পাদক- দৈনিক আল ইহসান এবং মাসিক আল বাইয়্যিনাত

সভাপতি- আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি

সেক্রেটারী- মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন।

রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।

মোবাইল : ০১৭১৩-০০২৪৫৪

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)